শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:০৪ পিএম, ২০২৬-০৬-২৫
চট্টগ্রাম মহানগরীতে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সাম্প্রতিক এক জরিপে নগরীর কয়েকটি এলাকায় ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার প্রজনন তুলনামূলক বেশি শনাক্ত হওয়ায় ৮টি ওয়ার্ডকে ‘রেড জোন’ বা অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি নগরবাসীকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৮ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত ১১ দিনব্যাপী পরিচালিত জরিপে স্বাস্থ্য বিভাগের চার সদস্যের বিশেষজ্ঞ কারিগরি দল নগরীর ১৮টি ওয়ার্ডের ৩৭০টি বাড়ি পরিদর্শন করে।
জরিপে ৯৯টি বাড়িতে এবং পরীক্ষা করা ৩৪৫টি পানির পাত্রের মধ্যে ১১৪টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। শনাক্ত হওয়া লার্ভার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই ডেঙ্গুর প্রধান বাহক এডিস ইজিপ্টাই প্রজাতির।
জরিপে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত তিনটি সূচকেই চট্টগ্রামকে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে পাওয়া গেছে। হাউজ ইনডেক্স ২৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ, যেখানে স্বাভাবিক মাত্রা ৫ শতাংশের নিচে থাকার কথা।
ব্রেটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ, যা স্বাভাবিক সীমা ২০ শতাংশের চেয়ে বেশি। এছাড়া কন্টেইনার ইনডেক্স ৩৩ দশমিক ০৪ শতাংশ, যেখানে ১০ শতাংশের বেশি হারকেই উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে উত্তর কাট্টলী (ওয়ার্ড-১০), পাঁচলাইশ (ওয়ার্ড-৩), জালালাবাদ (ওয়ার্ড-২), পশ্চিম বাকলিয়া (ওয়ার্ড-১৭), দক্ষিণ বাকলিয়া (ওয়ার্ড-১৯), দক্ষিণ হালিশহর (ওয়ার্ড-৩৯), পাথরঘাটা (ওয়ার্ড-৩৪) এবং আন্দরকিল্লা (ওয়ার্ড-৩২) ওয়ার্ডকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বাসাবাড়ির প্লাস্টিক সামগ্রী, ড্রাম, পানির ট্যাংক, নির্মাণাধীন ভবনের লিফট হোল ও আন্ডারগ্রাউন্ডে সবচেয়ে বেশি লার্ভা পাওয়া গেছে। এছাড়া সিটি করপোরেশনের কিছু আবর্জনা পরিবহনকারী গাড়িতেও এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম আরও জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সমন্বিতভাবে কাজ করবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মশার উৎসস্থল ধ্বংসে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited