শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩:৩৩ পিএম, ২০২৬-০৪-০৭
টানা পাঁচ আমন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম অঞ্চলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান-চাল সংগ্রহ করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের কাছে বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ অর্থবছরে ধান, সিদ্ধ ও আতপ চাল মিলিয়ে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫৩ টন। মৌসুম শেষে সংগ্রহ হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ২৯১ টন, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।
আগের পাঁচ মৌসুমে যেখানে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি, সেখানে এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়াকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন কর্মকর্তারা। সরকার নির্ধারিত দামের কারণে কৃষকদের অংশগ্রহণ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি ধানের দাম ৩৪ টাকা, সিদ্ধ চাল ৫০ টাকা এবং আতপ চাল ৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আগের বছরের তুলনায় ধান ও চালে দাম বাড়ানোয় কৃষকেরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহী হয়েছেন।
সরকার গত বছরের ২০ নভেম্বর থেকে এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে। চট্টগ্রাম বিভাগের ৯টি জেলায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়। শুরুতে লক্ষ্যমাত্রা কম থাকলেও পরে তা বাড়ানো হয় উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে।
খাতভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ধান সংগ্রহে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। ৬ হাজার ৬৩৭ টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সংগ্রহ হয়েছে ২১ হাজার ৫১১ টন, যা ৩২৪ শতাংশ। তবে সিদ্ধ ও আতপ চালের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় পূরণ হয়েছে। সিদ্ধ চাল সংগ্রহ হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৪৩ টন এবং আতপ চাল ৩৫ হাজার ৩৩৭ টন।
পরিসংখ্যান বলছে, আগের পাঁচ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছিল খাদ্য অধিদপ্তর। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে সংগ্রহের হার ছিল ৫০ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ৫৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, ২০২২–২৩ অর্থবছরে ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ, ২০২১–২২ অর্থবছরে ৬৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং ২০২০–২১ অর্থবছরে মাত্র ৫ দশমিক ৯ শতাংশ।
কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ধান-চালের মান উত্তরাঞ্চলের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন হলেও নতুন জাত ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎপাদন পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। তবে জমির মান, আবহাওয়া ও লবণাক্ততার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মানসম্মত উৎপাদন বাড়াতে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জি. এম. ফারুক হোসেন পাটওয়ারী বলেন, চলতি মৌসুমে উৎপাদন ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান-চাল সংগ্রহ সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত দাম বাজারদরের কাছাকাছি থাকায় কৃষকরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎপাদন বাড়লেও আগের বছরগুলোতে কৃষকদের সরকারি সংগ্রহ ব্যবস্থায় যুক্ত করা কঠিন ছিল। তবে এবার ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় সেই চিত্র বদলেছে। এই ধারা ধরে রাখতে হলে সংগ্রহ প্রক্রিয়া সহজ করা, দ্রুত অর্থ পরিশোধ এবং স্থানীয় মিলমালিকদের আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited