চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬  

শিরোনাম

মাটির ঘর থেকে মানুষের হৃদয়ে মতিয়ারা মুক্তা

আবদুল্লাহ মজুমদার :    |    ০৮:০১ পিএম, ২০২৬-০৫-২১

মাটির ঘর থেকে মানুষের হৃদয়ে মতিয়ারা মুক্তা

মানবতা, সাহিত্য ও সমাজসেবার অনন্য মিশেলে নিজেকে আলাদা উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন নন্দিত সংগঠক, লেখক ও ‘মাটির মা’ হিসেবে পরিচিত মতিয়ারা মুক্তা। মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এই আলোকিত ব্যক্তিত্ব সম্প্রতি মুখোমুখি হয়েছেন সাহিত্যিক আবদুল্লাহ মজুমদারের। আলাপচারিতায় উঠে এসেছে তাঁর শৈশব, সংগ্রাম, সমাজভাবনা, সাহিত্যচর্চা ও মানবকল্যাণের স্বপ্ন।

শৈশব ও বেড়ে ওঠা:

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইলের পাহাড়ি রাঙামাটির শালিয়াবহ গ্রামের মাটির ঘরে জন্ম আমার। বাবা-মা আধ্যাত্মিক জগতের মানুষ। তাই ছোট থেকেই মানবসেবার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বেড়ে উঠেছি। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই মেয়ে হয়েও বাবার দরবারের দায়িত্ব নিতে হয়, যা আজও পালন করে যাচ্ছি। গ্রামের সরল ও রঙিন জীবন খুব উপভোগ করেছি। এখানকার প্রতিটি মানুষ, ঘাস-লতা—সবই আমার চিরচেনা। ব্রিজের পাশের ছোট্ট খালটিও আমার কাছে হৃদয়নদী।

পরিবার থেকে পাওয়া মূল্যবোধ:

আমার বাবা-মা আধ্যাত্মিক গুরু। বাবা বলতেন—“নিজের সমালোচনা করো, নিজের দোষত্রুটি খুঁজো, নিজেই নিজের বিচার করো।”
আর মা বলতেন—“বারো বাড়ি তেরো খামার, যে বাড়ি যাবা সে বাড়িই তোমার।”
পরিবার বলতে আমার গুরু বাবা-মাই। তাঁদের কাছ থেকে নির্মোহভাবে যে শিক্ষা পেয়েছি তা হলো—
যেকোনো পরিস্থিতিতে সত্য কথা বলা এবং নিজের কাজে সৎ থাকা। বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা এবং অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। অপরের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, ছাড় দেওয়ার মানসিকতা এবং অন্যকে সাহায্য করা। সময়ের সঠিক ব্যবহার, নিয়মের মধ্যে চলা এবং নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা। কঠিন পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখা এবং নিজের ভুল বুঝতে পারলে ক্ষমা চাওয়া কিংবা অপরকে ক্ষমা করে দেওয়া।

লেখালেখি ও সমাজকর্মে আগ্রহ:

আমার গুরু, আমার বাবা, স্কুলজীবনেই বলেছিলেন—“এমন প্রেম করো, যেখানে বিয়ে হবে না, শরীরের সম্পর্ক হবে না; কিন্তু মানুষ ভাববে আছে। তুমি সমাজের কাছে কলঙ্কিত হবে, তবু ভালোবাসা সত্য থাকবে।”
তাঁর সেই চাওয়া থেকেই আমার প্রেম, আর প্রেম থেকে মা হয়ে ওঠার গল্প। সেই গল্প আবিষ্কার করতেই কলম ধরেছি। সাহিত্য আমার আত্ম-আবিষ্কারের মাধ্যম।

সংগঠক হিসেবে যাত্রা:

সংগঠক হিসেবে যখন বুঝলাম একা কিছু কাজ করা সম্ভব হলেও বৃহৎ পরিসরে তা সম্ভব নয়, তখন আমার স্বপ্নের সঙ্গে অন্যদের যুক্ত করতে করতেই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়ে গেল। একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য, কার্যকর নেতৃত্ব এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়েই ‘মাটির মা ফাউন্ডেশন’ সকলের ভালোবাসা ও আস্থায় এগিয়ে চলছে।

প্রধান অনুপ্রেরণা:

এক কথায় বলা যায়—জীবন চলার পথে এবং কাজে এগিয়ে যাওয়ার প্রধান অনুপ্রেরণা আমার নিজস্ব স্বপ্ন, আত্মবিশ্বাস ও উদার দৃষ্টিভঙ্গি। এছাড়াও আমার বাবা। তাঁর আধ্যাত্মিক চিন্তা ও কর্মই আমাকে সমাজকর্মে টেনেছে।

‘মাটির মা’ নামের গল্প:

‘মাটির মা’—মাতৃরূপের মিশেলে বাংলা সাহিত্যে বিভিন্ন গভীর আবেগের গল্প ও রূপক ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু আমার এই নামটি প্রথমে অপমান হিসেবেই দেওয়া হয়েছিল। মাটি আর মানুষ নিয়েই তো আমার জগৎ। তাই গ্রামের মানুষ একসময় ব্যঙ্গ করে ডাকত। এত ঘাত-প্রতিঘাতের পরও আমার ধৈর্য ছিল আকাশছোঁয়া। কেউ কেউ বলত—“মাটির ধৈর্যও ছাড়াবি নাকি? মাটির মা হবি?”
সেই অপমানই শেষ পর্যন্ত অলংকারে রূপ নিল। আধ্যাত্মিক ভাষায় যাকে বলে—পুড়ে পুড়ে খাঁটি হওয়া।

মাঠপর্যায়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ:

এক কথায়—নিজেকে টিকিয়ে রাখা। আর স্কুলজীবন থেকেই হাজারো মানুষের মা হয়ে ১২ হাত শাড়ি সামলানো। তবে আমাদের কাজের পরিধি অনুযায়ী এই চ্যালেঞ্জগুলোর প্রভাব ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। কার্যকর পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী কিংবা বিভিন্ন পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

যে পরিবর্তন দেখতে চাই:

ইতিবাচক ও অর্থপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য ব্যক্তিগত অভ্যাস, মানসিকতা এবং পারিপার্শ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি। পরিবার ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং আত্মকেন্দ্রিকতা কমিয়ে বৃহত্তর সমাজের কল্যাণে কাজ করা প্রয়োজন। এছাড়াও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। সুযোগের অভাবে হাজারো প্রতিভা নষ্ট হয়ে যায়। তাই সমান অধিকার ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন।

কী ধরনের লেখা বেশি লিখি:

কবিতা, সমাজচিন্তা এবং আধ্যাত্মিকতা নিয়ে বেশি লিখি। কবিতায় কষ্ট প্রকাশ করি, সমাজচিন্তায় সমাধান খুঁজি আর আধ্যাত্মিকতায় শান্তি অনুসন্ধান করি।

লেখার বিষয়বস্তু:

আমি সাহিত্যের সব শাখায় লিখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমার লেখার মূল বিষয়—মা, মাটি ও মানুষ। শুরু করেছি ছড়া ও গান দিয়ে। ভাই-বোনের সঙ্গে ঝগড়ার ছলেই ছন্দ শিখেছি। স্কুলজীবনেই প্রায় দুই হাজার গান লিখেছি। এখনো দরবারে সেই আধ্যাত্মিক ধাঁচের কিছু গান গাওয়া হয়। কবিতা আমার সুখ-দুঃখের সারথি। লেখার মূল বিষয়বস্তু আহরণ করি আমার গুরুর কাছ থেকে।

লেখক হিসেবে সমাজকে কীভাবে প্রভাবিত করতে চাই:

নোবেল বা ডলারের জন্য লিখি না। লিখি মানুষ ও মানবতার মুক্তির জন্য। আমার কবিতা পড়ে কেউ যদি একটু আনন্দ পায় কিংবা কোনো এতিমকে একমুঠো ভাত দেয়—সেটাই আমার সাহিত্যের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

বর্তমান সমাজে নারীর ভূমিকা:

বর্তমান সমাজে নারীর ভূমিকা কেবল গৃহকাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তাঁরা পরিবার গঠনের পাশাপাশি অর্থনীতি, শিক্ষা, রাজনীতি এবং প্রযুক্তিতেও সমানতালে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শিক্ষিত ও সচেতন নারী একটি সুস্থ পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন। যদিও কিছু ক্ষেত্রে সমাজ এখনো তা মানতে নারাজ। তবুও আমার মতো কেউ কেউ সব অপবাদ উপেক্ষা করে ‘মাটির মা’ হয়ে ওঠে, আপনাদের প্রশ্নের উত্তর হয়ে ওঠে।

তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব:

একটি সমাজ কিংবা দেশের ভবিষ্যৎ, উন্নতি ও অগ্রগতি অনেকাংশে নির্ভর করে সেই দেশের তরুণ প্রজন্মের ওপর। তরুণরাই পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার। নিজেদের মেধা, দায়িত্ববোধ, সাহস ও কর্মশক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তারা কেবল নিজেদের ভাগ্যই পরিবর্তন করতে পারে না, বরং পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

সমাজকর্মীর সবচেয়ে জরুরি গুণ:

একজন সমাজকর্মীর সবচেয়ে জরুরি গুণ হলো গভীর সহানুভূতি ও মমতাবোধ। সামাজিক, অর্থনৈতিক কিংবা সাংস্কৃতিক পটভূমি যেমনই হোক না কেন, তাকে হতে হবে ধৈর্যশীল। পাশাপাশি সংকটময় মুহূর্তে সঠিক ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মানসিকতাও থাকতে হবে।

জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন:

আমার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো—হাজারো মানুষের মা হয়ে ওঠা। অনাথ, এতিম ও অসহায় মানুষের বিশ্বাস, ভালোবাসা ও ভরসা অর্জন করা। এছাড়াও নিজের ভেতরে মানসিক শান্তি খুঁজে পাওয়া এবং সততার সঙ্গে একজন ভালো মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকা। নিজের প্রতিটি কাজের প্রতি সৎ থাকা এবং সন্তুষ্টি ধরে রাখাও আমার বড় অর্জন।

ব্যর্থতা:

ব্যর্থতা জীবনের শেষ নয়; বরং নতুন করে শুরু করার এবং ঘুরে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় ধাপ। ব্যর্থতা অনেক সময় কষ্ট দিলেও সঠিক শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা দেয়। আমার জীবনের হাজারো ব্যর্থতা আমাকে শক্ত করেছে, সফলতা এনে দিয়েছে। সুতরাং ব্যর্থতাই আমার সফলতার চাবিকাঠি।

জীবনের মূল দর্শন:

আমার জীবনের মূল দর্শন হলো আত্মোপলব্ধি, মানবতা এবং সত্যের সন্ধান। এটি মূলত নিজেকে জানা, নিজের অস্তিত্বের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা এবং অন্যকে ভালোবাসার মাধ্যমে একটি অর্থপূর্ণ ও শান্তিময় জীবন যাপন করা।

সামনের পরিকল্পনা:

আমার মূল লক্ষ্য হলো নিঃস্বার্থভাবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রকৃতি ও মানবকল্যাণে কিছু সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যা আমার প্রস্থানের পরও কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে। এসব কর্মের মাঝেই নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই।

সমাজের জন্য স্বপ্ন:

সমাজের জন্য আমার স্বপ্ন, অর্থাৎ মহতী উদ্যোগ হলো—নিঃস্বার্থ সেবা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রসারের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, সহানুভূতিশীল ও স্বাবলম্বী সমাজ গড়ে তোলা। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কোনো শিশু রাস্তায় ঘুমাবে না, কেউ না খেয়ে থাকবে না। যেখানে বৃদ্ধ মা-বাবার সেবা করা সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হবে, আর মেয়ে মানে বোঝা নয়—শক্তি।

নতুন প্রজন্মের জন্য বার্তা:

নতুন প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে বড় বার্তা হলো—প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং অদম্য সাহসকে কাজে লাগিয়ে পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যাওয়া। আত্মবিশ্বাস ও সততা ধারণ করে প্রতিটি ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। শুধু স্বপ্ন দেখলেই হবে না, সেটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য নিয়মিত চর্চা ও কঠোর অধ্যবসায় চালিয়ে যেতে হবে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ নিজেকেই তৈরি করতে হবে। আর চেয়ার অর্জন করলে তা ধরে রাখার ধৈর্যও থাকতে হবে।
 

রিটেলেড নিউজ

নির্ধারিত দাম কাগজে, এলপিজি বাজারে নাগালের বাইরে

নির্ধারিত দাম কাগজে, এলপিজি বাজারে নাগালের বাইরে

আবদুল্লাহ মজুমদার : : রান্নাঘরের চুলা জ্বালাতে গ্যাসের সিলিন্ডার লাগবে, অথচ দোকানে গিয়ে মিলছে না নির্ধারিত দামে। কোথাও...বিস্তারিত


মামার বাড়ি মধুর হাঁড়ি

মামার বাড়ি মধুর হাঁড়ি

আমাদের সাহিত্য : : মহসিন আলম মুহিন মামার বাড়ি মধুর হাঁড়ি, এই কথাটি নয় অজানা। আদর-আমোদ কাঁড়ি কাঁড়ি- থাকলে পাশে নানি-না...বিস্তারিত


যে গল্প কাগজে লেখা হয়নি

যে গল্প কাগজে লেখা হয়নি

আবদুল্লাহ মজুমদার : : গভীর রাত। ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছুঁই ছুঁই।  বাড়ির অন্য ঘরগুলোর আলো একে একে নিভে গেছে। চারপাশে নেমে এস...বিস্তারিত


লেজ নেই, কুত্তার বাঘা নাম

লেজ নেই, কুত্তার বাঘা নাম

আবদুল্লাহ মজুমদার : : কালির কুহেলি ঘন, অক্ষর আজ অবরুদ্ধ, ফোরাম-চত্বরে ক্লাবের ছায়া—দ্বন্দ্ব বড় দুর্বোধ্য। মসনদের মায়à¦...বিস্তারিত


সারাফ নাওয়ারের ‘৩৯ অনুচ্ছেদ’: প্রতীকের ব্যাকরণে অস্তিত্বের পাঠ 

সারাফ নাওয়ারের ‘৩৯ অনুচ্ছেদ’: প্রতীকের ব্যাকরণে অস্তিত্বের পাঠ 

আবদুল্লাহ মজুমদার : : সব কবিতা শব্দ দিয়ে শুরু হয় না; কিছু কবিতা শুরু হয় নীরবতা দিয়ে। কিছু কবিতা ভাষায় নয়, ভাষাহীনতাà...বিস্তারিত


 ইতিহাসের কাঠগড়ায় জুলাই

 ইতিহাসের কাঠগড়ায় জুলাই

আবদুল্লাহ মজুমদার : : জুলাই— কোনো ক্যালেন্ডারের মাস নয়; রাষ্ট্রের বুকের ভেতর জমে থাকা বজ্রের মতো এক দীর্ঘ কম্পন। রা...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ​সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা নà¦...বিস্তারিত


নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর