শিরোনাম
আবদুল্লাহ মজুমদার : | ০৫:২০ পিএম, ২০২৬-০৮-২৫
ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু প্রয়োজনের সময় সেই টাকা ব্যবহার করা যাচ্ছে না—এর চেয়ে বড় আর্থিক অনিশ্চয়তা একজন সাধারণ আমানতকারীর জন্য আর কী হতে পারে? যে অর্থ তিনি বছরের পর বছর সঞ্চয় করেছেন চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা, সন্তানের ভবিষ্যৎ কিংবা অবসরজীবনের নিরাপত্তার জন্য, সেই অর্থই যদি সংকটের কারণে আটকে থাকে, তাহলে ব্যাংকের হিসাবের অঙ্কটি তাঁর কাছে কতটা অর্থবহ?
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি তাই কেবল একটি ব্যাংকের আর্থিক সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারো আমানতকারীর জীবন, পারিবারিক নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সর্বোপরি ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা।
ব্যাংক পুনর্গঠন প্রয়োজন—এ নিয়ে দ্বিমত থাকার কথা নয়। কিন্তু সেই পুনর্গঠনের ভার যদি সাধারণ আমানতকারীর ওপর পড়ে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই—ব্যাংককে রক্ষা করতে গিয়ে আমানতকারীকে কতটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হবে?
আমানতকারীর দায় কোথায়?
একজন সাধারণ মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখেন নিরাপত্তা ও আস্থার কারণে। তিনি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে থাকেন না। বড় ঋণ অনুমোদন করেন না। খেলাপি ঋণ সৃষ্টি করেন না। ব্যাংকের অর্থ কোথায় বিনিয়োগ হবে, সে সিদ্ধান্তও তিনি নেন না।
তাহলে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা, অনিয়ম, ঋণখেলাপি কিংবা আর্থিক অব্যবস্থাপনার দায় কেন তাঁকে বহন করতে হবে?
একজন মানুষের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ হয়তো তাঁর ২০ বছরের সঞ্চয়। কারও সেই টাকা মায়ের চিকিৎসার জন্য, কারও সন্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি দেওয়ার জন্য, কারও মেয়ের বিয়ের জন্য, আবার কারও ব্যবসার মূলধন। কারও পুরো সঞ্চয়ই হয়তো অবসরজীবনের নিরাপত্তা।
ব্যাংকের হিসাবে এগুলো নিছক অর্থের অঙ্ক। কিন্তু একটি পরিবারের কাছে এগুলো জীবনের পরিকল্পনা।
সেই পরিকল্পনা যদি ব্যাংকের সংকটে থেমে যায়, তাহলে এটি আর শুধু অর্থনীতির বিষয় থাকে না; তা মানুষের জীবনযাত্রার সংকটে পরিণত হয়।
টাকা আটকে গেলে জীবনও আটকে যায়
একজন অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা অপেক্ষা করে না। হাসপাতালের বিলও অপেক্ষা করে না। সন্তানের শিক্ষার ফি দেওয়ার সময়সীমা অপেক্ষা করে না। ছেলেমেয়ের বিয়ের পরিকল্পনাও অনির্দিষ্টকাল পিছিয়ে রাখা যায় না।
কিন্তু ব্যাংকে টাকা থাকার পরও যদি একজন মানুষ প্রয়োজনের সময় নিজের অর্থ ব্যবহার করতে না পারেন, তাহলে তাঁর জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়।
ব্যবসা থেমে যায়। চিকিৎসা বিলম্বিত হয়। সন্তানের পড়াশোনা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিয়ের পরিকল্পনা পিছিয়ে যায়। পরিবারের ব্যয় কমাতে হয়। বাড়ে মানসিক চাপ।
এমনকি একটি পরিবারের স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনযাপনও থমকে যায়।
তাই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের সংকটকে শুধু ‘তারল্যসংকট’ বা ‘ব্যাংক পুনর্গঠন’ দিয়ে ব্যাখ্যা করলে বাস্তবতার বড় একটি অংশ বাদ পড়ে যায়।
‘হেয়ারকাট’ আতঙ্ক কেন এত গভীর?
‘হেয়ারকাট’ অর্থনীতির একটি পরিভাষা হতে পারে। কিন্তু সাধারণ আমানতকারীর কাছে এর অর্থ খুবই সরল—নিজের সঞ্চয়ের একটি অংশ হারানোর আশঙ্কা।
এই আশঙ্কা যে বাস্তব উদ্বেগ তৈরি করেছে, তার প্রমাণ আমানতকারীদের আন্দোলন ও প্রতিবাদ। তাঁরা হেয়ারকাট প্রত্যাহার এবং আমানত ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।
অর্থাৎ এটি কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত ভয় নয়; বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও আলোচিত হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমানতকারীরা তাঁদের অর্থ ও মুনাফা ফেরত পাবেন এবং কোনো ‘হেয়ারকাট’ হবে না। তবে ব্যাংকের লোকসানের কারণে পুরো অর্থ ফেরত দিতে সময় লাগবে বলেও জানানো হয়েছে।
এই আশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শুধু আশ্বাসে আতঙ্ক কাটে না। প্রয়োজন আশ্বাসকে বাস্তব নিশ্চয়তায় রূপ দেওয়া।
কারণ অনিশ্চয়তা যত দীর্ঘ হয়, আতঙ্কও তত বাড়ে।
২১ মাসের অপেক্ষা—কারও জন্যই সহজ নয়
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ ব্যবস্থায় ধাপে ধাপে আমানত ফেরতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী প্রায় ২১ মাসের মধ্যে পুরো আমানত উত্তোলনের কাঠামো করা হয়েছে। গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে।
উদ্যোগটি ইতিবাচক। কিন্তু একজন আমানতকারীর জীবনে ২১ মাসও দীর্ঘ সময়।
কারও চিকিৎসা আজ প্রয়োজন। কারও সন্তানের ফি আগামী সপ্তাহে। কারও মেয়ের বিয়ে আগামী মাসে। কারও ব্যবসার মূলধন এখনই দরকার।
তাই দীর্ঘমেয়াদি আমানত ফেরতের পরিকল্পনার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত অর্থ পাওয়ার ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে হবে।
১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ—স্বস্তি, কিন্তু পূর্ণ সমাধান নয়
অসুস্থ আমানতকারীদের চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পরে এই সুবিধা নিজের চিকিৎসার পাশাপাশি বাবা-মা, সন্তান, ভাই-বোন, স্বামী বা স্ত্রীর চিকিৎসা এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
এটি নিঃসন্দেহে স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—যাঁর প্রয়োজন ১০ লাখ টাকার বেশি? যাঁর পুরো সঞ্চয়ই ভবিষ্যতের নিরাপত্তা? যাঁর বড় অঙ্কের মেয়াদি আমানত আটকে আছে?
জরুরি প্রয়োজনে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ তাৎক্ষণিক চাপ কমাতে পারে। কিন্তু এটি আমানত ফেরতের স্থায়ী সমাধান নয়।
আমানতকারী শেষ পর্যন্ত তাঁর নিজের অর্থের পূর্ণ নিরাপত্তা চান।
সরকারের দায়িত্ব কোথায়?
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। দীর্ঘদিনের ব্যাংকিং সংকট কয়েক মাসে পুরোপুরি সমাধান করা কঠিন—এ বাস্তবতা স্বীকার করতেই হবে। কিন্তু সময় যত যাবে, সরকারের কাছ থেকে দৃশ্যমান অগ্রগতির প্রত্যাশাও তত বাড়বে।
সরকারের দায়িত্ব প্রতিটি ব্যাংকের লোকসান জনগণের করের অর্থ দিয়ে পূরণ করা নয়। কিন্তু সরকারের দায়িত্ব হলো এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা, যাতে ব্যাংকের সংকটের দায় সাধারণ আমানতকারীর ঘাড়ে না পড়ে।
এ জন্য প্রয়োজন—
ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছভাবে প্রকাশ;
আমানত ফেরতের সুস্পষ্ট সময়সূচি;
জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত অর্থ উত্তোলনের সুযোগ;
খেলাপি ঋণ উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ;
অনিয়ম ও অর্থ পাচারের তদন্ত;
দায়ীদের আইনের আওতায় আনা;
বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি জোরদার করা;
এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকট ঠেকাতে কাঠামোগত সংস্কার।
সরকারের কাছে প্রশ্ন তাই শুধু ‘টাকা দেবেন কি না’ নয়। প্রশ্ন হলো—আমানতকারীর অর্থ নিরাপদ রাখতে রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং সেই ব্যবস্থার ফল কবে দৃশ্যমান হবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের জবাবদিহিও জরুরি
ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়।
একটি ব্যাংক যখন বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়ে, তখন শুধু সংকট মোকাবিলা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। সংকটের উৎসও খুঁজে বের করতে হয়।
কত টাকা খেলাপি হয়েছে? কারা ঋণ নিয়েছে? ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই হয়েছিল কি না? ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় কোথায় দুর্বলতা ছিল? নিয়ন্ত্রক সংস্থা আগেই ঝুঁকির সংকেত পেয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন।
কারণ আজকের সংকট সামাল দিয়ে আগামী দিনের সংকট ঠেকানো না গেলে পুনর্গঠন কার্যকর হবে না।
দায় যার, দায় তার
ব্যাংকের সংকটের দায় যদি থাকে, সেই দায় নির্ধারণ করতে হবে। শুধু প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করলেই হবে না; অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোরতা প্রয়োজন। অনিয়মের তদন্ত প্রয়োজন। অর্থ পাচারের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নিতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—ব্যাংকের ব্যর্থতার দায় যেন আমানতকারীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া না হয়।
কারণ যে ব্যক্তি নিজের অর্থ ব্যাংকে রেখেছেন, তিনি ব্যাংকের অনিয়মের অংশীদার নন।
সরকারের মেয়াদ বাড়ার সঙ্গে বাড়বে জবাবদিহি
একটি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কয়েক মাসে প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা বাস্তব ফলাফলের দিকে যায়।
ব্যাংকিং খাতের সংকটও এর ব্যতিক্রম নয়।
আজ আমানতকারী জানতে চাইছেন—কবে টাকা পাবেন। আগামী দিনে প্রশ্ন হবে—কত টাকা ফেরত দেওয়া হলো। তার পরের প্রশ্ন হবে—কেন সংকট তৈরি হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে এমন সংকট ঠেকাতে কী করা হয়েছে।
অর্থাৎ সরকারের মেয়াদ যত এগোবে, আমানতকারীর অর্থ ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা পুনর্গঠনের প্রশ্নটিও তত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
শেষ পর্যন্ত মানুষকেই গুরুত্ব দিতে হবে
ব্যাংক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ব্যাংকের মূল শক্তি তার ভবন, সফটওয়্যার কিংবা হিসাবের খাতা নয়—মানুষের আস্থা।
একজন মানুষ যখন তাঁর সঞ্চয় ব্যাংকে রাখেন, তখন তিনি আসলে ব্যাংককে তাঁর ভবিষ্যতের একটি অংশের দায়িত্ব দেন। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যাংক ব্যর্থ হলে শুধু একটি হিসাবের অঙ্ক কমে না; একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
তাই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুনর্গঠন প্রয়োজন। প্রয়োজন আর্থিক শৃঙ্খলা, সুশাসন ও জবাবদিহি। কিন্তু সেই পুনর্গঠনের কেন্দ্রে থাকতে হবে আমানতকারী।
হেয়ারকাটের আতঙ্ক দূর করতে হবে। আমানত ফেরতের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে অর্থ পাওয়ার সুযোগ আরও কার্যকর করতে হবে। ব্যাংকের দুর্বলতার কারণ চিহ্নিত করতে হবে এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
কারণ আমানতকারী কোনো অনুদান চান না। তিনি কোনো বিশেষ সুবিধাও দাবি করছেন না। তিনি চান তাঁর বৈধ অর্থ নিরাপদ থাকুক এবং প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করতে পারেন।
ব্যাংককে বাঁচানো অবশ্যই জরুরি। কিন্তু ব্যাংক বাঁচানোর নামে যদি আমানতকারীর জীবন থমকে যায়, তাহলে সেই পুনর্গঠনের সাফল্য নিয়েই প্রশ্ন থেকে যাবে।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু ব্যাংককে টিকিয়ে রাখা নয়; আমানতকারীর আস্থা, অধিকার এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনও নিশ্চিত করা।
এটাই হওয়া উচিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পুনর্গঠনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।
লেখক: প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সভাপতি লাভ বাংলাদেশ পার্টি, চট্টগ্রাম মহানগর।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৈনিক আমাদের চট্টগ্রামের উদ্যোগে ‘সীরাতে মোস্তফা মাহফিল’ ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ভুল চিকিৎসার অভিযোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সাংবাদিক আহমদ আলী চৌধুরী। চট্টগ্রামের একটি বেসরকা...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : চট্টগ্রাম সরকারি নাসিরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জামালুদ্দিনের বিরুদ্ধে শিক্ষক...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি ফেসবুক ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট। প্রোফাইলে এক তরুণীর ছবি। তারপর দু-একটি কথা, নিয়মিত খোঁজখবর, ফোনা...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন বিদর্শন বড়ুয়া ও ডা. শান্তা বড়ুয়ার পুত্র অভিষেক বড়ুয়া চট্টগ্রাম সরকারি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ২০...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : ফল প্রকাশের পর একই সঙ্গে দেখা যায় দুই ধরনের দৃশ্য। কোথাও আনন্দ, কোথাও হতাশা। কারও হাতে কাঙ্ক্ষিত ফ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited