শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৩:৪২ পিএম, ২০২০-০৮-১৮
গাদ জ্বালানি তেল রিফাইন করার সুযোগে একই গাড়িতে করে চোরাইপথে বের হচ্ছে পদ্মা অয়েল কোম্পানির জ্বালানি তেল। দেশের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েলের অসৎ কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মাধ্যমেই লোপাট হচ্ছে এসব তেল।
জানা গেছে, গ্যাসের সহজাত কনডেনসেট বা গাদ জ্বালানি সরবরাহের আড়ালে প্রতিটি তেলের ভাউচারের ভেতরে সুকৌশলে প্রতিদিন চুরি হচ্ছে প্রায় ২-৩ টন তেল। প্রতিদিন এই গাদ নিয়ে পদ্মার ভেতরে ঢোকে ১০-১২টি তেলের ভাউচার। সপ্তাহে দুই দিন করে একমাসে গাদ জ্বালানি সরবরাহ করছে ৮-১০ বার। সেখানে প্রতি একমাসে তেল চুরি হচ্ছে ২৪০ টন। যার বর্তমান বাজারমূল্য এক কোটি ৩২ লাখ টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের তেল চেকার দীপক ও টার্মিনাল ম্যানেজার মাহাবুব, কর্মচারী কামালসহ কিছু নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের তেলের ভাউচার চালকরা তেল চুরির সঙ্গে জড়িত। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ট্যাংক-লরি মালিক সমিতির সভাপতি বাদশা মিয়াও এ তেল চুরির সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র বলছে, পদ্মা অয়েল কোম্পানির কাছে চুক্তিভিত্তিতে সপ্তাহে দুদিন করে প্রতিমাসে ৮-১০ বার গাদ জ্বালানি সরবরাহ করে আসছে বেসরকারি কোম্পানি এলিট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপার রিফাইনারি লিমিটেড। মূলত ভাউচার চালকরাই এসব তেল চুরির সঙ্গে জড়িত রয়েছে।
জানা গেছে, প্রতিটি তেলের ভাউচারে সাড়ে ১৩ টন তেল ধারণ করা হয়। এসব ভাউচারের ভেতরে আলাদাভাবে তিনটি অংশ থাকে। প্রতিটি অংশে তেল ধারণ ক্ষমতা সাড়ে ৪ টন। সুপার রিফাইনারির চালকরা গাদ জ্বালানি সরবরাহ করার পর সেখান থেকে বের হওয়ার সময়ে ভাউচারের মধ্যাংশের ভেতরে তেল ভর্তি করে।
দেখা যায়, পদ্মা অয়েল থেকে চোরাইপথে বের করা এ তেল আগে থেকে চুক্তি করা তেলের দোকানদারদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার সিমেন্ট ক্রসিং ও বন্দর থানার মাইলের মাথা এলাকায় প্রকাশ্যে এসব তেল বিক্রি করে তেলের ভাউচার চালকরা।
এ বিষয়ে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের তেল চেকার দীপক বলেন, ‘তেল চুরির বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’ কিন্তু কথা বলার একপর্যায়ে বিষয়টি বারবার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। একপর্যায়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে মুঠোফোন সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের টার্মিনাল ম্যানেজার মাহাবুবকে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোন একাধিকবার কল করেও সাড়া মেলেনি।
অভিযোগের ব্যাপারে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ট্যাংক-লরি মালিক সমিতির সভাপতি বাদশা বলেন, ‘সুপার রিফাইনারির গাদ জ্বালানি সরবরাহে নিযুক্ত রয়েছে তেলের ভাউচার মালিক কর্তৃপক্ষ সমিতি। ভাউচার সবগুলো আমার একার না। সেখানে আরও অনেকের ভাউচার রয়েছে। এই মুহূর্তে আমি হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছি। পরে এ বিষয়ে কথা বলবো।’
পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের চট্টগ্রামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘তেল চুরির বিষয়টি এখন শুনলাম। এর আগে কেউ অভিযোগ করেনি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানালে ভাল হতো। তারপরও বিষয়ে খতিয়ে দেখছি।’
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited