চট্টগ্রাম   বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬  

শিরোনাম

ফটোকার্ডে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’: তকমার আড়ালের সত্য কোথায়?

আবদুল্লাহ মজুমদার :    |    ০৬:৪১ পিএম, ২০২৬-০৮-১৫

ফটোকার্ডে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’: তকমার আড়ালের সত্য কোথায়?

ফেসবুকের দেয়ালে হঠাৎ একটি ছবি ভেসে ওঠে। পরিচিত কোনো মুখ—কখনো মঞ্চে, কখনো সভায়, কখনো কোনো অনুষ্ঠানের ভিড়ে। ছবির নিচে জুড়ে দেওয়া হয় কয়েকটি শব্দ—‘ফ্যাসিস্টের দোসর’। মুহূর্তেই ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে। বাড়তে থাকে মন্তব্য, শেয়ার আর নানা ব্যাখ্যা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন তখন আদালত, আর ফটোকার্ড যেন রায়। অথচ ছবিটি কবে তোলা, কেন তোলা, সেই সময়কার প্রেক্ষাপট কী ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগেই যদি রায় হয়ে যায়, তাহলে সত্য কোথায় দাঁড়ায়?
চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক কয়েকটি ফটোকার্ড বিতর্ক নতুন করে এই প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে লেখক-গবেষক ও ডেইলি টুরিস্ট-এর উপসম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন এবং আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবসার চৌধুরীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ছবি, পোস্ট ও রাজনৈতিক বক্তব্য আলোচনায় এসেছে।
মো. কামাল উদ্দিন ও ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন একসময় ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি’র নেতৃত্বে ছিলেন। সংশ্লিষ্ট মহলে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ছিলেন চেয়ারম্যান এবং মো. কামাল উদ্দিন মহাসচিব। বর্তমানে নতুন করে ‘বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি’ গঠিত হয়েছে। সেখানে ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ হিসেবে চিহ্নিত করার অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে, মো. কামাল উদ্দিনকে নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বেকারি কামাল’ নামে আখ্যায়িত করে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এসব অভিযোগের ভিত্তি কী, এর পেছনে কী ধরনের তথ্য বা নথি রয়েছে—সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সম্প্রতি ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবসার চৌধুরীকে নিয়েও একই ধরনের ফটোকার্ড বিতর্কের কথা সামনে এসেছে। কেউ কেউ তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলে দাবি করছেন। অন্যদিকে, তিনি নিজেকে জাতীয়তাবাদী শক্তির সমর্থক হিসেবে দাবি করছেন—এমন বক্তব্যও আলোচনায় রয়েছে।
তিনটি ঘটনা আলাদা হলেও প্রশ্নটি একই—একটি ছবি, একটি সাক্ষাৎ কিংবা পুরোনো কোনো রাজনৈতিক যোগাযোগের ভিত্তিতে কি কাউকে চূড়ান্তভাবে কোনো রাজনৈতিক তকমা দেওয়া যায়?
শুধু ছবি দিয়ে নয়। প্রয়োজন প্রেক্ষাপট, তথ্য ও প্রমাণ।
একজন ব্যক্তি কারও সঙ্গে ছবি তুলেছেন—এটি একটি তথ্য। কিন্তু ছবিটি কখন তোলা হয়েছিল, কোথায় তোলা হয়েছিল, অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য কী ছিল, সেখানে ওই ব্যক্তির ভূমিকা কী ছিল এবং তখন তার রাজনৈতিক অবস্থান কী ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তরও গুরুত্বপূর্ণ।
কারও সঙ্গে ছবি থাকা রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত হতে পারে। আবার সেটি সামাজিক, পেশাগত কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ফলও হতে পারে। কোনটি সত্য, তা নির্ধারণ করতে হবে প্রমাণ ও প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে।
এখানেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আর দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের পার্থক্য।
ফেসবুকে কোনো ছবি, পোস্ট বা ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়া যায় না। আবার কোনো পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে বলেই সেটিকে পুরোপুরি অগ্রাহ্য করাও ঠিক নয়। বরং এসব হতে পারে অনুসন্ধানের সূত্র। সেখান থেকেই শুরু হতে পারে সাংবাদিকতার আসল কাজ—তথ্য যাচাই।
আজ তথ্য যাচাইয়ের সুযোগও অনেক বেশি। পুরোনো সংবাদপত্রের আর্কাইভ, সরকারি নথি, ভিডিও ফুটেজ, প্রকাশ্য বক্তব্য, দলীয় নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য এবং বিভিন্ন ডিজিটাল অনুসন্ধান-পদ্ধতির মাধ্যমে একটি দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব।
এমনকি মূলধারার গণমাধ্যমের নাম ও লোগো ব্যবহার করেও ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে চ্যানেল২৪-এর নামে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ড অনুসন্ধানে ভুয়া বলে শনাক্ত হয়েছিল। অর্থাৎ, ফটোকার্ডে কোনো গণমাধ্যমের নাম থাকলেই সেটি সত্য হয়ে যায় না।
তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোনো পোস্টকে সরাসরি সত্য ধরে নেওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি সব পোস্টকে মিথ্যাও ধরে নেওয়া যাবে না। সঠিক পথ হলো—অভিযোগকে যাচাই করা।
কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী শাসনের সহযোগিতার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা অবশ্যই প্রকাশ হওয়া উচিত। মানুষের জানার অধিকার রয়েছে। তবে সেই প্রমাণ হতে হবে যাচাইযোগ্য ও প্রাসঙ্গিক। একইভাবে, অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
অর্থাৎ, অভিযোগ সত্য হলে প্রকাশ হবে, সত্য না হলে সংশোধন হবে।
এখানেই গণমাধ্যমের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। সাংবাদিকতার কাজ ফেসবুকের পোস্ট হুবহু তুলে দেওয়া নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেখানে প্রশ্ন তুলবে, গণমাধ্যম সেখানে অনুসন্ধান করবে। পোস্ট যেখানে অভিযোগ করবে, সাংবাদিক সেখানে প্রমাণ খুঁজবেন।
ছবির মূল উৎস বের করতে হবে। তারিখ ও স্থান মিলিয়ে দেখতে হবে। ছবির পূর্ণ প্রেক্ষাপট জানতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নিতে হবে। পুরোনো সংবাদ, ভিডিও, সরকারি নথি কিংবা প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে।
কারণ একটি ছবি প্রমাণ করতে পারে—দুজন মানুষ একই জায়গায় ছিলেন। কিন্তু তারা কেন সেখানে ছিলেন, কী আলোচনা করেছিলেন, কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কিংবা কোনো অন্যায় কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন কি না—সেটি একটি ছবি একা প্রমাণ করে না।
একইভাবে, কেউ নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী শক্তির’ সমর্থক দাবি করলেই সেটি চূড়ান্ত সত্য হয়ে যায় না। তার বক্তব্য, কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অবস্থানও যাচাইযোগ্য। অর্থাৎ, অভিযোগ যেমন যাচাই হবে, আত্মপক্ষের দাবিও যাচাই হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—একই মাপকাঠি কি সবার জন্য প্রযোজ্য?
মো. কামাল উদ্দিনের কোনো ছবি যদি প্রশ্নের জন্ম দেয়, একই ধরনের ছবি অন্যদের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন তুলবে। ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক যোগাযোগ যদি যাচাইয়ের বিষয় হয়, একই মানদণ্ডে অন্যদের যোগাযোগও যাচাই করতে হবে। ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবসার চৌধুরীর কোনো ছবি যদি তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডও একইভাবে যাচাই হওয়া উচিত।
কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগও থাকতে হবে। কারণ সাংবাদিকতা শুধু অভিযোগ প্রকাশের নাম নয়; সাংবাদিকতা হলো—অভিযোগ, প্রমাণ ও জবাব—তিনটিকেই পাশাপাশি রাখা।
‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ কোনো সাধারণ বিশেষণ নয়। এই শব্দ একজন মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাগত ভাবমূর্তিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এমন অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব।তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রমাণিত অভিযোগকেও শুধু ‘ফটোকার্ড’ বলে এড়িয়ে যেতে হবে। সত্য যেখানে আছে, সেখানে সত্য প্রকাশ করতেই হবে—সে সত্য কারও পক্ষে যাক বা বিপক্ষে।
চট্টগ্রামের উন্নয়ন আন্দোলনও কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি নয়। এই নগরের উন্নয়ন, বন্দর, যোগাযোগ, জলাবদ্ধতা, শিল্পায়ন ও নাগরিক অধিকার নিয়ে বহু মানুষ বহু সময়ে কথা বলেছেন। নেতৃত্ব বদলাতে পারে, নতুন সংগঠন গড়ে উঠতে পারে, কাউকে কমিটিতে রাখা বা বাদ দেওয়া হতে পারে—এসব সাংগঠনিক বিষয়। কিন্তু কাউকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বললে তার পেছনে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকা জরুরি।
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি সত্য। আর সত্যের সবচেয়ে বড় শত্রু অর্ধসত্য। একটি পুরোনো ছবি, অসম্পূর্ণ তথ্য কিংবা প্রেক্ষাপটহীন ফটোকার্ড দিয়ে যেমন কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়, তেমনি প্রমাণিত অভিযোগকে রাজনৈতিক সুবিধার কারণে অস্বীকার করাও উচিত নয়।
তাই মো. কামাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন কিংবা ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবসার চৌধুরী—তিনজনের ক্ষেত্রেই একই প্রশ্ন প্রযোজ্য: অভিযোগের ভিত্তি কী? প্রমাণ কোথায়? সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য কী? স্বাধীনভাবে যাচাই করলে তথ্যটি কতটা সত্য?
শেষ পর্যন্ত এটি শুধু তিনজন ব্যক্তিকে ঘিরে কোনো বিতর্ক নয়; এটি আমাদের সাংবাদিকতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিরও পরীক্ষা। ফেসবুকের দেয়ালে একটি ছবি মুহূর্তেই হাজার মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, একটি ফটোকার্ড মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়াতে পারে। কিন্তু শেয়ার সংখ্যা প্রমাণ নয়, মন্তব্যের বহরও সত্যের মাপকাঠি নয়।
ছবির আড়ালের গল্পটি খুঁজে বের করতে হবে। তকমার নিচে চাপা পড়া তথ্যকে সামনে আনতে হবে। অভিযোগের পাশে রাখতে হবে প্রমাণ, আর প্রমাণের পাশে রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য।
কারণ ছবি অনেক কথা বলে, কিন্তু সব কথা বলে না। দাবি অনেক কিছু বলতে পারে, কিন্তু দাবি নিজেই সত্যের শেষ কথা নয়। সাংবাদিকতার শেষ কথা—তথ্য, যাচাই ও প্রমাণ।
 

রিটেলেড নিউজ

 ক্ষমতার পালাবদল, শিল্পীর পরিণতি এবং গণতন্ত্রের মানদণ্ড

 ক্ষমতার পালাবদল, শিল্পীর পরিণতি এবং গণতন্ত্রের মানদণ্ড

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ক্ষমতার আলো যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি তার ছায়াও দীর্ঘস্থায়ী হয়। ইতিহাসের প্রতিটি রাজনৈতিক পা...বিস্তারিত


বাবা : ত্যাগে গড়া এক জীবনের ভিত্তি

বাবা : ত্যাগে গড়া এক জীবনের ভিত্তি

আবদুল্লাহ মজুমদার : : কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের জীবন কোনো শিরোনামে ধরা পড়ে না, কোনো আলোচনায় দীর্ঘ হয় না; তবুও তাঁদের নীরব উপ...বিস্তারিত


 ঋণ আদায়ে আইন, আতঙ্ক নয়

ঋণ আদায়ে আইন, আতঙ্ক নয়

আবদুল্লাহ মজুমদার : : বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ এখন আর কেবল একটি আর্থিক সূচক নয়; এটি একটি গভীর কাঠামোগত সংকট। ব...বিস্তারিত


তামাক: রাজস্বের আড়ালে লুকানো মৃত্যুর বাণিজ্য

তামাক: রাজস্বের আড়ালে লুকানো মৃত্যুর বাণিজ্য

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ধোঁয়ার কুণ্ডলীর ভেতরে মানুষ খুঁজে পায় সাময়িক প্রশান্তি, কেউ খুঁজে পায় অভ্যাস, আর কেউ ক্লান্ত জীবনে...বিস্তারিত


চামড়ার বাজার: সংকট, সিন্ডিকেট ও সম্ভাবনার সমীকরণ

চামড়ার বাজার: সংকট, সিন্ডিকেট ও সম্ভাবনার সমীকরণ

আবদুল্লাহ মজুমদার : : ঈদের সকাল গড়িয়ে দুপুর নামতেই দেশের অলিগলি, গ্রামের উঠোন আর শহরের মোড়ে মোড়ে জমতে থাকে কোরবানির পশুর...বিস্তারিত


শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: বাংলাদেশের ইতিহাসে এক প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়ক- জাহাঙ্গীর আলম

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: বাংলাদেশের ইতিহাসে এক প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়ক- জাহাঙ্গীর আলম

আমাদের ডেস্ক : : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী জাতির সামনে আবারও স্মরণ করিয়ে দি...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত


ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো নিয়ে পশ্চিমাদের আবারও রাশিয়ার হুশিয়ারি

ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো নিয়ে পশ্চিমাদের আবারও রাশিয়ার হুশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : রাশিয়ার মাটিতে আঘাত হানতে পারে— এমন সব অস্ত্র ইউক্রেনকে সরবরাহ করার বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলোকে হু...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর