শিরোনাম
আনোয়ারা, প্রতিনিধি :: | ০৮:৩৭ পিএম, ২০২৫-১০-১১
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় এক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে ভিন্ন দলের দুই প্রভাবশালী ব্যক্তিকে একই মঞ্চে দেখা যাওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মহিলা দলের আয়োজিত এক সমাবেশে এ ঘটনা ঘটে। সমাবেশে বিএনপি অঙ্গসংগঠন মহিলা দল ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন এবং নারীর মর্যাদা সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক কর্মসূচি আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এসময় মঞ্চে আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাংবাদিক পরিচয়ে পরিচিত চৌধুরী ফরিদকে দেখা যায়। তিনি বিএনপি নেতাদের সাথে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করলে উপস্থিত জনতা ও সাংবাদিকদের মধ্যে বিস্ময় ও আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, একজন সক্রিয় আওয়ামী লীগ উপদেষ্টার বিরোধী দলের কর্মসূচিতে সাংবাদিক পরিচয়ে উপস্থিতি দলীয় আদর্শ ও নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
একজন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “যে দলের পদে আছেন, সেই দলের অবস্থান বজায় রাখাই দায়িত্ব। প্রতিপক্ষের মঞ্চে উপস্থিতি রাজনৈতিক বিভ্রান্তি তৈরি করে।” এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তাদের মতে, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করা পেশার নিরপেক্ষতা নষ্ট করে।
আনোয়ারা প্রেসক্লাবের সভাপতি বলেন, “সাংবাদিকতা একটি নিরপেক্ষ পেশা। কেউ যদি একই সঙ্গে রাজনৈতিক পদে থেকে সাংবাদিক পরিচয়ে মাঠে থাকেন, তা গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর প্রশ্ন তোলে।” চৌধুরী ফরিদ দীর্ঘদিন ধরে আনোয়ারার রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তবে এ ঘটনার বিষয়ে চৌধুরী ফরিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিএনপি নেতা মীর হেলাল ও লায়ন হেলাল উদ্দিনও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চৌধুরী ফরিদের মঞ্চে উপস্থিতির ছবি ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন মন্তব্য ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, এটি কি রাজনৈতিক শৃঙ্খলাভঙ্গ, নাকি সাংবাদিকতার নামে পরিচয় বিভ্রান্তি।
রাজনৈতিক নেতারা জানান, আনোয়ারার এই ঘটনাটি কেবল দলীয় রাজনীতির সীমা নয়, সাংবাদিকতার নীতিশাস্ত্র নিয়েও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জনগণ এখন প্রশ্ন করছে—একই সঙ্গে দুই ভূমিকায় থাকা ব্যক্তির আসল অবস্থান কোথায়?
স্টাফ রিপোর্টার : : সিআইডির ওসি পরিচয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে তদন্তের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম নগরের চন্দনপুরা ভুইয়া গলিতে ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক এমপি ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযো...বিস্তারিত
কুতুবদিয়া প্রতিনিধি :: : কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘরে ঢুকে তপসি দাস (৪২) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্য...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটিতে এক নারীকে ধর্ষণ করে সেই ঘটনার স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ, পরবর্তীতে সেগুলো দেখিয়ে দীর্ঘদ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : ফেনীর ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী সীমান্তে ২৫ লক্ষ টাকার ৮২ কেজি গাঁজা সহ ভারতীয় পন্য জব্দ করেছে বর্ডার গা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited