শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৬:১১ পিএম, ২০২৬-১০-০৫
তাছলিমা আক্তার লিমা
ডিজিটাল স্ক্রিনের তীব্র আলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কৃত্রিম ব্যস্ততা আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) এই অতি-আধুনিক যুগে মানুষের যোগাযোগের মাধ্যমগুলো প্রতি মুহূর্তে পাল্টাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে অনেক পুরোনো অভ্যাস। কিন্তু এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীর বুকেও একটি প্রাচীন অথচ চিরসবুজ অদৃশ্য তরঙ্গ আজও বিশ্ববাসীকে বেঁধে রেখেছে এক সুতোয়। সেই আদি ও অকৃত্রিম জাদুর নাম ‘রেডিও’ বা ‘বেতার’। আকাশতরঙ্গে ভেসে আসা তথ্য ও বিনোদনের সেই চেনা সুরকে (বেতার সংস্কৃতিকে) বাংলাদেশে টিকিয়ে রাখতে, সাধারণ মানুষ ও নতুন প্রজন্মের কাছে এর আবেদন পৌঁছে দিতে এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শ্রোতাদের মাঝে এক অভূতপূর্ব সেতুবন্ধন তৈরি করতে বিগত ২৯ বছর ধরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে একটি সংগঠন—সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ।
আজ ১লা অক্টোবর, ২০২৬। গৌরব ও ঐতিহ্যের দীর্ঘ পথচলা পেরিয়ে সংগঠনটি পদার্পণ করছে তার ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে। তিন দশকের কাছাকাছি সময় ধরে বেতার সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার ও সমাজসেবামূলক কাজে এই ক্লাবের অবদান আজ সর্বমহলে স্বীকৃত।
একটি দুর্বিষহ রাত, জীবনদায়ী তরঙ্গ ও সার্ক-এর জন্মের প্রেরণা :
সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ-এর এই বিশাল সাম্রাজ্য ও তিন দশকের পথচলার নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক চরম ট্র্যাজেডি এবং রেডিওর প্রতি এক আজীবন কৃতজ্ঞতার আবেগঘন ইতিহাস। ফিরে যেতে হবে ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিলের সেই ভয়াল কালরাতে। স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ ও প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ম্যারি এন তখন ঘন্টায় প্রায় ২৫০ কিলোমিটার বেগের বাতাস নিয়ে লণ্ডভণ্ড করে দিচ্ছিল দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের চট্টগ্রামের উপকূলভাগ, বিশেষ করে দ্বীপ অঞ্চল সন্দ্বীপকে। চারদিকে জলোচ্ছ্বাসের গর্জন, হাজার হাজার মানুষের আর্তনাদ আর নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপের এক কিশোর—দিদারুল ইকবাল (যিনি মোহাম্মদ দিদারুল আলম বা আন্তর্জাতিক কলসাইন “S21DAL- সিয়েরা টু ওয়ান ডেল্টা আলফা লিমা” নামেও পরিচিত) ও তার পরিবার।
সেই ঘোর অন্ধকারের মধ্যে একমাত্র ভরসা হয়ে জেগেছিল একটি ব্যাটারিচালিত প্যানাসনিক আরএফ-৫৬২ মডেলের ৩ ব্যান্ডের অ্যানালগ রেডিও। বাংলাদেশ বেতার-চট্টগ্রাম থেকে ক্রমাগত প্রচারিত ঘূর্ণিঝড়ের বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিন ও সতর্কবার্তা শুনেই শেষ মুহূর্তে নিজের জেঠার চৌচালা টিনের ঘরের চিলেকোঠায় (দিদারুল ইকবালের পিতা মো. মানিক মিয়ার বড় মামাতো ভাই মো. জহিরুল ইসলাম এর ঘরে) নিরাপদ আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিল দিদারুল ইকবালের পরিবার। বেতারের সেই জীবনদায়ী বার্তার কারণে দিদারুল ইকবাল (S21DAL) ও তার অতি নিকটজনেরা সেদিন অলৌকিকভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান। কিন্তু সেই রাতের তাণ্ডব ছিল বড় নিষ্ঠুর। দিদারুল ইকবালের নিজ বাড়ির অনেক আত্মীয়স্বজন এবং সন্দ্বীপের হাজার হাজার চেনা মানুষ সেই জলোচ্ছ্বাসে প্রাণ হারান। রাস্তাঘাট, ফসলি জমি এবং চারপাশ জুড়ে মানুষ ও গবাদি পশুপাখির লাশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল। বেঁচে থাকা মানুষের জন্য সেটি ছিল এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি, যেখানে চেনা স্বজনদের লাশ চেনার বা দাফন করার মতো স্বাভাবিক অবস্থাটুকুও ছিল না। এই দুর্যোগের ফলে সন্দ্বীপের অধিকাংশ বাড়িঘর, বেড়িবাঁধ ও গবাদিপশু ধ্বংস হয়ে যায় এবং লক্ষাধিক মানুষ রাতারাতি গৃহহীন ও সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েন।
স্বজন হারানোর সেই বুকফাটা আর্তনাদ আর ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে কিশোর দিদারুল ইকবালের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল রেডিওর ভূমিকা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, রেডিও কেবল গান-বাজনা শোনার বাক্স নয়; এটি চরম দুর্যোগে মানুষের জীবন বাঁচানোর এক পরম বন্ধু। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার স্মৃতি, স্বজনদের হারানোর বেদনা আর বেতারের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞতাবোধ থেকেই দিদারুল ইকবালের মনে এক নতুন স্বপ্নের বীজ রোপিত হয়। আর সেই আবেগ ও মানবিক তাগিদই পরবর্তীতে তাঁকে একটি দেশব্যাপী বেতার শ্রোতাক্লাব গঠনে আজীবন উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় এই অববাহিকায় রেকর্ডকৃত অন্যতম শক্তিশালী এই ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়টি ২০ ফুটেরও বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করেছিল, যা উপকূলরেখাকে প্লাবিত করে। এর ফলে কমপক্ষে ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮৬৬ জন মানুষের মৃত্যু হয়। এদের বেশিরভাগই নিহত হয় চট্টগ্রাম জেলার উপকূল ও উপকূলীয় দ্বীপসমূহে। সন্দ্বীপ, মহেশখালী, হাতিয়া ইত্যাদী দ্বীপে নিহতের সংখ্যা সর্বাধিক। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল নারী, শিশু ও বৃদ্ধ। মৃত্যু ছাড়াও প্রায় ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৯৯১ সালের হিসাবে) সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই বিপর্যয়কর ক্ষয়ক্ষতির ফলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশ অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল পরিচালনা করে, যা ছিল সর্বকালের অন্যতম বৃহৎ সামরিক ত্রাণ প্রচেষ্টা। ১৯৭০ সালে ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের পর অনেক সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হলেও সচেতনতা ও অজ্ঞাতার কারণে অনেকেই সাইক্লোনের মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে সেখানে আশ্রয় নেয়। দিদারুল ইকবাল (S21DAL) এর পরিবারের মতো অনেকেই সেদিন ঝড়ের ভয়াবহতা বেশি হবে না এই আশায় আশ্রয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়নি। ধারণা করা হয় প্রায় ২০ লক্ষ লোক আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে বিপদজনক স্থানে অবস্থানের কারণে ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত হয়।
বাংলাদেশে শ্রোতা ক্লাবের বিবর্তন ও ইতিহাস :
বাংলাদেশে ‘বেতার শ্রোতা ক্লাব’ (Radio Listeners Club)-এর ধারণাটি কেবল একটি শখের জায়গা থেকে আসেনি, এর পেছনে রয়েছে এক সুদীর্ঘ সামাজিক ও গণযোগাযোগের ইতিহাস। মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ সাধারণ মানুষের মনে রেডিওর প্রতি যে গভীর আবেগ ও দেশপ্রেমের জন্ম দিয়েছিল, স্বাধীনতার পর তা এক নতুন সামাজিক রূপ লাভ করে।
স্বাধীনতার পরবর্তী দশক ও প্রথম শ্রোতা ক্লাব :
১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে শ্রোতারা নিজ উদ্যোগে রেডিও শোনার জন্য দলবদ্ধ হতে শুরু করেন। বিনোদন এবং বিশেষ করে রাজনীতি, কৃষি ও স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল বাংলাদেশ বেতার (তৎকালীন রেডিও বাংলাদেশ)। অনেক এলাকায় একক কোনো ব্যক্তির রেডিওকে কেন্দ্র করে পুরো পাড়ার মানুষ জড়ো হতো। এই ধারা থেকেই বাংলাদেশে প্রথম অনানুষ্ঠানিক ‘বেতার শ্রোতা ক্লাব’ গুলোর জন্ম হয়।
আন্তর্জাতিক বেতারের ভূমিকা ও ডিএক্সিং (DXing) :
আশির ও নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশে শ্রোতা ক্লাবের ধারণাটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে শুরু করে মূলত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শর্টওয়েভ (SW) বেতারের জনপ্রিয়তার কারণে। বিবিসি বাংলা (BBC), ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), চীন আন্তর্জাতিক বেতার (CRI), ডয়চে ভেলে (DW), রেডিও ভেরিতাস এশিয়া (RVA), রেডিও তেহরান (IRIB), রেডিও রিপাবলিক ইন্দোনেশিয়া (RRI), রেডিও ফ্রান্স ইন্টারন্যাশনাল (RFI), রেডিও নেদারল্যান্ড ওয়ার্ল্ডওয়াইড (RNW), রেডিও রাশিয়া (RUVR), রেডিও প্রাগ ইন্টারন্যাশনাল (RPI), রেডিও রোমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল (RRI), রেডিও স্লোভাকিয়া ইন্টারন্যাশনাল (RSI), রেডিও তাইওয়ান ইন্টারন্যাশনাল (RTI), ভয়েস অব তুর্কি রেডিও (TRT), ভয়েস অব ভিয়েতনাম (VOV), রেডিও সৌদিআরব (RSI), কেবিএস ওয়ার্ল্ড রেডিও (KBS), রেডিও কায়রো (RC), এবিসি রেডিও অস্ট্রেলিয়া (ABC), রেডিও কানাডা ইন্টারন্যাশনাল (RCI), রেডিও পাকিস্তান (PBC) এবং অল ইন্ডিয়া রেডিও আকাশবাণী (AIR)’র মতো কেন্দ্রগুলো শ্রোতাদের চিঠিপত্র এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার শুরু করে। আন্তর্জাতিক এই বেতার কেন্দ্রগুলো শ্রোতাদের নিজেদের মধ্যে ক্লাব গঠনে দারুণভাবে উৎসাহিত করে। একই সাথে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বেতার তরঙ্গ খুঁজে বের করার রোমাঞ্চকর শখ বা ‘রেডিও ডিএক্সিং’ (Radio DXing) তরুণ প্রজন্মের মাঝে শ্রোতা ক্লাব গড়ার জোয়ার এনে দেয়।
সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর :
আজ থেকে ঠিক ২৯ বছর আগে, চট্টগ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিচ্ছিন্ন শ্রোতাদের সুসংগঠিত করে একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন একজন স্বপ্নবাজ বেতারপ্রেমী মানুষ। ঠিক সেই সন্ধিক্ষণে, ১৯৯৭ সালের ১লা অক্টোবর সন্দ্বীপের সেই তরুণ রেডিও অ্যাক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল (S21DAL)-এর হাত ধরে প্রথমে চট্টগ্রাম শহরে বাংলাদেশ রেলওয়ের সিগন্যাল ইন্সপেক্টর অফিস, সিগন্যাল কেবিন এলাকায় (দিদারুল ইকবালের পিতার কর্মস্থল) যাত্রা শুরু করে ‘চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড রেডিও ডিএক্স লিসেনার্স ক্লাব’, যা পরবর্তীতে ১৯৯১-এর সেই ট্র্যাজেডির চেতনাকে বুকে ধারণ করে দেশজুড়ে আরও বিস্তৃত হয়ে ‘সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ’ নামে আত্মপ্রকাশ করে। এটি বাংলাদেশে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে থাকা শ্রোতা আন্দোলনের ধারণাকে একটি শক্তিশালী, সমাজকল্যাণমূখী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অন্যতম ভূমিকা পালন করে। এই অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক, বন্ধুত্ব, তথ্য ও যোগাযোগভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেতার শ্রোতা সংগঠনটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন শর্টওয়েভ (Shortwave) ও মিডিয়ামওয়েভ (Mediumwave) রেডিও স্টেশন শোনা, দূরবর্তী সিগন্যাল ট্র্যাক করা এবং স্টেশনগুলোর কাছে রিসেপশন রিপোর্ট পাঠিয়ে 'QSL কার্ড' বা স্বীকৃতি সংগ্রহ করা ও চিঠিপত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বেতার কর্তৃপক্ষকে মতামত দেওয়ার পাশাপাশি বেতার সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার এবং আধুনিকায়ন করা; রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ বেতার এবং বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অনলাইন বেতারের অনুষ্ঠান সম্পর্কে শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করা
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম : দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি - সবাই হঠাৎ সরকারপন্থী জাতীয়তাবাদà...বিস্তারিত
মুহাম্মদ আমির হোছা্ইন :: : উনিশ শতকের শেষভাগে আধুনিক জায়োনিস্ট আন্দোলনের উত্থানের পর থেকেই কীভাবে একটি ইহুদিদের আন্দোলন à...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : বেলাল হোসেন মানুষ। অভিধানে মাত্র দুই অক্ষরের একটি শব্দ। কিন্তু এই দুই অক্ষরের ভেতরে লুকিয়ে আছà§...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : দেশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দলীয় আধিপত্য বিস্তার নিয়ন্ত্রণে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর আদলে নতুন ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : এস.এফ.এম. মোস্তাঈন বিল্লাহ: বান্দরবানের আলীকদম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়, বন ও বৈচিত্র্যময় কৃষিজ à¦...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : রবিউল আউয়াল আসে, রবিউল আউয়াল যায়। ক্যালেন্ডারের পাতায় মাসটি একসময় শেষও হয়ে যায়। কিন্তু কোথাও কোথাà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited