শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫:১৯ পিএম, ২০২৬-১০-২২
সাইবার অপরাধ তদন্তে ডিজিটাল আলামত পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের জন্য চট্টগ্রামে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধন করা হলেও এর কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি। ফরেনসিক ইউনিটে নয়জন কর্মকর্তা যোগ দিয়ে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছেন।
তবে সাইবার ইউনিটের জনবল নিয়োগ ও পদায়ন প্রক্রিয়া এখনও চলছে।
গত ১৪ অক্টোবর নগরের খুলশী থানাধীন দামপাড়া পুলিশ লাইনের ভেতরে সিআইডি কার্যালয়ের পাশে সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধন করা হয়।
এর ফলে সাইবার অপরাধ তদন্তে ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণের জন্য ঢাকার ওপর নির্ভরতা কমার আশা করা হচ্ছিল। সাইবার অপরাধ তদন্তে মুঠোফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, হার্ডডিস্ক ও মেমোরি কার্ডের মতো যন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হয়।
এসব যন্ত্রে থাকা তথ্য বিশ্লেষণ করে অপরাধের ধরন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগ এবং ঘটনার ধারাবাহিকতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। মুছে ফেলা তথ্যও বিশেষায়িত প্রযুক্তির সাহায্যে উদ্ধার করা সম্ভব হতে পারে।
এতদিন এসব আলামত পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রামের তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঢাকার ওপর নির্ভর করতে হতো।
চট্টগ্রামে স্থাপিত চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফরেনসিক রিসেপশন, মোবাইল ফরেনসিক ল্যাব ও প্রি-ট্রিটমেন্ট ল্যাব রয়েছে। এসব সুবিধা কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল আলামত গ্রহণ, পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু না হওয়ায় এর সব সক্ষমতা এখনো কাজে লাগানো যাচ্ছে না। গত সেপ্টেম্বরে নগরের খুলশী এলাকার একটি আটতলা ভবন থেকে ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মুঠোফোন ও ল্যাপটপসহ ১৭০টি ডিভাইস জব্দ করা হয়েছিল। সাইবার সুরক্ষা আইনে করা ওই মামলায় ডিভাইসগুলো পরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য জানার প্রয়োজন রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে ১ হাজার ১১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৯৬৭টি বিচারাধীন। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাইবার আইনে ৫০টি মামলা হয়েছে।
সাইবার পুলিশ সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের আটটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে দ্রুত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে। সাইবার অপরাধ শনাক্ত ও দমনে এসব ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিআইডি চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি। ফরেনসিক ইউনিটের নয়জন কর্মকর্তা যোগ দিয়েছেন এবং তারা প্রাথমিকভাবে কাজ করছেন। তবে সাইবার ইউনিটের জনবল নিয়োগ ও পদায়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে বলে আশা করছি। বর্তমানে যেসব কাজ আসছে, সেগুলো ঢাকার সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্পন্ন করা হচ্ছে। জনবল ও প্রয়োজনীয় সেটআপ পুরোপুরি প্রস্তুত হলে চট্টগ্রামে পূর্ণাঙ্গভাবে সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী অভà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) বিদ্যমান অচলাবস্থা নিরসন ও শ্রেণিকক্ষভà¦...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে মুখর মন্ডপে পাঁচ দিনের উৎসবের শেষলগ্নে এসে দাঁড়িয়েছেন সনাতন...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরের ডবলমুলিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় একটি ট্রাকের পাটাতনের নিচে বিশেষ কৌশলে তৈরি গোপন চেম্বার থ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited