শিরোনাম
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি | ০৮:১২ পিএম, ২০২৬-০৯-২৯
রাঙামাটি সদর উপজেলার মানিকছড়ি এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পাহাড় কেটে চলাচলের রাস্তা তৈরির অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট মামলা দায়ের করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। সরেজমিন পরিদর্শনে পাহাড় কাটার আলামত পাওয়ার পর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) তারিখে এ মামলা দায়ের করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে রাঙামাটি জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।
পরিবেশ অধিদপ্তর রাঙামাটি জেলা কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, গোপনে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে রাঙামাটি সদর উপজেলার মানিকছড়ি এলাকার অন্তর্গত পাহাড় এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে সেখানে পাহাড় কর্তনের আলামত পাওয়া যায়। এ বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন প্রতিবেদনুসারে এনফোর্সমেন্ট মামলা দায়ের করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট উচ্চতার একটি পাহাড়ের অংশ অনুমোদন ছাড়াই কেটে চলাচলের রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। কর্তনকৃত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ ফুট, প্রস্থ প্রায় ৫ ফুট এবং উচ্চতা প্রায় ২ ফুট। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০০ ঘনফুট পাহাড় কাটা হয়েছে বলে সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক (৫০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি মানিকছড়ি এলাকার বাসিন্দা বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাহাড় কাটার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কোনো অনুমোদন বা ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি। এ কারণে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘনের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
রাঙামাটি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম প্রতিবেদককে মুঠোফোনে এনফোর্সমেন্ট মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করা হয়। তদন্তকালে মানিকছড়ি এলাকার পাহাড়ে কর্তনের আলামত পাওয়া যায়। পরিদর্শন প্রতিবেদন পাওয়ার পর ২৮ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটির শুনানি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায় ৫০০ ঘনফুট পাহাড় কাটার বিষয়টি উল্লেখ করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৭ ধারার আলোকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে তা আদায় এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মামলার বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানেন না বলে প্রতিবেদককে জানিয়েছেন অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক। মুঠোফোনে প্রতিবেদককে তিনি বলেন, মূলত বসতঘরে উঠার লক্ষ্যে আরো অন্তত দু’মাস আগে রাস্তাটি করা হয়েছে। আমি মামলার বিষয়ে কোনো কিছুই জানি না।
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফেরার পথে ‘দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম’-এর সহ-সম্পাদক ও স...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণা...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর পূর্ব তীরে সড়কহীন কাশিনগরসহ আশপাশের এলাকার মানুষের নৌকাই শহরের সঙ্গà§...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মিছবাহ উদ্দিন: আধুনিক ও উন্নত কক্সবাজার গড়তে জেলার সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো বস্à...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের ঝিলংজা মৌজায় চলমান বিডিএস জরিপের তসদিক কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে নানà¦...বিস্তারিত
খবর বিজ্ঞপ্তি : চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেছেন, সর্পদংশনে মৃত্যু ও দীর্ঘমেয়াদী অ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited