শিরোনাম
বান্দরবান প্রতিনিধি : | ০৩:৫৬ পিএম, ২০২৬-০৫-২৩
পবিত্র ঈদুল আজহা ও সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি উপলক্ষ্যে পর্যটন নগরী বান্দরবানে এবার আশানুরূপ হোটেল বুকিং হয়নি। ফলে হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও বিশেষ করে ঈদুল আজহা পরবর্তী সময়ে ছুটি কম থাকায় পর্যটকদের অনাগ্রহের কারণে বুকিং প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম হয়েছে। তবে ২৯ থেকে ৩১ এপ্রিল দিনগুলোতে ৭০-৮০ শতাংশ বুকিং পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বছরজুড়েই কম বেশি পর্যটকের পদচারণার মুখর থাকে প্রকৃতির অপাররূপে ঘেরা পাহাড় কন্যাখ্যাত এই বান্দরবান। সরকারি বিশেষ ছুটির দিনে বান্দরবানে পর্যটকের সমাগম কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। এ কারণে আগত পর্যটকদের সেবায় জেলায় গড়ে উঠেছে প্রায় হাজারেরও বেশি হোটেল, মোটেল, কটেজ ও রিসোর্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। ফলে জেলার অন্যতম অর্থকরী খাত হিসেবে পর্যটন শিল্পকে গণ্য করা হয়।এবার ঈদুল আজহার আগে ছুটির দিন বেশি এবং পরে ছুটি কম হওয়ার কারণে এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে আশানুরূপ বুকিং হয়নি বলে দাবি করেন তারা।
হোটেল হিল্টন ম্যানেজার জোবায়ের সাকি বলেন, আজ তাদের হোটেলে ২০ শতাংশ পর্যটক রয়েছে এবং ঈদ পরবর্তী ২৯-৩১ এপ্রিল পর্যন্ত দিনগুলোর জন্য ৫০ শতাংশ আগাম বুকিং হয়েছে।
হোটেল গ্রেন্ড ভেলী ম্যানেজার আক্কাস উদ্দীন সিদ্দিকী বলেন, আজ তাদের হোটেলে ২০ শতাংশ কক্ষে গ্রাহক রয়েছে। বিগত বছরগুলোর এই সময়ে আশানুরূপ বুকিং পেয়ে থাকলেও এবার তেমন সাড়া মেলেনি। তবে ২৯-৩১ এপ্রিলের জন্য ৫০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং পাওয়া গেছে। বাকি দিনগুলোতে আরও বাড়তে পারে বলে প্রত্যাশা রয়েছে।
হোটেল গার্ডেন সিটির ম্যানেজার মো.আরমান বলেন, বর্তমানে তাদের হোটেলে প্রায় ২০ শতাংশ বুকিং রয়েছে। তবে ২৯ থেকে ৩১ এপ্রিলের জন্য ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। অবশিষ্ট দিনে এই বুকিং আরও বাড়বে।
হোটেল হীল ভিউর ম্যানেজার মো.পারভেজ বলেন, অন্যান্য বছরের এই সময়ে তাদের হোটেলের ৯০টি কক্ষের মধ্যে অধিকাংশ কক্ষই বুকিং থাকত। এবার তেমনটি হয়নি। আজ এই কক্ষগুলোর মধ্যে মাত্র ১২টি কক্ষ বুকিং হয়েছে। এছাড়া ঈদের আগের দিনগুলোতেও তেমন বুকিং নেই। ২৯ থেকে ৩১ এপ্রিল পর্যন্ত গড়ে ২৫ শতাংশ আগাম বুকিং পেয়েছেন বলে যানান তিনি।
বান্দরবান হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন বলেন, এবারের ঈদুল আজহা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলে যে ৬ দিন সরকারি ছুটি পাওয়া গেছে তা অধিকাংশ ঈদের আগে। ঈদ পরবর্তী সময়ে সরকারি ছুটি কম থাকায় এবার আশানুরূপ পর্যটকের সাড়া পাওয়া যায়নি। আগত পর্যটকের সার্বিক সেবা নিশ্চিত করতে সব হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের নির্দ্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বান্দরবানের টুরিষ্ট পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) ফরিদ উদ্দীন বলেন, বছরজুড়ে কম-বেশি পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকলেও বিশেষ ছুটির দিনে আগমনের সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি থাকে। আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ কাজ করবে। এছাড়া সাদা পোশাকেও প্রায় সব পর্যটনকেন্দ্রে পুলিশের উপস্থিতি থাকবে।
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ে ঝুমখেত থেকে ধান আনতে গিয়ে বন্য শূকরের আক্রমণে হরিমনি ত্রিপুরা ...বিস্তারিত
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : : টুরিজম স্পর্ট সাজেকের উজোবাজারে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পর্যটন সড়কে অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। পার্à...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : আগামী ১ নভেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। ২০২৭ সালের ১৫ মà¦...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : সাজেকের সংকট কি কেবল পাঁচ দফা দাবির আন্দোলন, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই!...বিস্তারিত
নয়ন চক্রবর্তী, বান্দরবান : : বান্দরবানের বাকিছড়া নতুন পাড়াবাসীদের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে বালাঘাটা এল...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited