শিরোনাম
কক্সবাজার প্রতিনিধি: | ০৫:৩৭ পিএম, ২০২৫-১২-০৮
সমুদ্রের হাওয়া ও রোদে ঝলমলে কক্সবাজারের নাজিরারটেক এখন দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ভোর থেকেই উপকূলজুড়ে চলে মাছ ধোয়া, কাটা ও বাঁশের মাচায় শুকানোর কর্মযজ্ঞ। মৌসুমের শুরুতেই উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, এ বছর শুঁটকি রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড গড়বে কক্সবাজার। নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই মৌসুম চলবে আগামী জুলাই পর্যন্ত। মৌসুম জুড়ে নাজিরারটেকসহ জেলার উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন শুঁটকি উৎপাদন এবং প্রায় ৪০০ কোটি টাকার শুঁটকি রপ্তানি হতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপকূলজুড়ে প্রায় ১০০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত নাজিরারটেক মহালে কাজ করছেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক, যাদের অধিকাংশই নারী। নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে শুঁটকি উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়। সাগর থেকে ধরা তাজা মাছ ৩ থেকে ৪ দিন সূর্যের তাপে শুকিয়ে তৈরি করা হয় শুঁটকি, যা পরে দেশের বাজারে যায় এবং বড় একটি অংশ রপ্তানির জন্য প্যাকেটবন্দী হয়।
নাজিরারটেক ছাড়াও নুনিয়ারছড়া, খুরুশকুল, চৌফলদণ্ডী, সোনাদিয়া, মহেশখালী, উখিয়া, কুতুবদিয়া, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের তিন শতাধিক মহালে সমানতালে শুঁটকি উৎপাদন চলছে। নাজিরারটেক মহালের বিভিন্ন আড়তে রূপচাঁদা, ছুরি, কোরাল, সুরমা, লইট্যা, পোপা, টেকচাঁদা, ফাইস্যা, নাইল্যাসহ প্রায় ২৫ প্রজাতির মাছ শুকানোর দৃশ্য দেখা গেছে। জেলেরা গভীর সাগর থেকে মাছ ধরে মহালে সরবরাহ করেন, আর সেখানে শ্রমিকরা প্রক্রিয়াজাত করার কাজ করেন।
মহালে কাজ করা শ্রমিকদের ভাষ্য, মৌসুমে তারা ভালো আয় করেন এবং পরিবার চালানোর পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনার খরচও বহন করতে পারেন। অন্যদিকে জেলেরা জানান, সাগর উত্তাল থাকলে মাছ ধরতে ঝুঁকি থাকে, তবে মৌসুমে ধরতে পারলে সবাই লাভবান হন।
বাজারে লইট্যা প্রতি কেজি ১,০০০ থেকে ১,৪০০ টাকা, ছুরি ৮০০ থেকে ১,৮০০ টাকা, চিংড়ি ১,০০০ থেকে ১,৫00 টাকা, পোয়া ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, মাইট্যা ৮০০ থেকে ১,৬00 টাকা, কোরাল ১,৫00 থেকে ১,৯00 টাকা এবং রূপচাঁদা ১,৮00 থেকে ২,৫00 টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
নাজিরারটেক শুঁটকি ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আ. ক. ম. নেয়ামত উল্লাহ জানান, প্রায় ১০০ একর জায়গাজুড়ে অর্ধশতাধিক আড়ত এবং প্রায় দুই হাজার ব্যবসায়ী যুক্ত আছেন। প্রতিদিন এখান থেকে ২০০ টন শুঁটকি উৎপাদিত হয়। কক্সবাজার মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ওসমান গণি টুলু বলেন, গত বছর হংকং, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পোপা শুঁটকি রপ্তানিতে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আয় হয়েছিল, আর এ বছর উৎপাদন ভালো হলে রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : টুরিজম স্পর্ট সাজেকের উজোবাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পর্যটন সড়কে অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। পার্à...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : আগামী ১ নভেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। ২০২৭ সালের ১৫ মà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : সাজেকের সংকট কি কেবল পাঁচ দফা দাবির আন্দোলন, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই!...বিস্তারিত
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : : বান্দরবানের বাকিছড়া নতুন পাড়াবাসীদের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে বালাঘাটা এল...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited