শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:১০ পিএম, ২০২৬-০৮-১১
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, দেশকে সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য করে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করছে।
সরকার কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী।
সরকার পাঁচ বছরে ২৫ কোটি চারা রোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
শুধু সরকারের দিকে না থাকিয়ে নিজ উদ্যোগেও আপনারা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন। আমি নিজ উদ্যোগে আমার এলাকায় অনেক গাছ লাগিয়েছি।
আপনারাও ব্যক্তি উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করুন।
মঙ্গলবার(১১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আয়োজনে ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যেমন-তেমন সরকার নয়। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার। জনগণের কাছে জবাবদিহি করেই এ সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা নানাবিধ উপকার ভোগ করতে পারবো। বৃক্ষ আমাদের শুধু অক্সিজেন দেয় না। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, মাটির ক্ষয় রোধ এবং জীববৈচিত্র্যও সংরক্ষণ করে। গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন ছাড়ে। একই সঙ্গে গাছের পাতা ও শাখা-প্রশাখা ধুলাবালি ও বিভিন্ন দূষিত কণা আটকে রেখে বায়ুকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
গাছপালা শহরের তাপমাত্রা কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাছের ছায়া ও বাষ্পীভবনের মাধ্যমে আশপাশের পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকে। অন্যদিকে, গাছের শেকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখায় ভূমিক্ষয়, পাহাড়ধস ও অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে মাটি ধুয়ে যাওয়া কমে। বড় গাছ বৃষ্টির পানি শোষণ ও ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও কিছুটা কমানো যায়।
শুধু পরিবেশ নয়, মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও গাছের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফল, কাঠ, জ্বালানি, ঔষধি উপাদানসহ নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যায় বৃক্ষ থেকে। গাছ অসংখ্য পাখি, কীটপতঙ্গ ও প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। ফলে একটি গাছ কেবল একটি উদ্ভিদ নয়-এটি একটি ছোট্ট প্রতিবেশব্যবস্থার অংশ।
তাই বৃক্ষ রোপণ শুধু সৌন্দর্য বাড়ানোর উদ্যোগ নয়; এটি সুস্থ পরিবেশ, নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও টেকসই জীবনের জন্য একটি অপরিহার্য বিনিয়োগ।
মীর হেলাল বলেন, আমরা এক লাখ দেড় লাখ গাছ লাগানোর কথা বলি। কিন্তু বাস্তবে গিয়ে সেখানে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এমনটা চাই না। আমরা যেটা বলবো সেটা বাস্তবায়ন করবো। কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা গাছ কেটে বিক্রি করে, যার কারণে পরিবেশ ধ্বংস হয়। আগে যে পরিমাণ গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে সেটি পূরণ করতে আমাদের নিয়মিত বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
স্টাফ রিপোর্টার : : "রাসুল (সা.)-এর সীরাত যত বেশি চর্চা হবে, আমাদের হৃদয় তত বেশি আলোকিত হবে। ইসলাম আনুষ্ঠানিকতাসর্বস্ব ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : দেশে চলমান গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন। জ্বলছে না চুলা, গ্যাস পেতে সিএনজিচালিত যানবাহনকে ঘণ্টার...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০ টায় দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে অবস্থিত মাল্টিপারপাস শেডে চট্টগ্র...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কয়েকদিন গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পর আবারও তীব্র গ্যাস-সংকট দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited