শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৭:২৪ পিএম, ২০২৬-০৮-১৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বর্তমানে যাচাই-বাছাইহীন ও অসত্য তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একদিকে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ গণমাধ্যমে উঠে আসছে, অন্যদিকে কোনো কোনো ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশের ফলে নিরপরাধ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন, মানহানি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কন্ট্রোলার অব স্টোরস ও উপসচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদকে ঘিরে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদ নিয়ে এমনই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রকাশিত সংবাদগুলোতে তাঁকে জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব গুরুতর অভিযোগের পক্ষে সুস্পষ্ট, নির্ভরযোগ্য ও যাচাইযোগ্য কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি।
এমন অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করা হলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করে না, বরং তাঁর দীর্ঘ চাকরিজীবনেও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির মতো গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নথি, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং একাধিক সূত্রের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব।
সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক সংবাদগুলোর বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব তথ্য অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিশেষ করে হারিয়ে যাওয়া চেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি কথিত সম্মতিপত্র ও চুক্তিপত্রকে বাস্তব নথি হিসেবে উপস্থাপন করে তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব নথির প্রকৃত উৎস, সত্যতা ও প্রামাণিকতা যাচাই না করেই তা প্রচার করা হয়েছে।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পেছনে কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী মহলের উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা হয়ে থাকলে সেটিও তদন্তের আওতায় আসা উচিত।
সাংবাদিকতার মূলনীতি হলো- অভিযোগকে সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা যেতে পারে, তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রাসঙ্গিক নথি ও তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা অপরিহার্য। একই সঙ্গে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই কাউকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন করাও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।
তাই সালাহউদ্দিন আহমেদকে ঘিরে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই, কথিত চেক, সম্মতিপত্র ও চুক্তিপত্রের উৎস ও প্রামাণিকতা পরীক্ষা এবং এসব তথ্য প্রচারের পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ড রয়েছে কি না-তা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
সত্য ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার স্বার্থে অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্যও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা এবং যাচাইহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
নিজস্ব প্রতিবেদক : হাইওয়ে পুলিশ সর্বাধুনিক এআই (Artificial Intelligence- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চা...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : "রাসুল (সা.)-এর সীরাত যত বেশি চর্চা হবে, আমাদের হৃদয় তত বেশি আলোকিত হবে। ইসলাম আনুষ্ঠানিকতাসর্বস্ব ...বিস্তারিত
রাউজান প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)—এর ২০২৪ ব্যাচের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ...বিস্তারিত
রাউজান প্রতিনিধি : : নিজের ফেসবুক একাউন্টের বায়ো ক্যাপশনে যখন লিখছিলেন, আমার মরণে যদি আপনার অশ্রু না গড়ায়, তবে আমার জন্...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : কোনো এক সকালে অফিসের দরজা খুলে দেখা গেল—বছরের পর বছর নিষ্ঠা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করা মানুষ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited