শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ১০:২৭ পিএম, ২০২৫-০৮-০৩
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের চকবাজার থানার আওতাধীন ফুলতলার মোড়, ঘাষিয়ার পাড়া ও কে.বি. আমান আলী রোড—এক সময়ের শান্ত আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা এখন কিশোর গ্যাং, মাদক, জুয়া ও চাঁদাবাজ চক্রের অভয়ারণ্যে রূপ নিয়েছে।
ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় প্রতিদিন স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, ব্যাংক, সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্সধারী অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক বাসিন্দারা সরকারি রাজস্ব প্রদান করেও এখন সন্ত্রাসী চক্রের কাছে জিম্মি।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, একাধিক কিশোর গ্যাং দল ও অসাধু পুলিশের সোর্সের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে অবৈধ আয়ের একাধিক উৎস—ফুটপাত দখল, ভাসমান ভ্যানগাড়ি থেকে চাঁদা, অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, প্রকাশ্যে জুয়ার বোর্ড, চোলাই মদ বিক্রি, ইয়াবার চালান স্থানান্তর থেকে শুরু করে ভয়ঙ্কর সব কর্মকাণ্ড।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, চকবাজার ও বাকলিয়া থানার সীমান্তবর্তী এই এলাকাগুলোতে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার ভাগ সরাসরি চলে যাচ্ছে কিছু প্রভাবশালী ও দায়িত্বশীল পদে থাকা অসাধু চক্রের পকেটে। এদের নেপথ্যে রয়েছে কথিত ‘অদৃশ্য শক্তি’, যার কারণে মামলা হলেও অপরাধীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বারবার।
অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি দেখেও কার্যত ‘না দেখার’ ভান করছে। মাননীয় সিটি মেয়রের কড়া নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ও ফুটপাথ দখলদারদের উচ্ছেদে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয় একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই অপরাধীদের সৃষ্টি যানজট আর মৃত্যু ফাঁদ পেরিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। এমনকি জরুরি রোগীবাহী অ্যাম্বুল্যান্সও রাস্তায় আটকে পড়ে অবৈধ রিকশা ও ভ্যানের দৌরাত্ম্যে। অপরদিকে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলেও হামলার শিকার হচ্ছেন বারবার।
ভুক্তভোগী দোকানদার ও ব্যবসায়ী মহল মনে করেন, যতদিন ফুটপাত দখলদার ভ্যানগাড়ি, অটোরিকশা ও জুয়ার বোর্ড থাকবে, ততদিন মাদক ও চাঁদাবাজ চক্রের অবৈধ অর্থের জোগান বন্ধ হবে না—ফলে কিশোর গ্যাংও নির্মূল হবে না।
তাদের প্রশ্ন—“একটি সভ্য দেশে সরকারি কর প্রদানকারীরা এভাবে প্রতিদিন কিশোর গ্যাংয়ের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে কেন?”
অবিলম্বে ফুলতলার মোড়, ঘাষিয়ার পাড়া ও কে.বি. আমান আলী রোড এলাকায় অবৈধ ভ্যানগাড়ি ও অটোরিকশা উচ্ছেদ, কিশোর গ্যাং দমন ও মাদক-জুয়া-চাঁদাবাজি চক্রের মূলহোতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন রাজস্ব প্রদানকারী স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পরিবারগুলো।
তাদের দাবি, “এই দুর্বৃত্ত চক্র বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় মানুষের প্রশাসনের ওপর আস্থা উঠে যাবে, আর এই এলাকা হবে চট্টগ্রাম শহরের অপরাধের ‘সেফ জোন’।’’
অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকাবাসী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, ডিবি ও র্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়ককে ব্যবহার করে অবৈধ সিগারেট পাচারের একটি চালান আটকের পর নতুন করে সামনে এসেছà§...বিস্তারিত
চকরিয়া প্রতিনিধি : : কক্সবাজারের চকরিয়ায় কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসান অপহরণ ও হতà...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ডিম পাহাড়সংলগ্ন থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকায় গভীর রাতে নির্মাণকাà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফেরার পথে ‘দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম’-এর সহ-সম্পাদক ও স...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দাঙ্গা ও দস্যুতা সংগঠনের অভিযোগে একাধিক মামলার আসà...বিস্তারিত
আনোয়ারা, প্রতিনিধি :: : চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নে মো. আইয়ুব আলী (৩৭) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited