শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৪:৪৯ পিএম, ২০২৫-০৯-১৮
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাটস্থ রিংভং রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও ওলামা লীগ নেতা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম ছিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
অভিযোগপত্রে যা বলা হয়েছে, মাদ্রাসার সভাপতি হারুনুর রশিদ সম্প্রতি (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এতে সুপারের নানা কেলেঙ্কারির বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।
ভুয়া কাগজপত্রে দায়িত্ব দখল : মাহবুবুল আলম দাবি করেন তিনি ২০০৪ সাল থেকে সুপার, অথচ তখন দায়িত্বে ছিলেন তাঁর ভাই প্রয়াত মুহিউদ্দিন। পরবর্তীতে সহকারী মৌলভী আব্দুল মজিদ ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও, ভুয়া কাগজপত্র ও মিথ্যা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মাহবুবুল আলম নিজেকে সুপার হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।
অর্থ আত্মসাৎ : আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব না রাখা, ব্যাংকিং চ্যানেল এড়িয়ে নগদ লেনদেনে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত তহবিলও হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
অবৈধ নিয়োগ : বিধি বহির্ভূতভাবে ছোট ভাই কফিল উদ্দিনকে সহকারী মৌলভী পদে নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভুক্ত করা হয়, যদিও তিনি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া সুখছড়ি উজির ভিটা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছিলেন। একই সাথে সহকারী মৌলভী আব্দুল মজিদকে ছাঁটাইয়ের পাঁয়তারা চলে আসছে।
অনুপস্থিত থেকেও প্রভাব খাটানো : গত ১৭ জুলাই থেকে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও তিনি প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
চকরিয়া মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ইউএনও’র নির্দেশে পরিদর্শনে গিয়ে তিনি দেখেছেন শিক্ষক ও সহ-সুপারের মধ্যে সমন্বয় থাকলেও, সুপার মাহবুবুল আলমের একগুঁয়েমি ও স্বৈরাচারী মনোভাব স্পষ্ট। একাধিক বৈঠকেও কোনো সমঝোতা হয়নি।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাবেন।
উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপায়ন দেব বলেন, “আমি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চালাচ্ছি। ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে লিখিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো।”
এছাড়া অনিয়ম-অস্থিরতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের বেতন আটকে রয়েছে বলেও জানা গেছে।
অভিযুক্ত সুপারের বক্তব্য, অভিযোগ প্রসঙ্গে সুপার ও ওলামা লীগ নেতা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ মিথ্যা- এ বিষয়ে আমার কাছে লিখিত প্রমাণপত্র রয়েছে। দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।”
এলাকাবাসীর প্রশ্ন!
অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার পরিবেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছেন- একজন বিতর্কিত ওলামা লীগ নেতার লাগাম টানতে প্রশাসন কতটা কার্যকর হবে? নাকি প্রভাব-প্রতিপত্তির ছায়ায় দুর্নীতির এই নগ্ন খেলা চলতেই থাকবে?
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited