শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : | ০৯:১৮ পিএম, ২০২২-০১-০৬
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে উত্তর কোরিয়া। বুধবার ওই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয় বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ নিশ্চিত করেছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭শ কিলোমিটার দূরের একটি লক্ষ্যবস্তুতে ‘নিশ্চিতভাবে আঘাত’ করেছে।
উত্তর কোরিয়ায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার এটা দ্বিতীয় ঘটনা। দূরপাল্লার এবং শব্দের চেয়ে কয়েকগুণ দ্রুতগতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে বেশি সময় ধরে শনাক্তকরণ রাডারকে ফাঁকি দিতে পারে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র।
এই মূহুর্তে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মতো অল্প কয়েকটি দেশেরই কেবল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে। বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর মধ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে।
এতদিন ধরে বিভিন্ন দেশের হাতে যেসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, সেগুলো অনেকটা সেকেলে হয়ে যাচ্ছে এবং তার শূন্যস্থান পূরণ করতেই এই প্রতিযোগিতা। কার আগে কে নতুন প্রজন্মের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে তা নিয়ে জোর প্রতিযোগিতা চলছে।
কয়েকদিন আগে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন পিয়ংইয়ংয়ের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার ঘোষণার পরই এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার খবর পাওয়া গেল।
নতুন বছরের প্রথম দিনে এক ভাষণে কিম বলেছিলেন যে, কোরীয় উপদ্বীপে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীল সামরিক পরিবেশ দেখা দিয়েছে। সে কারণে পিয়ংইয়ং নিজের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে।
দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে যাবার পর গত বছর উত্তর কোরিয়া অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। এদিকে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি বুধবার ভোরে জাপানের কোস্টগার্ড প্রথম শনাক্ত করে। এরপর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে।
কেসিএনএর রিপোর্টে বলা হয়েছে, বুধবারের ওই পরীক্ষায় ‘হাইপারসনিক গ্লাইডিং ওয়ারহেড’ রকেট বুস্টার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ৭শ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে ‘নিপুণভাবে আঘাত’ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণ এবং শীতকালে কাজ করার ক্ষমতার মতো কিছু বিষয়ও নিশ্চিত হওয়া গেছে।
হাইপারসনিক অস্ত্র সাধারণত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে কম উচ্চতায় লক্ষ্যবস্তুর দিকে উড়ে যায় এবং শব্দের পাঁচ গুণেরও বেশি গতিতে ছোটে, যেমন ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজার ২শ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।
এমন এক সময় উত্তর কোরিয়া এ পরীক্ষা চালালো যখন করোনাভাইরাসের কারণে সীমান্ত অবরোধের ফলে পিয়ংইয়ং এখন খাদ্য সংকটে পড়েছে। এ কারণে দেশটির অর্থনীতির অবস্থা এখন খুবই খারাপ।
গত বছরের শেষে কিম বলেছিলেন যে, তার দেশ এখন ‘জীবন-মৃত্যুর লড়াই’ এর মুখোমুখি। দেশের উন্নয়ন বাড়ানো এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা দেশটির এ বছরের লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অর্থনীতির খারাপ অবস্থা সত্ত্বেও দেশটি নিজের সমরাস্ত্র কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছে এবং বরাবর নিজেদের আত্মরক্ষাকে এর পেছনে কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে। যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে তার পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধকরণ পরিত্যাগের আহ্বান জানিয়ে আসছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক এখনও পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : ইসরাইল ও হিজবুল্লাহ শুক্রবার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। লেবাননে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলু...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নতুন করে তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের ব...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited