শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:২৫ পিএম, ২০২৬-০৬-০৮
বর্ষা আসার আগেই নগরের বিভিন্ন এলাকায় মশার উৎপাত বেড়েছে। বিশেষ করে চকবাজার ও বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দারা সন্ধ্যা নামলেই মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের অভাব এবং খাল-নালা ও জলাবদ্ধ স্থানে জমে থাকা পানির কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। চকবাজার কাঁচাবাজার সংলগ্ন চাক্তাই খাল যেন মশার প্রজননের আদর্শ স্থান। দীর্ঘদিন ধরে খালের পানি স্থির আছে। বিভিন্ন স্থানে বুদবুদ উঠতে দেখা যায়। খালের তীরে বাজারের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নিয়মিত। পাশেই ডাস্টবিন থাকলেও অনেক ব্যবসায়ী ও ক্রেতা খালেই আবর্জনা ফেলছেন। বিশেষ করে ডাবের খোসায় জমে থাকা পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করেছে। এলাকার ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা জানান, দিনের বেলাতেও মশার উপদ্রব এত বেশি যে- অনেক সময় দোকানের পাশে কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। তাদের মতে, বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সমস্যা থাকলেও বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।ম চকবাজার থেকে অল্প দূরত্বে ছৈয়দশাহ রোড ও রসুলবাগ আবাসিক এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত চাক্তাই ডাইভারশন খাল, যা স্থানীয়দের কাছে বির্জা খাল নামে পরিচিত। সেখানে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ চলছে। খালের ওপর অস্থায়ী বাঁধ দেওয়ায় স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বহু স্থানে পানি জমে থেকে মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মশা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চট্টগ্রামে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে নগরের অন্যতম জনবহুল দুটি এলাকা চকবাজার ও বাকলিয়ার বাসিন্দারা বলছেন, বাস্তব পরিস্থিতিতে এখনও দৃশ্যমান কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৬ জন। এ সময়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এপ্রিল ও মে মাসে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বর্ষা শুরু হলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। চিকুনগুনিয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত নগরের ২০টি এলাকার মধ্যে চকবাজারও রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম পর্যাপ্ত নয়। অনেক এলাকায় বছরে এক বা দুইবার ওষুধ ছিটানো হলেও তা কার্যকর ফল দিচ্ছে না। সকালে ওষুধ প্রয়োগের কয়েক ঘণ্টা পরই আবার মশার উপস্থিতি দেখা যায়। বাকলিয়া খালপাড়, ডিসি রোড এবং আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতেও একই চিত্র। নালা পরিষ্কার করার পরও জনসাধারণের ফেলা আবর্জনায় সেগুলো দ্রুত ভরে যাচ্ছে। ফলে পানি জমে থেকে নতুন নতুন প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে জানান, কবে শেষবার মশার ওষুধ ছিটানো হয়েছিল তা তাদের মনে নেই। চকবাজারের ফুলতলা এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক মনিরুদ্দীন হাসান সুজন বলেন, বির্জা খাল শুকনো মৌসুমে প্রায় ডোবায় পরিণত হয়। তখন মশার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। গত এক বছরে মাত্র একবার সেখানে মশক নিধনের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, খাল-নালা পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ, নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ধারাবাহিক মশক নিধন কার্যক্রম ছাড়া ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে না। বর্ষা মৌসুমের আগে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন না হলে নগরবাসীকে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখোমুখি হতে হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited