শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯:৪৯ পিএম, ২০২২-০৬-২২
নগরীর পরিত্যক্ত ‘মুক্তিযোদ্ধা ভবন’ (সাবেক দারুল ফজল মার্কেট) পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।
বুধবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ ও জেলা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলুসহ মুক্তিযোদ্ধাকে সাথে নিয়ে তিনি জরাজীর্ণ এ ভবনটি পরিদর্শন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা কমান্ডার আবুল কাশেম চিশতী, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, সহকারী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), সহকারী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, সহকারী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, জেলা ইউনিটের সহকারী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা একেএম আলাউদ্দিন, সহকারী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা বোরহান উদ্দিন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম স্বাক্ষী কাজী নুরুল আবছার, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শফর আলী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্যানেল মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন, সাবেক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, মহানগর কমান্ডারের সমন্বয়কারী মুক্তিযোদ্ধা ছালামত উল্লাহ, কোতোয়ালী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সৌরিন্দ্র নাথ সেন, চান্দগাঁও কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কুতুব উদ্দিন, পাঁচলাইশ কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আহমদ মিয়া, খুলশী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউছুফ, আকবর শাহ’র ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধ মোঃ নূর উদ্দিন, হালিশহরের ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, খুলশীর ডেপুটি কমান্ডার লেয়াকত হোসেন, সহকারী কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মাঈনুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে-প্রশান্ত কুমার সিংহ, প্রণাল চৌধুরী, সোবহান পারভেজ, সৈয়দ আবদুল গণি, মোঃ আবদুর রব কায়েস, মোঃ ফারুক,, চসিক’র সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহীন আক্তার রোজী প্রমূখ।
ভবন পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক বলেন, তিন তলা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ভবনটি অনেক পুরনো। বর্ষাকালে ছাদ ছুঁইয়ে পানি পড়ে। এখানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর-জেলা ইউনিট কমান্ড ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম মহানগরের দলীয় কার্যালয়ের পাশাপাশি নীচে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো বর্তমানে ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। মুক্তিযোদ্ধা ভবনটি যে কোন মুহুর্তে ভেঙ্গে পড়তে পারে। ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রথমে এ ভবনটি দিয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর এটি বেহাত হয়ে যায়। পরিত্যক্ত এ ভবনটি নতুন করে নির্মাণের লক্ষ্যে শীঘ্রই আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করা হবে। বৈঠকে তারা সকলে একমত পোষণ করলে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে একটি ডেভেলপার কোম্পানীকে দিয়ে শীঘ্রই এ ভবনটি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণের প্রস্তাব দেয়া হবে। সাময়িক অসুবিধা হলেও ভবনটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে এখানে থাকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়সহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পূনঃরায় তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী রোববার (২৬ জুন) পরিত্যক্ত মুক্তিযোদ্ধা ভবনের তৃতীয় তলা সীলগালা করে দেয়া হবে। একইসাথে বিল্ডিংয়ের ছাদে রক্ষিত বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সরানোর ব্যবস্থা করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা ভবনটি নির্মিত হলে সর্বাগ্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা তাদের কার্যালয় পাবে।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited