শিরোনাম
বান্দরবান প্রতিনিধি : | ০৭:৪১ পিএম, ২০২৫-১২-২১
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’। সংগঠনটি মনে করে, পাহাড়ের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় রাখতে হলে দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। রোববার এক বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বে ঘোষিত ৬ দফা দাবির পাশাপাশি বান্দরবানের দুর্গম এলাকার মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে বিশেষ কিছু দাবি তুলে ধরা হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার চরম ঘাটতি রয়েছে। এ অবস্থায় যেসব এলাকায় হাসপাতাল নেই, সেখানে পর্যাপ্ত কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন এবং মোবাইল মেডিকেল টিমের মাধ্যমে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। বিশেষ করে পাহাড়ি মা ও শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আলাদা ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ে সংগঠনটি জানায়, দুর্গম পাড়াগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও স্থানীয় ভাষায় পাঠদানের ব্যবস্থা জরুরি। পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপজেলা সদরে আবাসিক হোস্টেলের সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। এছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ও গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের দাবিতে বলা হয়, দুর্গম এলাকার কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে উপজেলা ও জেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। ভূমি ও কর্মসংস্থানের বিষয়ে সংগঠনটি জুম চাষিদের অধিকার রক্ষা এবং ভূমি সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধানের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবি তোলে। একই সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংবিধানে সকল জাতিগোষ্ঠীর সঠিক স্বীকৃতি, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করে সংসদীয় আসন ৩টি থেকে ৯টিতে উন্নীত করা এবং দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারলেই পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্যাপশন: কদম মোবারক মুসলিম এতিমাখানার নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ (২০২৬ - ২০২৯) এর অভিষেক ও ইফতার...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে রাঙামাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যা...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটি শহরের ডিসি অফিস এলাকা থেকে ২২ মামলার আসামি হিসেবে চিহ্নিত মাদক সম্রাট জসিম (৪৬) কে ধাওয়...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙ্গামাটি জেলার জুরাছড়ি উপজেলার দুমদুম্যা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুর্গম গবছড়ি বাজারে অগ্নিকাণ...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ দিয়ে রাঙামাটিতে আনা হচ্ছে শুল্কবিহীন অবৈধ সিগারেট। প্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited