শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৪:২৯ পিএম, ২০২৬-০৪-১২
কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই রান্নার জ্বালানি নিশ্চিত করতে ১ কোটি কানাডিয়ান ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। কানাডা জানিয়েছে, এই অর্থ জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মাধ্যমে ব্যয় করা হবে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এলপি গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে—যা রান্নার জন্য অপরিহার্য এবং একই সঙ্গে নাজুক পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে। রোববার (১২ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে ঢাকায় কানাডা হাইকমিশন ও ইউএনএইচসিআর কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এলপিজি বিতরণ শুরুর পর থেকে ক্যাম্পে জ্বালানি কাঠের ব্যবহার প্রায় ৮০ শতাংশ কমেছে। এতে বন উজাড় হ্রাসের পাশাপাশি প্রতিবছর প্রায় চার লাখ সাত হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ রোধ হচ্ছে। এ উদ্যোগ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও মর্যাদা উন্নয়নে সহায়ক হবে বলেও জানিয়েছে কানাডা। বিশেষ করে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের সময় যে ঝুঁকি তৈরি হয়, তা কমাতে এলপিজি সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং বলেন, কানাডা দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। এই জলবায়ু-সচেতন সহায়তা পরিবেশ সুরক্ষা, বন উজাড় হ্রাস এবং শরণার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, এই অনুদান কক্সবাজারের মতো পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও শরণার্থীদের জন্য উপকার বয়ে আনবে এবং জ্বালানি কাঠ সংগ্রহজনিত ঝুঁকি কমাবে। বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ জুলিয়েট মুরেকিইসোনি বলেন, ৯ বছর ধরে রোহিঙ্গারা কঠিন বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে আছেন। কানাডার এই সহায়তা শরণার্থীদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন (অন্তর্বর্তীকালীন) জ্যাসেপ্পে লোপ্রিট বলেন, নিরাপদ জ্বালানি শরণার্থী পরিবারগুলোর কল্যাণে মৌলিক চাহিদা পূরণ করছে এবং বিপজ্জনক কাঠ সংগ্রহের প্রয়োজন কমাচ্ছে। ২০১৮ সাল থেকে এই রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার মূলে রয়েছে এলপিজি সরবরাহ। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে ঘরের ভেতরে বাতাসের গুণমান উন্নত করেছে এবং রান্নার জ্বালানির খরচ কমিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার এই অনুদান প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ শরণার্থী পরিবারের এলপিজি সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কক্সবাজারের প্রায় ১০ হাজার ৭০০ হেক্টর সংরক্ষিত বন সংরক্ষণে সহায়তা করবে। এটি ভূমিধসের ঝুঁকি কমাবে এবং পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকায় মানুষ ও বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্ব কমিয়ে স্থানীয় সক্ষমতাকেও শক্তিশালী করবে।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited