শিরোনাম
চৌধুরী মনি :: | ০৮:৩৪ পিএম, ২০২১-১০-০৪
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য বিভাগের খাদ্য পরিবহন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগের দরপত্র আহবান বন্ধ থাকায় এই খাতে সরকার হারাচ্ছেন রাজস্ব। এছাড়া চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের স্ত্রী, সন্তান ও শ^শুড়- শ^াশুড়ির নামে রয়েছে শতাধিক ঠিকাদারী লাইসেন্স। চাকুরির ফাঁকে এসব লাইসেন্সের মাধ্যমে কতিপয় কর্মকর্তারা লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পর পর দরপত্রের মাধ্যমে পরিবহন ঠিকাদার দেওয়ার কথা ছিল। এই নিয়মের তোয়াক্কা না করেই আগের নিয়োগ দেওয়া ঠিকাদারদের তিন মাস পর পর মেয়াদ বাড়িয়ে চলছে খাদ্য পরিবহনের কাজ।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জহিরুল ইসলাম খান বলেন, সব ধরনের নিয়ম মেনেই খাদ্য সরবরাহের কাজ চলমান রয়েছে। আগের ঠিকাদারদের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী খাদ্য পরিবহন সরবরাহ চলছে। তাদের চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মেয়াদ শেষ হলে নতুন করে দরপত্র আহবান করে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হবে। ঠিকাদার নিয়োগে কোন প্রকার অনিয়ম হলে তার যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ৪৬৯ জন ঠিকাদারের বেশীর ভাগই এই কার্যালয়ের কর্মকর্তা- কর্মচারিদের আত্মীয়- স্বজন। এসব ঠিকাদারদের জন্য ইস্যু করা এই পরিবহন ঠিকাদারদের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২০২০ সালের জুন মাসেই। ৪৬৯ জন পরিবহন ঠিকাদারদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে প্রতি তিন মাস পর পর মেয়াদ বাড়িয়ে দেদারসে চলছে খাদ্য বিভাগের পরিবহন কার্যক্রম। দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় এই খাতে বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব আয় থেকে। দূরত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিবেচনা করে ঠিকাদারদের মাইলপ্রতি পরিবহন ভাড়া পরিশোধ করে খাদ্য বিভাগ। আগের নিয়োগ দেওয়া প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স তিন মাস পরপর সাময়িক নবায়ন দেখিয় খাদ্যশস্য পরিবহনের কাজ চলমান রেখেছে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য দপ্তর।
সূত্র জানিয়েছেন, খাদ্যশস্য পরিবহনে রয়েছে বড় ধরনের পুকুর চুরি। বিভিন্ন খাদ্য গুদাম থেকে পরিবহন ঠিকাদাররা খাদ্যশস্য গন্তব্যে না পৌঁছিয়ে সম্পূর্ণ অনিয়মের মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজশে ভাড়া ভাগভাটোয়ারা করে নেয়া হচ্ছে। খাদ্যশস্য গুলো আগেভাগেই খাদ্য ঠিকাদারদের নির্দিষ্ট ডিলারের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট স্থানের জন্য বরাদ্দ খাদ্যশস্য ডিলারদের কাছে আগেভাগেই বিক্রি করে দেওয়া হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। ডিলারদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া এসব খাদ্যশস্য পুনরায় পরিবহন দেখিয়ে পরিবহন ঠিকাদারদের মাধ্যমে পরিবহনের ডকুমেন্ট তৈরি করে ভূয়া চালান তৈরি করে পরিবহন ভাড়া লুটপাট করা হচ্ছে খাদ্য বিভাগ থেকে। বছরের পর বছর ধরে এই নিয়ম চালু রেখে খাদ্য বিভাগের পরিবহন খাতে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খাদ্য পরিবহন কার্যক্রমকে ঘিরে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য বিভাগে চলছে রীতিমতো পুকুর চুরির ঘটনা। এছাড়া খাদ্য বিভাগে বেশ কয়েকজন রয়েছেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন পত্রিকায় কর্মরত সংবাদকর্মীদের পরিবহন ঠিকাদারী লাইসেন্স। পত্রিকার দাপট কাটিয়ে এসব সংবাদ কর্মীরা খাদ্যশস্য পরিবহনের কাজ ভাগিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পত্রিকা ও জাতীয় পত্রিকার বেশ কয়েকজন সংবাদ কর্মী খাদ্য বিভাগে পরিবহন ঠিকাদার সেজে এই বিভাগের সব ধরনের অনিয়ম দুর্নীতর সাথে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবহন ঠিকাদারদের সাথে জেলা ও উপজেলার খাদ্যশস্য বেচাকেনার ডিলারদের গোপন যোগসাজশ থাকায় পরিবহন ঠিকাদাররা খাদ্যশস্য পরিবহন না করেই চট্টগ্রাম শহরে খাদ্যশস্য বিক্রি করে দিয়ে পবিহন ভাড়া আদায় করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজস্ব আদায়ে সরকারের বারোটা বাজিয়ে আঙ্গুল নিজেদের পকেট ভারী করার তালে রয়েছেন খাদ্য বিভাগের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা- কর্মচারিরা এমন অভিযোগ যুগ যুগ ধরে চললেও এদের বিরুদ্ধে নেই কার্যকরী কোন উদ্যোগ এমন মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited