শিরোনাম
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : | ০৪:৪৪ পিএম, ২০২৬-১০-১৮
বান্দরবানে উন্নয়ন-আবাসন ও অপরিকল্পিত রিসোর্ট নির্মাণের নামে অবাধে কাটা হচ্ছে পাহাড়।এতে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে বাড়ছে মৃত্যু ঝুঁকিও।
স্থানীয়রা জানায়, বান্দরবানে উন্নয়ন-আবাসন ও অপরিকল্পিত রিসোর্ট নির্মাণের নামে অবাধে কাটা হচ্ছে পাহাড়।এতে পরিবেশ বিপর্যয় ও বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি এসব মাটি বৃষ্টির পানিতে মিশে পৌর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়ছে জন দূর্ভোগ।
বান্দরবান পৌর এলাকার কালাঘাটা,বালাঘাটা,লেমুঝিরি,বনরুপা পাড়া, লাঙ্গী পাড়া ক্যচিংঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকায় রাত হলেই পাহাড় কাটার প্রতিযোগীতায় নামে পাহাড় খেকোরা।টানা সরকারি ছুটি থাকলে এই প্রতিযোগীতা বাড়ে কয়েক গুন। নাম মাত্র শাস্তির কারনে দেশের আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে এসব পাহাড় খেকোরা। এসব পাহাড় কাটতে শ্রমীকের পাশাপাশি ভেকু দিয়ে কেটে বিআরটিএ'র রেজিস্ট্রেশন বিহীন ডাম্পার ট্রাক দিয়ে তা পাচার করা হয়।পাহাড় কাটায় জড়িত এসব গাড়ির নাম্বার না থাকায় অপরাধে জড়িত এসব গাড়ি মালিকদের আইনের আওতায় আনাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অধরাই রয়ে যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও ক্রমেই বাড়ছে এ পাহাড় কাটার মহা উৎসব।
বনরুপা পাড়ার মো. কাশেম বলেন,
সম্প্রতি সিদ্দিক নগর এলাকার মো.কামাল প্রকাশ কামাল ডাক্তার নামে এক ব্যক্তি প্রায় প্রতি রাতে বাড়ির পেছনে পাহাড় কাটছেন।যা ভোর হলে বেশ কয়েকটি ডাম্পার ট্রাকে করে অন্যত্র বিক্রি করা হয়।কয়েক বছর আগে ওই পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে ২ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।
কালাঘাটা এলাকার মো. ফরিদ বলেন, তাদের এলাকায় রাত হলেই যে পাহাড় কাটার উৎসব চলে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও ভ্রাম্যমাণ আদালত কয়েক দফায় মামলা-জরিমানা করলেও পুনরায় পাহাড় কাটায় মেতে উঠেছে অনেকেই। তাদের বীর বাহাদুর নগর, জামে মসজিদ, কমিশনারের গলি ও ছাইঙ্গ্যা রাস্থার মাথা এলাকায় প্রতিনিয়ত রাত হলেই চলে এ পাহাড় কাটার প্রতিযোগীতা।এসব পাহাড় কাটায় অধিকাংশই চলে বিপ্লব নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে।যার বিরুদ্ধে একাধিক পাহাড় কাটার মামলাও রয়েছে।
দম্প্রতি পাহাড় কাটায় অভিযুক্ত বনরুপা পাড়া সিদ্দীক নগর এলাকার মো.কামাল বলেন, জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার জন্য দ্বায়ীত্ব দেয়া হয়েছে।প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন থানা-পুলিশ এবং পরিবেশকে ম্যানেজ করার দ্বায়ীত্ব এই জাহাঙ্গীরের।
বান্দরবান সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কাটা হলেও সব কয়টির তথ্য পাওয়া যায় না।যে সবের তথ্য পাওয়া যায় সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় বলে জানান তিনি।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে দুর্গাপূজার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেছে। এতে ২৮পূজামন্ডপে বিজিবির কঠ...বিস্তারিত
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে হচ্ছে ২০০কোটি টাকার বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ফলক উন্মোচন করলেন ২৯৮নং আ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : পাহাড়ের জনপদ রাঙামাটি থেকে জাতীয় পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতি পেলেন তর...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : এস.এফ.এফ.মোস্তাঈন বিল্লাহ: বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন à...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পাথর বেঁধে পানির নিচে লুকিয়ে রাখার অভিযোগের মধ্যে আরাফাত (১৮–১৯) নামে এক...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী বিচসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited