শিরোনাম
রাউজান প্রতিনিধি : | ০৮:০৪ পিএম, ২০২৬-০৮-২৯
রাউজানের মঙ্গলখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হিসেবে সুদীর্ঘ ৫৪ বছর গ্রামের আপামর জনতার শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন আলহাজ্ব মাওলানা জমির উদ্দিন । শুধু খতিব হিসেবে নয়, এলাকার একজন বিশ্বস্ত অভিভাবকের মতো মায়া, ভালোবাসা আর স্নেহের বন্ধনে এক সুতোয় গেঁথে রেখেছিলেন পুরো গ্রামবাসীকে। প্রিয় অভিভাবকের বিদায় ক্ষণটা রাঙিয়ে দিতে মসজিদের চত্বর কাণায় কাণায় পূর্ণ হয়েছিল শত শত মুসল্লীর আগমনে। শেষবারের মতোন মসজিদের মিম্বরে দাঁড়িয়ে খোতবা পাঠের সময় কান্নাভেজা কন্ঠই বলে দিচ্ছিল এই মসজিদ, এই গ্রামের মানুষের সাথে কি একটা মায়াজালে জড়িয়ে গেছে জীবন, মোনাজাতে আবারো অশ্রুবৃষ্টি ঝড়লো খতিব, মুসল্লীদের চোখে।
এর পর বিকেল ৩টা থেকে ৬টা। তিনঘণ্টার বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটাই যেন হয়ে উঠল একটা ইতিহাস। প্রিয় মানুষের বিদায় বেলায় এমন আবেগ, এমন শ্রদ্ধা, ভালোবাসার দৃশ্য কম্ফিনকালেও দেখেনি এই গ্রামের কেউ। এমনই বিরল এক ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে থাকলো রাউজানের মঙ্গলখালী গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
২৮ আগস্ট শুক্রবার মঙ্গলখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ চত্বরে সংবর্ধনা বাস্তবায়ন পরিষদ, এলাকাবাসী ও মুসল্লীবৃন্দের আয়োজনে মঙ্গলখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা জমির উদ্দীন এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেখা গেছে এই বিরল সম্মানের অনন্য দৃশ্য।
অনুষ্ঠানে মঙ্গলখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোলায়মান এফ সির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন মঙ্গলখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা জমির উদ্দীন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব মাওলানা শাহ আলম, মাওলানা এহছান উল্লাহ, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, মাওলানা জসিম উদ্দিন, আব্দুল মোনাফ কোম্পানী,লিয়াকত আলী, হাফেজ আবদুল আজিজ, ,রাশেদ সরোয়ার, ফিরোজ মিয়া ও জয়নুল আনোয়ার চৌধুরী রিটুল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংবর্ধনা বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন।
প্রবাসী সংগঠক শফিকুল হাসান রাশেদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন নাসিম উদ্দিন চৌধুরী, নেছার উদ্দিন, মুসনাত হাসান, মুহাম্মদ ইউসুফ, মানিক ও ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম, মাওলানা মুনির উদ্দীন, হাফেজ মহিউদ্দিন প্রমুখ। সম্মাননা পত্র পাঠ করেন সাংবাদিক ক ম জামাল উদ্দীন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অভিভাবকের বিদায়ী মুহূর্তে স্মৃতিচারন করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। অতিথিরাও আবেগাপ্লুত হলেন। খতিব হিসেবে শেষ বারের মতোন চিরচেনা মঙ্গলখালী মসজিদ চত্বরে মাইক্রোফোনের সামনে কিছু বলতে গিয়েই বারবার চোখ মুছছিলেন মাওলানা জমির উদ্দিন। এ সময় কয়েক শতাধিক মুসল্লী চোখে জল। ক্রেস্ট, উপহার অর্পণ শেষে দলবদ্ধ হয়ে শত শত মুসল্লী হুজুরকে বিদায় দিয়ে আসলেন মসজিদ থেকে কয়েক কিলোমিটার দুরত্বের গ্রামের বাড়ি পর্যন্ত।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : রাতের নীরবতায় একটি মুঠোফোনের পর্দায় ভেসে উঠেছিল বাবার কাছে পাঠানো মেয়ের শেষ আকুতি। নিজের অবস্থান...বিস্তারিত
পটিয়া প্রতিনিধি : : স্বামীর দুটি কিডনি অকেজো। নিয়মিত চিকিৎসা ও রক্ত নেওয়ার মধ্য দিয়ে কাটছে তাঁর দিন। এমন প্রতিকূলতার à...বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের শহর কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীদের নিত্যদিনের à...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি বাহিনীর নাম বদলানো যায়, বদলানো যায় পোশাক ও প্রতীকও। কিন্তু বদলানো যায় কি তার কর্মসংস্কৃতি, ক্à¦...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার একজন শিক্ষক ১৬ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন। কোনো পদোন্নতির জন্য নয়, বিশেষ কোনো সুবà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা &ls...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited