শিরোনাম
লামা প্রতিনিধি : | ০৮:৫৭ পিএম, ২০২৬-০৮-০৪
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে চরম মানবিক বিপর্যয় ও জালিয়াতির এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও চরম দারিদ্র্যের শিকার দুই অসহায় বোনের প্রায় পাঁচ একর পৈতৃক সম্পত্তি একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে কথিত জাল ওয়ারিশ সনদ ও জালিয়াতির মাধ্যমে জবরদখল করে অবৈধ ইটভাটা চালুর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী দুই বোন মদিনা বেগম (৫০) ও জরিনা বেগম (৪৭)—যাঁরা মৃত আবদু ছালামের কন্যা এবং ফাইতং ইউনিয়নের ফাদুরছড়া এলাকার বাসিন্দা—বর্তমানে এই সর্বনাশের ফলে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পৈতৃক সম্পত্তি হারানোর পর বর্তমানে তারা ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
জমির বিবরণ ও জালিয়াতির চিত্র
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, ৩০৬ নম্বর ফাইতং মৌজার আর/৩৩০ নম্বর হোল্ডিংভুক্ত প্রায় ৫ একর পৈতৃক জমি মৃত আবদু ছালামের নামে রেকর্ডভুক্ত ছিল। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত উত্তরাধিকারীদের সম্পূর্ণ অজ্ঞাতে ও সম্মতি ছাড়া একটি প্রভাবশালী চক্র ভুয়া ওয়ারিশ সনদ এবং অন্যান্য জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ওই জমির অংশ নিজেদের নামে নামজারি ও দলিল সম্পাদন করে নেয়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, মিস কেস নং-৩১৬/ডি/২০১৮-এর মাধ্যমে ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি প্রায় ২.৫০ একর জমির নামজারি সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ৮০৭/২০১৮ নম্বর দলিলের মাধ্যমে আরও প্রায় ২ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় এবং পুরো জমিতে 'মক্কা মদিনা ব্রিকস (এমএমবি)' নামক একটি অবৈধ ইটভাটা স্থাপন করে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত হিসেবে গিয়াস উদ্দিন, রুহুল আমিন, মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, ফরিদ আহমদ এবং মক্কা মদিনা ব্রিকস (এমএমবি)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনি লড়াইয়ে অক্ষমতা ও ভুক্তভোগীদের আকুতি
ভুক্তভোগী দুই বোন জানান, তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট মৌজা হেডম্যানের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো প্রতিকার পাননি। সেসময় তাদের আদালত ও প্রশাসনের মাধ্যমে আইনি লড়াইয়ের পরামর্শ দেওয়া হলেও, চরম অর্থনৈতিক সংকট এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তাদের পক্ষে মামলার খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তারা বাধ্য হয়ে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা
অসহায় দুই বোন তাদের পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার এবং জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, জেলা প্রশাসক, ভূমি মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং ভূমি জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধ দমনে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র ও ওয়ারিশ সনদ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
স্টাফ রিপোর্টার : : এস.এফ.এম.মোস্তাঈন বিল্লাহ: বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে শিক্...বিস্তারিত
লোহাগাড়া প্রতিনিধি : : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় একটি ফটোগ্রাফির দোকান থেকে প্রায় ৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার ক্যামেরা ও সরঞ্জাম চà§...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : উত্তর চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক জনপথ ও ঐতিহ্যবাহী নাজিরহাট বাজার। এখানকার মাংসের বাজà¦...বিস্তারিত
চন্দনাইশ প্রতিনিধি : : মোঃ সবুজ মৃধা, চন্দনাইশ : চট্টগ্রামে চন্দনাইশ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তারি প...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : হালদা নদীর দুই পাড়ে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত করেছেন গবেষকরা। এসব উদ্ভিদের মধ্যে ৫১৭টি ঔষà...বিস্তারিত
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মিনি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সজিব উদ্দিন নামের এক যুবক নিহত হয়à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited