শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২:৫৫ পিএম, ২০২৬-০২-২২
রমজানের শুরুতেই কলার দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে কলা। রমজানের আগে যে কলার হালি বিক্রি হতো ২০ টাকা আর রমজান শুরুর সাথে সাথেই ওই কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা।
তারা বলছেন, রোজা শুরু আগ থেকেই কলার সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে করে ক্রেতারা কম দামের কলা বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে। গুদামে কলা রেখে চাহিদার তুলনায় সংকট দেখানো হচ্ছে। এতে আমরা সাধারণ ক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়েছি।
বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে এসব পণ্যের দাম ব্যবসায়িরা নিজের ইচ্ছেমতো বাড়াচ্ছে- এমন অভিযোগও ক্রেতাদের।
নগরের বহদ্দারহাটে কলা কিনতে এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী মুকিম উদ্দিন মহন। তিনি বলেন, আমার পরিবারে দুধ-কলা ছাড়া চলে না। বাসায় বৃদ্ধ দাদা দাদি থাকে।
এজন্য অন্যকিছু বাদ দিয়ে হলেও কলা নিতে হয়। পরিতাপের বিষয় হলো, যে কলা সবসময় হালি ২০-৩০ টাকায় নিয়েছি, সেই একই কলা ৬০-৭০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।
জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরে রমজানের পূর্বে মালভোগ কলা হালি বিক্রি হয়েছে নিম্নে ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা দরে। কিন্তু প্রথম রোজায় ওই কলার দাম উঠেছে ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা হালি। চিনি চম্পা কলা হালি ছিলো ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা।
তবে তরকারির জন্য কাচকলা বিক্রি হতো হালি ২০ টাকা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা।
শুধু কলার দামই নয় বেড়েছে আপেল, কমলা, তরমুজ, আনার, নাশপাতি, মালটাসহ প্রায় সবরকম ফলের দাম।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে আপেল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪৪০ টাকায়। কমলা ৩৫০ টাকা, আনার ৫৬০ থেকে ৬০০ টাকা, নাশপাতি ৪৪০ টাকা, মালটা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, খেজুর ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আঙ্গুর বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। ছোট আনারস প্রতি পিস ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরই প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, পেঁপে ১৫০ টাকা ও পেয়ারা ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ফল ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আড়ত থেকেই দাম নির্ধারণ হয়। সেখানে দাম বেশি রাখার কারণে আমাদের বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রায় প্রতিটি ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। আমাদের এখানে করার কিছু নাই। বেশি দামে কিনলে আমরা তো কম দামে বিক্রি করতে পারি না’।
নগরের চকবাজারে ফল কিনতে আসা রুখন উদ্দিন বলেন, রমজানের আগে থেকেই দাম বাড়ার খবর শুনছিলাম, এখন সেটাই কার্যকর। আমাদের মতো সাধারণ ভোক্তারা বিপাকে পড়ে যায়। রমজানে যেখানে পণ্যের দাম কমে যাওয়ার কথা সেখানে অধিক লাভের আশায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। এখানে প্রশাসনের নজরদারি জরুরি। ম্যাজিস্ট্রেট আসেন, জরিমানা করে চলে যান। এরপর তদারকি নেই।
বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. সেলিম বলেন, নিম্ন আয়ের নাগালের বাইরে ফলের দাম। ইফতারির সময় তারা ফল খেতে চাইলেও পারবে না। এটা তো তাদের জন্য কষ্টের। সকালে জরিমানা করে বিকালে আগের অবস্থায়। মনিটরিং বলতে কিছুই নেই।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited