শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ১০:০৭ পিএম, ২০২৬-০৭-০৬
আহমদ উল্লাহ :
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি)সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি ও জালিয়াতি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নতুন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে—এই বিশাল জালিয়াতি ধামাচাপা দিতে বিপিসির বর্তমান চেয়ারম্যানকে নাকি ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র কৌতূহল ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। আসলে এই দাবির সত্যতা কতটুকু? নথিপত্র ও অনুসন্ধানে কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে?
জালিয়াতির পেছনের গল্প: যেভাবে লোপাট হলো ৫০০ কোটি টাকা
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিপিসি এবং তার অধীনস্থ তিন তেল কোম্পানি—পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) হিসেবে জমা রাখে। দ্বৈত হিসাবের কারসাজি: সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকগুলো ৬% থেকে ৯% হারে সুদ বা মুনাফা দিলেও, বিপিসির হিসাব শাখায় কৌশলে তা মাত্র ৪% থেকে ৪.৫০% দেখানো হতো। ২.২৫% সুদের ব্যবধান: প্রতি ক্ষেত্রেই সুদের হারের এই সুনির্দিষ্ট ২.২৫% ব্যবধান তৈরি করে গত ৩টি অর্থবছরে (২০২২-২৩ থেকে ২০২৪-২৫) অন্তত ৫০০ কোটি টাকার বেশি রাষ্ট্রীয় অর্থ সরাসরি পকেটস্থ করেছে একটি চক্র।
জালিয়াতি ঢাকতে ‘নথি গায়েবের’ মরিয়া চেষ্টা
দুর্নীতি দমন কমিশন ([দুদক]এই বিপুল অর্থ লোপাটের ঘটনায় যখন হিসাব বিভাগের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা—মহাব্যবস্থাপক মনিলাল দাস এবং ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক এ টি এম সেলিমের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে, তখনই ঘটে আরেক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দুদক তাদের ব্যক্তিগত ও নিয়োগের মূল ফাইল তলব করার আগেই বিপিসি কার্যালয় থেকে সেই গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সম্পূর্ণ গায়েব হয়ে যায়। ফাইল খুঁজে না পাওয়ার বিষয়টি বিপিসি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই দুদককে লিখিতভাবে জানিয়েছে।
১০০ কোটির ঘুষের দাবি: সত্য নাকি গুজব?
বর্তমান চেয়ারম্যানের ছবি সংবলিত পোস্টারে যে ১০০ কোটি টাকা ঘুষের দাবি করা হচ্ছে।
দুদক বা সরকারি কোনো অডিট দল এখন পর্যন্ত বর্তমান চেয়ারম্যানের এই ঘুষ লেনদেনের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়নি। পদ্ধতিগত লুটপাট: সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার পুরো জালিয়াতিটি মূলত হিসাব বিভাগ, ট্রেজারি সেল এবং ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তাদের একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইল গায়েব হওয়ার ঘটনা এবং অডিট আপত্তি ধামাচাপা দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা থেকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ‘১০০ কোটি টাকার ঘুষের’ দাবিটি ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ:
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সহ দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বছরের পর বছর অডিট আপত্তি জমা পড়ে থাকা সত্ত্বেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় অপরাধীরা এই দুঃসাহস পেয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থের এই ‘হরিলুট’ বন্ধে এবং সত্য উন্মোচনে সব এফডিআর হিসাবের জরুরি ফরেনসিক অডিট এবং একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবি।
বিপিসির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান একেবারেই কোনো ব্যবস্থা নেননি বিপিসি'র ও বিপিসি'র অধীনস্থ কোম্পানি গুলো তে দুর্নীতির মূল হোতা বা সিন্ডিকেটের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা বা বরখাস্তের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিপিসিতে সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার জালিয়াতি: ধামাচাপা দিতে ‘১০০ কোটির ঘুষ’ দিয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যান।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited