শিরোনাম
লোহাগাড়া প্রতিনিধি : | ০৭:৩৫ পিএম, ২০২২-০৫-১৬
লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশ সদস্য মো. জনি খানের বাম হাতের কব্জি কেটে বিচ্ছিন্ন করার মামলার ২ নম্বর আসামি রুবি আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (১৫ মে) রাত ১২টার দিকে লোহাগাড়া শেষ সীমান্ত বান্দরবান জেলার লামা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৫ মে) সকালে লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লালাখিল এলাকায় আসামি ধরতে গিয়ে মো. জনির বাম হাতের কব্জি কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে আসামিরা। এ ঘটনায় শাহাদাত হোসেন নামে আরেক পুলিশ সদস্য আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে জনিকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। লোহাগাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভক্ত দত্তের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম রোববার সকালে একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি কবির আহমদকে গ্রেফতার করতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কবির আহমদের বাহিনী ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলে দায়ের কোপে কনস্টেবল মো. জনির বাম হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেখান থেকে জনিকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) সুপার শিবলী নোমান বলেন, আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ, অজ্ঞাত পরিচয়ের দুই-তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। মামলার ২ নম্বর আসামি ও হামলাকারী কবিরের স্ত্রী রুবি আক্তারকে রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে হামলাকারী কবির এখনও পলাতক। তাকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে।
কনস্টেবল জনি খানকে রোববার (১৫ মে) ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ আল-মানার হাসপাতালে দীর্ঘ সাড়ে ৯ ঘণ্টা অস্ত্রোপচারে হাতের কব্জি জোড়া লাগানো হয়। বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়ে রাত ২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত টানা ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে অস্ত্রোপচার শেষ হয়। আল-মানার হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজেদুর রেজা ফারুকীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যদের চিকিৎসক দল জনি খানের অস্ত্রোপচারে অংশ নিয়েছিলেন। তারা হলেন- অ্যানেসথেসিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আলাউদ্দীন, ডা. মোস্তফা কামরুল ইসলাম, হাসপাতালটির প্লাস্টিক সার্জন ডা. হাসান নাজিরুদ্দীন সুমন ও ডা. শাকেরা।
আল-মানার হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শাখার পরিচালক ডা. মো. শহিদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের জন্য পুলিশ সদস্য জনি খানের অস্ত্রোপচারটি খুবই জটিল ছিল। একটা মানুষের সম্পূর্ণ দ্বিখণ্ডিত হয়ে যাওয়া হাতে অনেক অংশ থাকে, সেগুলো আলাদা করে সিরিয়ালি বের করতে হয়েছে। জনি খানের অস্ত্রোপচার করতে সাড়ে ৯ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। জনি এখন পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত। তার হাতের স্বাভাবিক রং চলে এসেছে। নার্ভ যেগুলো জোড়া দেওয়া হয়েছে, সেগুলোরও সক্রিয় হতে শুরু করেছে। হাতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় হাতের উষ্ণতা চলে এসেছে।
স্টাফ রিপোর্টার : : এস. এফ. এম. মোস্তাঈন বিল্লাহ পাহাড়, নদী, ঝরনা, বন আর বৈচিত্র্যময় জনজীবন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘের...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৫২৪ ...বিস্তারিত
পটিয়া প্রতিনিধি : : পটিয়ায় উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, মহান আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সম্পর্কে ন...বিস্তারিত
আনোয়ারা প্রতিনিধি : : গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পুনরায় সার উৎপাদনে যাচ্ছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিই...বিস্তারিত
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : : খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited