শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৫:৪৮ পিএম, ২০২৬-০৯-২৩
নাফ নদী, সীমান্তের ওপারের পাহাড় আর বিস্তীর্ণ জলরাশির নৈসর্গিক সৌন্দর্য ঘিরে কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট সংলগ্ন এলাকা এখন নতুন করে আকর্ষণ তৈরি করেছে পর্যটকদের মধ্যে। প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা। বিশেষ করে ছুটির দিনে পর্যটকদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠছে জেটিঘাট ও আশপাশের এলাকা। জানা গেছে, শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে, শাহপরীর দ্বীপের ওপারের মিয়ানমার রাখাইন রাজ্য। শাহপরীর দ্বীপ ও রাখাইন সীমান্তের মাঝখানে প্রবাহিত হয়েছে নাফনদী। জেটি ঘাটটির নদীর সঙ্গে সংযুক্ত, জেটির শেষ প্রান্তে গেলে মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত খুব কাছ থেকে দেখা যায়। পাশাপাশি নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা সুন্দর দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। ‘পযর্টকরা টেকনাফ উপজেলার অন্যান্য দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি তারা শাহ পরীর দ্বীপে ভ্রমণে আসছেন। এবং তাদের উপস্থিতি বাড়ছে, সে সঙ্গে পযর্টকদের সুবিধার্থে ওয়াশরুম নির্মাণসহ কিছু সংস্কার কাজ করা হবে।’ স্থানীয়রা জানায়, শুক্র বার-শনিবার ছুটির দিনে পযর্টকদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। ছুটির দিন ছাড়াও প্রতিদিন পযর্টকদের উপস্থিত থাকে। অনেক পযর্টকরা মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে শাহপরীর দ্বীপ আসেন। আবার কেউ কেউ হাইওয়ে সড়ক হয়ে। কেউ টুরিস্ট জিপে, কেউ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ঘুরতে আসেন। পযর্টকরা জেটিঘাট সহ দ্বীপের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। অপরদিকে শাহপরীর দ্বীপে পযর্টকদের উপস্থিত বাড়ায় সেখানকার দোকানদারদের বেচা বিক্রি বাড়ছে। স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা পযর্টকদের কাছে শুঁটকি মাছও বিক্রি করে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটসহ এর আশপাশে এলাকায় আরো আকর্ষণীয় করে তুললে সেখানে পযর্টকদের আরও উপস্থিতি বাড়বে। ‘কাঁচা মাছ শুকিয়ে প্রচুর পরিমাণ শুঁটকি মাছ তৈরি করে সংরক্ষণ করি। শাহপরীর দ্বীপে ঘুরতে আসা পযর্টকরা এসব শুঁটকি মাছ কিনে নিয়ে যান। পাশাপাশি কক্সবাজার, কুতুপালং, হোয়াইক্যং, হ্নীলাসহ বিভিন্ন এলাকায় শুঁটকি মাছ বিক্রি করা হয়।’ শাহ পরীর দ্বীপে আস এক পর্যটক ইমাম হোসেন বলেন, মেরিন ড্রাইভ হয়ে টুরিস্ট জিপে যখন শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে পৌঁছালে মন জুড়িয়ে যায়। এখানে প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্ত, মাঝখানে নাফনদী। সব মিলিয়ে সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জেটিঘাটের শেষ প্রান্তর গেলে রাখাইন সীমান্ত খুব কাছ থেকে দেখা যায়। বিকেলে এখানকার দৃশ্যগুলো আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে। ছবি ও ভিডিও ধারণের জায়গাটি চমৎকার। পর্যটক নাসিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা থেকে কয়েকদিনের ট্যুরে কক্সবাজারে এসে সমুদ্র সৈকত ঘুরে দেখেছি। পরে পরিবার-পরিজন নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে ঘুরতে আসি। এখানে নাফ নদীতে জেলেদের নৌকা নিয়ে জাল ফেলে মাছ ধরার দৃশ্য, আবার সাগর থেকে মাছ নিয়ে ফেরার দৃশ্য দেখা যায়। অনেকেই কাঁচা মাছ শুকাচ্ছেন। সব মিলিয়ে এখানকানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জেলেদের কর্ম ব্যস্ততা খুব ভালো লেগেছে। ‘মেরিন ড্রাইভ হয়ে টুরিস্ট জিপে যখন শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে পৌঁছালে মন জুড়িয়ে যায়। এখানে প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্ত, মাঝখানে নাফনদী। সব মিলিয়ে সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জেটিঘাটের শেষ প্রান্তর গেলে রাখাইন সীমান্ত খুব কাছ থেকে দেখা যায়। বিকেলে এখানকার দৃশ্যগুলো আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে। ছবি ও ভিডিও ধারণের জায়গাটি চমৎকার।’ স্থানীয় দোকানদার আমান উল্লাহ বলেন, শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটসহ বেরি বাঁধে দিন দিন পর্যটক সংখ্যা বাড়ছে। পর্যটক আসলে দোকানে বেচাকেনা বাড়ে। আমরা স্থানীয়রা চাই দেশি-বিদেশি পযর্টকরা যেনো শাহ পরীর দ্বীপে আরও ভ্রমণে আসেন। শুঁটকি মাছ ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, কাঁচা মাছ শুকিয়ে প্রচুর পরিমাণ শুঁটকি মাছ তৈরি করে সংরক্ষণ করি। শাহপরীর দ্বীপে ঘুরতে আসা পযর্টকরা এসব শুঁটকি মাছ কিনে নিয়ে যান। পাশাপাশি কক্সবাজার, কুতুপালং, হোয়াইক্যং, হ্নীলাসহ বিভিন্ন এলাকায় শুঁটকি মাছ বিক্রি করা হয়। শাহ পরীর দ্বীপের ইউপি সদস্য রেজাউল করিম মেম্বার বলেন, শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট যাওয়ার সড়কটি উন্নত হওয়ায় পযর্টকদের আগমন বেড়েছে, পাশাপাশি পযর্টক উপস্থিতির কারনে স্থানীয় দোকানদাররা ও মাছ ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন শত শত পযর্টকের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তবে জেটিঘাট সংস্কারের পাশাপাশি আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারলে শাহ পরীর দ্বীপ পযর্টকদের কাছে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।
টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী জানান, পযর্টকরা টেকনাফ উপজেলার অন্যান্য দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি তারা শাহ পরীর দ্বীপে ভ্রমণে আসছেন। এবং তাদের উপস্থিতি বাড়ছে, সে সঙ্গে পযর্টকদের সুবিধার্থে ওয়াশরুম নির্মাণসহ কিছু সংস্কার কাজ করা হবে।
রাউজান প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তনের সিন্ধান্তের প্রতিবাদে সাধা...বিস্তারিত
মুহাম্মদ আমির হোছা্ইন :: : নদীর ঘাটে সারি সারি নৌকা নেই। পালতোলা নৌকার ভাটিয়ালি গানও এখন আর আগের মতো শোনা যায় না। তীব্র রোদের ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : আজ সোমবার ২১সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং সকাল আনুমানিক ৮ ঘটিকায় আমার শাশুড়ি আম্মা মহান আল্লাহ পাকের ডাক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক আমাদের চট্টগ্রামের মফস্বল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেখক-সাংবাদিক ও সংগঠক আবদুল্লাহ ...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : হাসপাতালের করিডোরে স্বজনের উৎকণ্ঠিত মুখ। কারও হাতে জ্বরের রিপোর্ট, কারও কোলে কাঁপতে থাকা শিশু। ক...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : নানামুখী আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত হয়ে ‘স্পেশাল র...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited