চট্টগ্রাম   শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬  

শিরোনাম

কাল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

সরকারের নানা কর্মসূচি

আমাদের ডেস্ক :    |    ০৭:১৩ পিএম, ২০২৬-১১-০৬

কাল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

নতুন এক দেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পরপরই এই নবীন দেশে চেপে বসে একদলীয় বাকশালি শাসনের অভিশাপ। দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে মৃত্যুর মুখে পতিত হয় হাজারো মানুষ। সঙ্গে ছিল রক্ষীবাহিনীর সন্ত্রাস ও নির্মম নির্যাতন।
সদ্য স্বাধীন দেশে মানুষ দুঃশাসন ও দুর্ভিক্ষে দিশেহারা। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রায় স্থবির। এর সঙ্গে যুক্ত হয় জাসদের সহিংস রাজনীতি। রাজনীতির এই ক্রান্তিকালে দেশের অস্তিত্ব পড়ে হুমকির মুখে। চারদিকে হতাশা, ভয়, আতংক; তখনই ১৯৭৫ সালের নানা ঘটনার পরিক্রমায় সামনে চলে আসে ৭ নভেম্বর।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব বিশাল। নির্দিষ্ট কোনো সময়ের মাপকাঠিতে ৭ নভেম্বরকে বিবেচনা করা যাবে না। দেশের রাজনীতিতে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী। বাংলাদেশ আজকে যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে তা ৭ নভেম্বর সংঘটিত হয়েছিল বলেই সম্ভব হয়েছে।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সারাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। ওই দিনই বাংলাদেশ তার নিজের চলার পথ খোঁজে নেয়। ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যা শুরু হয়েছিল তার পরিসমাপ্তি ঘটে ৭ নভেম্বর।
৩ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ঘটনা প্রবাহের মূল চরিত্র তিনজন। সামরিক কর্মকর্তা ক্ষণস্থায়ী সেনা প্রধান খালেদ মোশাররফ, জাসদ নেতা কর্নেল আবু তাহের ও তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। কিন্তু ৭ নভেম্বর এসে সিপাহী ও জনতার সমর্থনে জিয়াউর রহমানই মূল নায়ক। ষড়যন্ত্রের দায় নিয়ে ছিটকে গেলেন খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল তাহের।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে জাতি যখন নানা ধারার বিভাজিত তখনই জাতি গঠনে ঐক্যের ডাক নিয়ে রাজনীতির মঞ্চে হাজির হন জিয়াউর রহমান।

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান আগে থেকে প্রবলভাবে জনপ্রিয় ছিলেন জনসাধারণের মাঝে। খালেদ মোশাররফ ও আবু তাহের টিকতে পারেননি রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাবে। ওই সময় দেশের মানুষের চাহিদার সঙ্গে তারা তাল মিলাতে পারেননি।

স্বাধীনতার ঘোষক হিসাবে জিয়াউর রহমানের প্রতি মানুষের আস্থা ছিল। বিপরীতে মানুষ দেখেছে আওয়ামী লীগ ও জাসদের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি। একদিকে আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার সংকুচিত করেছিল। আর বিপরীতে জাসদ জ্বালাও-পোড়াওয়ের রাজনীতি শুরু করেছিল।

ওই সময়ের ঘটনা প্রবাহ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় যে, জাসদের এককভাবে অভ্যুত্থান সংগঠিত করার ক্ষমতা ছিল না। ফলে জাসদ বা কর্নেল তাহের জিয়াউর রহমানের ওপর ভর করে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু ঘটনা প্রবাহের শেষ অঙ্কে জিয়াউর রহমানকে সামনে নিয়ে আসে সিপাহী জনতা। এক পর্যায়ে সব কিছুই জিয়াউর রহমানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। জিয়াউর রহমানের গ্রহণযোগ্যতার কাছে কর্নেল তাহের আর টিকতে পারেননি। ৭ নভেম্বরের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে জাসদের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।

এরপরই জিয়াউর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজ শুরু করনে। প্রথমেই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে নজর দেন। বাকশালের কেন্দ্রীভূত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত উদার বাজার ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যান। অর্থনীতির দুয়ার তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজ করে দেন। কিন্তু একই সঙ্গে রাষ্ট্রের নজরদারিও বজায় রইল।

জিয়াউর রহমানের আমলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো নতুনভাবে কাজ শুরু করার সুযোগ পায়। এই সংস্থাগুলোর মাধ্যমে দেশে বিপুল পরিমানে উন্নয়ন সহযোগিতার অর্থ প্রবেশ করে। এই অর্থ দেশে বিনিয়োগের ফলে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে থাকে এনজিওগুলোতে। ক্ষুদ্র ঋণের বিকাশ জিয়াউর রহমানের আমলেই ঘটেছিল।

এসব নানা ধরনের কর্মসূচির পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি জিয়াউর রহমান বিদেশি বিনিয়োগ বিশেষ করে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে জিয়াউর রহমান রাজনীতিকেও সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। জিয়াউর রহমানের আমলেই বাকশালে বিলুপ্ত হওয়া আওয়ামী লীগ নিজ নামে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ পায়।

একই সঙ্গে অন্যান্য দলের সঙ্গে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতে ইসলামীও রাজনীতি ফেরা শুরু করে। জিয়াউর রহমান যুদ্ধত্তোরকালে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই জাতি গঠন করতে চেয়েছিলেন। তিনি রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দেশের কল্যাণে সবাইকে নিয়োজিত করতে চেয়েছিলেন।

দেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৭ নভেম্বর তাই এক ঐক্যের প্রতীক। আর সেই ঐক্যের মহানায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান যখন রাজনীতির মঞ্চে আসেন তখন সারাবিশ্বেই রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। দেশে-দেশে সামরিক অভ্যুত্থান হচ্ছে। সামারিক শাসকরা দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ক্ষমতা দখল করছেন।

ব্রাজিলে এক দশকের সামরিক শাসন চলছে। চিলিতে সালভাদর আয়েন্দেকে হটিয়ে পিনোশে ক্ষমতা দখল করেছেন। আর্জেন্টিাতেও হোর্হে ভিদালের সামরিক শাসন শুরু হয়েছে। ওদিকে আফ্রিকায় লিবিয়া, মিসর কঠোর সামরিক শাসকদের হাতে পরিচালিত হচ্ছে। আরবেও সামরিক শাসনের ঘনঘটা। সিরিয়া ও ইরাকে লৌহমানবরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন।

এমন এক বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সামরিক বাহিনী থেকে শাসন ক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমান নিজেকে আলাদা করে নিলেন। অস্থিরতা দমন করে, পরিস্থিতি সামলে নিয়ে দ্রুতই দেশকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে গেলেন। স্বাধীনতার পর প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল।

জিয়াউর রহমান একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমনের মুখে হতবিহ্বল জাতিকে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছেন। সেই সাহসের ওপর ভর করেই জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বর দেশের নেতৃত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন।
ফলে দেখাই যাচ্ছে, স্বাধীন ও স্বনির্ভর দেশ গঠনের প্রকৃত সূচনা হয়েছিল ৭ নভেম্বর বিপ্লবের হাত ধরে। ১৯৭১ সালের পর সারা দেশের মানুষ আবার ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল ৭ নভেম্বর।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা কর্মসূচি
আগামীকাল ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় এই কর্মসূচিগুলো সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতির উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী প্রদান করবেন।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা কর্মসূচি
বিএনপির শোভাযাত্রা শনিবার, নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান
দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি পালিত হবে এবং দেশের সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে দেশের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা দ্বারা সুসজ্জিত করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব মসজিদে মিলাদ-মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়সমূহে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধনী কেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় দেশের সব শিশু পার্ক শিশুদের জন্য দিনব্যাপী বিনা টিকিটে উন্মুক্ত থাকবে। নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।
এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।
পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার এবং সিনেমা হল ও ভ্যানযোগে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করা হবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশাত্মবোধক গানের আসর, সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা এবং জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে বিশেষ স্মারক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশ ক্যাডেট কোরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে প্রদর্শিত হবে।
এছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, এনটিএমসি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদর দপ্তরসমূহে মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবারের আয়োজন করা হবে।

রিটেলেড নিউজ

দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে -ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী 

দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে -ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী 

খবর বিজ্ঞপ্তি : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, সাংবà...বিস্তারিত


চমেকের ন্যায্যমূল্যের দোকানে ওষুধের বাড়তি দাম!

চমেকের ন্যায্যমূল্যের দোকানে ওষুধের বাড়তি দাম!

আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিচতলায় ন্যায্যমূল্যের নামে পরিচালিত ওষুধের দোকানে অতিà...বিস্তারিত


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের বৈঠক : চট্টগ্রাম বে টার্মিনালে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে সিঙ্গাপুর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের বৈঠক : চট্টগ্রাম বে টার্মিনালে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে সিঙ্গাপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরà§...বিস্তারিত


মিরপুরে বিক্ষোভে দুষ্কৃতকারীদের সংশ্লিষ্টতা, কঠোর হুঁশিয়ারি পুলিশের

মিরপুরে বিক্ষোভে দুষ্কৃতকারীদের সংশ্লিষ্টতা, কঠোর হুঁশিয়ারি পুলিশের

ঢাকা অফিস : : রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে ‘বিশেষ উদ্দেশ্য’ রয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। আন্দো...বিস্তারিত


৮০ লাখ দাবি, ১ লাখ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে আটক সার্ভেয়ার

৮০ লাখ দাবি, ১ লাখ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে আটক সার্ভেয়ার

ঢাকা অফিস : : দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা নির্ধারণ না করা এবং পরে জমির সীমানা নির্ধারণ ও নামজারি সম্পন্ন করে দেওয়à...বিস্তারিত


শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা

ঢাকা অফিস : : শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে আছেন, ততদিন বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলবে বলে মন্তব্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ​সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা নà¦...বিস্তারিত


নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর