শিরোনাম
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : | ০৪:২৮ পিএম, ২০২৬-১১-০৩
উত্তর চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক জনপথ ও ঐতিহ্যবাহী নাজিরহাট বাজার। এখানকার মাংসের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে নেই কোনো বৈধ জবাইখানা (স্লটার হাউজ)। ফলে বাজারের ঠিক পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর চরের ওপরই চলছে প্রকাশ্য পশু জবাইয়ের মহোৎসব।
প্রতিদিন নিয়মবহির্ভূতভাবে নদীর চরে গরু জবাই করার কারণে বর্জ্য এবং মলমূত্র সরাসরি গিয়ে পড়ছে হালদা নদীতে। এর ফলে একদিকে যেমন নদীর অমূল্য জলরাশি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়ছে এর প্রাকৃতিক পরিবেশ।
সরেজমিন অনুসন্ধানে ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নাজিরহাট বাজারে নির্দিষ্ট জবাইখানা না থাকায় ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে কিংবা নিজেদের সুবিধার্থে নদীর চরেই বিভিন্ন স্থান থেকে আনা গরু জবাই করছেন। নিয়মানুযায়ী, জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একজন রেজিস্টার্ড পশু চিকিৎসক থাকার কথা এবং তার ছাড়পত্র পাওয়ার পরই পশু জবাইয়ের বিধান রয়েছে। কিন্তু এখানে এই নিয়মের ন্যূনতম তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।
অভিযোগ রয়েছে, কোনো ধরনের ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই দেদারছে জবাই করা হচ্ছে অসুস্থ, দুর্বল ও রোগাক্রান্ত পশু। এতে জনস্বাস্থ্যও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এছাড়া অনেক ব্যবসায়ী পৌরসভার নির্দিষ্ট নিয়ম না মেনে যত্রতত্র পশুপাখি জবাই করে তা বাজারে বিক্রি করছেন, যা সাধারণ ভোক্তাদের সাথে এক প্রকার প্রতারণা।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ক্ষুব্ধ ক্রেতাদের অভিযোগ, নাজিরহাট পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি এবং বাজারে স্থায়ী পশু চিকিৎসক বা জবাইখানার ব্যবস্থা না থাকায় এই নৈরাজ্য চলছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পশু আসার পর ডাক্তার তা পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এর কোনো বালাই নেই। পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই এ ধরনের পরিবেশবিরোধী কর্মকা- দিন দিন বেড়েই চলেছে।
হালদা নদী আমাদের জাতীয় সম্পদ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। এই নদীর চরে এভাবে পশুর বর্জ্য ও মলমূত্র ফেলে নদী দূষণ করায় পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
অবিলম্বে নাজিরহাট বাজারে একটি আধুনিক জবাইখানা নির্মাণ, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিয়মিত চিকিৎসক নিয়োগ এবং হালদা নদীর তীর রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, আমরা ইতোমধ্যে অভিযোগের বিষয়ে অবগত হয়েছি। এখানে স্বাস্থ্যসম্মত কোনো পশু জবাইখানা নেই। নাজিরহাট পৌরসভায় একটি কসাইখানা (বা গরু জবাইখানা) নির্মাণ করা যায় কিনা, সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।
স্টাফ রিপোর্টার : : এস.এফ.এম.মোস্তাঈন বিল্লাহ: বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি জনপদে শিক্...বিস্তারিত
লোহাগাড়া প্রতিনিধি : : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় একটি ফটোগ্রাফির দোকান থেকে প্রায় ৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার ক্যামেরা ও সরঞ্জাম চà§...বিস্তারিত
চন্দনাইশ প্রতিনিধি : : মোঃ সবুজ মৃধা, চন্দনাইশ : চট্টগ্রামে চন্দনাইশ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তারি প...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : হালদা নদীর দুই পাড়ে ১ হাজার ২৯ প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত করেছেন গবেষকরা। এসব উদ্ভিদের মধ্যে ৫১৭টি ঔষà...বিস্তারিত
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মিনি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সজিব উদ্দিন নামের এক যুবক নিহত হয়à...বিস্তারিত
বাঁশখালী প্রতিনিধি : : চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানারে গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্র...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited