শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৬:৩৫ পিএম, ২০২৬-০২-০৭
এস.এফ.এম.মোস্তাঈন বিল্লাহ:-
বিএনপির প্রার্থী ছাড়া অন্য তিনজন প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন
বান্দরবান জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি দৃশ্যমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ লগ্নে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে তীব্র হয়ে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত প্রার্থীরা ছুটে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। দীর্ঘদিন পর জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও প্রাণবন্ত নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হওয়ায় ভোটারদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বাড়তি আগ্রহ। পাহাড়, বন ও নদীবেষ্টিত পর্যটন নগরী বান্দরবান সম্প্রীতির জনপদ হিসেবে পরিচিত। এখানে মারমা, চাকমা, ম্রো, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খুমি, লুসাই, খেয়াং, পাংখোয়া, চাক ও বাঙালিসহ ১৪টি জাতিগোষ্ঠীর মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান রয়েছে। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সাচিংপ্রু জেরি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে শাপলা কলি প্রতীকে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, জাতীয় পার্টি (কাদের) থেকে লাঙ্গল প্রতীকে আবু জাফর মো. ওয়ালীউল্লাহ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ। বিএনপির প্রার্থী ছাড়া অন্য তিনজন প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। কয়েকজন প্রার্থীর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা না হওয়া নিয়েও ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। স্থানীয় ভোটারদের মতে, প্রচার-প্রচারণায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরি ও এনসিপি প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন। সরেজমিনে দেখা গেছে, আবু সাঈদ সুজা উদ্দিন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন এবং তাদের সমস্যা-সম্ভাবনার কথা তুলে ধরছেন। অন্যদিকে সাচিংপ্রু জেরির পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা জোরালো প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান উপস্থিতি তৈরি করেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে। ফলে পাহাড়ি জনপদের ভোট ক্রমেই দুই ভাগে বিভক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য জোটের প্রার্থীরাও সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে নির্বাচনী মাঠ সরব রাখছেন। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভোটারদের প্রত্যাশা যে দলই নির্বাচিত হোক, পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, সমঅধিকার নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত পর্যটন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। নতুন ভোটার জেসিকা পেন্তেরা, ফারজানা উর্মী ও থুইচা মং বলেন, বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাস্তবমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা জরুরি। নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে দৃশ্যমান। এতে ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। সব মিলিয়ে, দীর্ঘ সময় পর বান্দরবানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী আমেজ ফিরে আসায় ভোটারদের প্রত্যাশা এবারের নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক এবং সবার কাছে।
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : টুরিজম স্পর্ট সাজেকের উজোবাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পর্যটন সড়কে অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। পার্à...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : আগামী ১ নভেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। ২০২৭ সালের ১৫ মà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : সাজেকের সংকট কি কেবল পাঁচ দফা দাবির আন্দোলন, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই!...বিস্তারিত
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : : বান্দরবানের বাকিছড়া নতুন পাড়াবাসীদের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে বালাঘাটা এল...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited