শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৪:৩৪ পিএম, ২০২২-১০-০২
চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। এসব রোগীর অধিকাংশই মহানগর এলাকার বাসিন্দা। এদিকে ১০টি এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) বিশেষ প্রতিনিধি দল। সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৩৫ জন। বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৩ রোগি ভর্তি আছেন। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও মশার দাপট কমাতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এমন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে।
এদিকে করপোরেশনের কয়েকটি এলাকাকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের অন্যতম ‘হটস্পট’ বলছেন কারণ অনুসন্ধানে চট্টগ্রামে পরিদর্শনে আসা ঢাকার রোগতত্ত¡, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তারা অন্তত ১০টি এলাকাকে হটস্পট বলছেন। তবে চসিক মশার বিস্তার রোধ করতে কাগজে-কলমে কোটি টাকা খরচ করার কথা বললেও সংস্থাটির মশক নিধন কার্যক্রম দৃশ্যমান নয় বলে অভিযোগ বেশিরভাগ নগরবাসীর। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই আগ্রাবাদ, হালিশহর, সিডিএ, ডবলমুরিং, বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল, পাহাড়তলী, দেওয়ানহাট, বড়পোলসহ আরও কয়েকটি এলাকার বাসিন্দা। হঠাৎ রেকর্ডসংখ্যক ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ায় কারণ অনুসন্ধানে চট্টগ্রামে আসা আইইডিসিআরের বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি টিম এসব এলাকাকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির অন্যতম ‘হটস্পট’ বলছেন। তবে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার মধ্যে সাতকানিয়া, পটিয়া ও সীতাকুন্ডে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে চট্টগ্রামে মোট ৬১৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। সেপ্টেম্বরে তা আরও বেড়ে যায়। গত মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০ জন করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়।গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গেছে। চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫৮৫ জন।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, আগের তুলনায় চট্টগ্রামে অনেক বেশি বেড়েছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। হঠাৎ করেই ডেঙ্গুর এমন অস্বাভাবিক আচরণে আমরা চিন্তিত। তবে এতে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। মশার কামড় থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সচেতন হতে হবে। এডিস মশার জন্ম ঠেকাতে বাড়ির আশপাশ সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে আরও যতœবান হতে হবে ।
গত কিছুদিন ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষের দেহে ডেঙ্গুর অস্তিত্ব শনাক্ত হলেও এখনও সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম দৃশ্যমান নয় বলে অভিযোগ করেছেন নগরীর বাসিন্দারা। অথচ সিটি কর্পোরেশন ২০২১-২২ অর্থবছরে মশার ওষুধ কেনায় ব্যয় করেছে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। তাছাড়া চলতি অর্থবছরে মশা মারতে আরও ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আবুল হাশেম জানান, এরই মধ্যে যেসব এলাকায় এডিস মশার লার্ভা মিলেছে সেখানে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। মশক নিধনে স্প্রে ও ফগার মেশিন দিয়ে সব জায়গায় নিয়মিত কীটনাশক ছিটানো হচ্ছে। জনসাধারণকে সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একইসাথে ছাদবাগান ও নির্মাণাধীন বেশ কয়েকটি ভবনে জমাটবদ্ধ পানি অপসারণে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্পষ্ট করে বলতে চাই, এখানে কোনো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের আমরা স্পেস দিতে চাই না। যারা সিন্ডিকেট করে প...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্যাপশন: কদম মোবারক মুসলিম এতিমাখানার নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ (২০২৬ - ২০২৯) এর অভিষেক ও ইফতার...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা ব...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংগৃহীত বর্জ্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুতে রূপান্তর ক...বিস্তারিত
রিপোর্টার : চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় ব...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষি জমির টপ সয়েল কাটার কাজে সহায়তা করায় মো. জুয়েল মিয়া (৩৪) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited