শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:১৪ পিএম, ২০২৫-০৯-১৫
তারেকুল ইসলাম:
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় আর্থিক সুশাসন ও স্বচ্ছতায় অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ফল প্রকাশের দেড় মাসের মধ্যেই প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষকদের সম্মানীর বিল পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। দেশের আর কোনো শিক্ষা বোর্ড এত দ্রুত সময়ে এ উদ্যোগ নিতে পারেনি।
এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি ২০২৫ সালের প্রশ্ন প্রণেতা ও পরীক্ষকদের সম্মানীও দেড় মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, এটি শিক্ষা বোর্ডের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে।
বোর্ড প্রতিষ্ঠার তিন দশক পর প্রথমবারের মতো স্টক রেজিস্ট্রার যাচাই–বাছাই শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলার পর চলতি হিসাবে থাকা ৬ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করে আরও অর্থ যোগ করে বর্তমানে সাড়ে ১১ কোটি টাকা এফডিআর করা হয়েছে। একইসঙ্গে অবসর তহবিল স্বল্প সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৮ কোটি টাকারও বেশি উন্নীত করা হয়েছে। শুধু গত সাত মাসেই জমা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকা, যেখানে পূর্ববর্তী ৩০ বছরে ছিল মাত্র ৯ কোটি।
কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি নিয়মনীতি মেনে ঢাকা বোর্ডের রেকর্ড অনুসরণ করে আধুনিকায়ন, জরাজীর্ণ ভবনের সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
স্থায়ী কর্মকর্তা–কর্মচারীরা জানান, প্রেষণে আসা কিছু সরকারি কলেজ শিক্ষকের তদবির ও প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা পদোন্নতির বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। অথচ শিক্ষা বোর্ড প্রবিধান অনুযায়ী, সহকারী কর্মকর্তা পদে পাঁচ বছর সন্তোষজনক চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হলে ডেপুটি কর্মকর্তা পর্যায়ের মোট ৬০ শতাংশ পদে পদোন্নতির বিধান রয়েছে। এ বিধান কার্যকর হলে চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত হতো।
সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলী আকবর বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত। অথচ নিয়ম অনুযায়ী আমাদের পদোন্নতি পাওয়ার কথা। চট্টগ্রাম বোর্ড দ্রুততম সময়ে বিল পরিশোধ ও আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে প্রমাণ করেছে, এখানে যোগ্যতা আছে—এখন প্রয়োজন সুষ্ঠু পদোন্নতির।”
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি তহিদুল হক বলেন, “চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড দেশের অন্য বোর্ডগুলোর জন্য উদাহরণ। তবে স্থায়ী কর্মকর্তাদের পদোন্নতির দাবি মেনে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।”
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, “১৯৯৭ সালের প্রবিধান অনুযায়ী স্থায়ী কর্মকর্তাদের ৬০ শতাংশ পদোন্নতি দিয়ে এবং অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ প্রেষণে কর্মকর্তাদের পদায়নের নিয়ম আছে। কেন এতদিন পদোন্নতি দেওয়া হয়নি তা খতিয়ে দেখা হবে এবং নিয়ম মেনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : টুরিজম স্পর্ট সাজেকের উজোবাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পর্যটন সড়কে অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। পার্à...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : আগামী ১ নভেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। ২০২৭ সালের ১৫ মà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : সাজেকের সংকট কি কেবল পাঁচ দফা দাবির আন্দোলন, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই!...বিস্তারিত
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : : বান্দরবানের বাকিছড়া নতুন পাড়াবাসীদের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে বালাঘাটা এল...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited