শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৬:৫৪ পিএম, ২০২৬-০৮-৩০
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনসহ উন্নয়ন কাজে সরকারের পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টর ও এনজিও অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে বন্যা আক্রান্ত জনসাধারণের সুবিধা গ্রহণের মাত্রা আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।
মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এইচএসবিসি ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এবং এনজিও সংস্থা ব্র্যাক কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহের পুনর্বাসন সহায়তা প্রকল্প’ এর উদ্বোধন ও প্রকল্প পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এর সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মধ্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রামের পরিচালক শরৎকুমার চৌধুরী, এইচএসবিসি ব্যাংক বাংলাদেশের সিইও মো. মাহবুবুর রহমান বক্তৃতা করেন।
সভায় জানানো হয়- চট্টগ্রাম অঞ্চলে জুলাই মাসের আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহের নিরাপদ আবাসন, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি, জীবিকা, কৃষি এবং শিক্ষা খাত পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে তাদের প্রাথমিক পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। প্রকল্পের আওতায় জেলার বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলা, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা এবং নগরীর ৩৮ নং ওয়ার্ডে ব্র্যাক পুনর্বাসনের কাজ করবে। প্রকল্পের মাধ্যমে এসব এলাকার ৪০০টি পরিবারকে নতুন ল্যাট্রিন নির্মাণে সহায়তা, ৩০টি টিউবওয়েল মেরামত ও পুণনির্মাণ, ৩০০টি পরিবারকে জীবিকা পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পদ ও উপকরণ সহায়তা প্রদান, ২৫০টি পরিবারকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামত ও পুণনির্মানে সহায়তা প্রদান, ৬০০টি পরিবারকে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য কৃষি উপকরণ সহায়তা এবং অ্যাডাপটেশন ক্লিনিকের মাধ্যমে কারিগরি পরামর্শ সেবা প্রদান, ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় মেরামত ও পুণনির্মাণ, ১০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, কমিউিনিটি স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স কমিটির সদস্যদের নিয়ে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক ৩০০টি সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে জলাবদ্ধতা ও ভূমিধস বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হবে। সাত মাস মেয়াদী এ প্রকল্পে এইচএসবিসি ১০ কোটি টাকার যোগান দেবে।
অর্থমন্ত্রী সরকারের পাশাপাশি ব্যাংকসহ বেসরকারি সেক্টর বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন কাজে এগিয়ে আসায় তাদের ধন্যবাদ দেন। তিনি বলেন অতীতে সরকার, প্রাইভেট সেক্টর ও এনজিও সংস্থার কাজে সমন্বয় ছিলো না। কিন্তু বর্তমান সরকার এসব পক্ষের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে নিবিড়ভাবে কাজ করছে, তাদের উৎসহা ও সহায়তা দিচ্ছে। ফলে দুর্নীতি হ্রাসসহ কাজ দ্রুত ও সঠিক হচ্ছে। তিনি ফ্যামেলি কার্ডের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ আমরা কোন অনিয়ম বরদাস্ত করিনি, কোন রাজনীতি বা দলীয় পরিচয় খুঁজিনি। প্রকৃত হকদারদের মধ্যে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে। তিনি বলেন, কমিউনিটি পর্যায়ে যাদের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা বেশি আছে তারা এগিয়ে এলে দূর্নীতি কমার পাশাপাশি পুনর্বাসন কাজ অনেক সহজ হয়। তাই অন্য সংস্থাগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বন্যা পরবর্তী ত্রাণ সহায়তাসহ সবকাজে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রুীয়ভাবে সবকিছু সমন্বয় ওতদারকি করা হয়েছে। ফলে এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাৎক্ষণিক সহায়তা পেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস ফিরে পেয়েছে। পুনর্বাসন কাজের সুবিধার্থে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করার জন্য ব্র্যাককে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসন সবসময় সহায়তা দেবে।
আমাদের ডেস্ক : : কাজী সরোয়ার খান মনজু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি আজ ৪৮ বছরে পদার্পণ করছে। ১৯৭৮ সালের ১ সে...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মুহাম্মদ কিফায়তুল্লাহ শফীক : ১. অবতরণিকা : সময়ের মহাপ্রবাহে কত নাম উচ্চারিত হয়, কত নামই বা কালের ন...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেছেন, সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্র...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ নয়, তাঁর সাহিত্য, দর...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাণিজ্য,শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের প্রতি...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি (বিএনএসবি), চট্টগ্রাম চ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited