শিরোনাম
আবদুল্লাহ মজুমদার : | ০৮:০৬ পিএম, ২০২৬-০৮-২৩
ভুল চিকিৎসার অভিযোগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সাংবাদিক আহমদ আলী চৌধুরী। চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ঢাকায় নিয়ে একই স্থানে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রথম অস্ত্রোপচারের সময় তাঁর একটি রক্তনালি কেটে যায়। তবে বিষয়টি প্রথম অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক পরিবারকে জানাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকার কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচারের সময় ওই রক্তনালি কেটে যাওয়ার বিষয়টি শনাক্ত হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
জানা গেছে, এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রামের একজন চিকিৎসকের মাধ্যমে রয়েল হাসপাতালে আহমদ আলী চৌধুরীর প্রথম অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পরদিনই তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এরপর ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
পরিবারের অভিযোগ, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পর প্রথম অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসকের কাছে একাধিকবার গিয়ে সমস্যার কারণ জানতে চাওয়া হলেও বিষয়টি তাঁদের জানানো হয়নি। চট্টগ্রামের আরও কয়েকজন চিকিৎসকের কাছ থেকেও প্রথম অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছিল বলে পরিবারের দাবি।
পরবর্তীতে অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় দুই দিন আগে আহমদ আলী চৌধুরীকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আগের অস্ত্রোপচারের স্থানে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরিবারের দাবি, এ সময় আগের অস্ত্রোপচারের সময় রক্তনালি কেটে যাওয়ার বিষয়টি শনাক্ত হয়।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ঢাকায় তাঁর দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য আইসিইউতে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলে আগামীকাল তাঁকে কেবিন বা সাধারণ শয্যায় স্থানান্তর করা হতে পারে।
এ ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলা বা ভুল চিকিৎসার অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি, অস্ত্রোপচারের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার একজন শিক্ষক ১৬ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন। কোনো পদোন্নতির জন্য নয়, বিশেষ কোনো সুবà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা &ls...বিস্তারিত
মুনীর চৌধুরী : : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) এখনও কাটেনি অচলাবস্থা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টো...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : নগরের কোতোয়ালী থানায় দায়ের হওয়া চাঁদাবাজি ও ছিনতাই মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি মো.হৃদয়কে (২৭)...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও সংবেদনশীল স্থাপনার ছবি ও ভিডিও ধারণের পাশাপাশি গণমাধ্যমে বন্দরের &...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : সদ্য বিদায়ী উপাচার্যকে (ভিসি) পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited