শিরোনাম
খবর বিজ্ঞপ্তি | ০৬:৫৫ পিএম, ২০২৬-০৬-২৩
চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস রেলওয়ে কলোনিতে অবৈধ দখল, চাঁদাবাজি, লুটপাট, সাংবাদিকের ওপর হামলা এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীর গর্ভপাতের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে কথিত ‘গডফাদার’ মেলা সুজন ও তার সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে। আজ সোমবার ২২ জুন দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম একাডেমি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন কলোনির ভুক্তভোগী ও সাধারণ বাসিন্দারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, একসময়ের চা বিক্রেতা সুজন (পিতা- মো. নাছির) বর্তমানে রেলওয়ে কলোনির অঘোষিত গডফাদার। সে এবং তার অর্ধশতাধিক সদস্যের সন্ত্রাসী বাহিনী সরকারি কোনো অনুমতি ছাড়াই রেলের প্রায় শতাধিক পরিত্যক্ত কোয়ার্টার দখল করে মাসিক ৫ হাজার টাকা করে ভাড়াবাণিজ্য চালাচ্ছে। পাওয়ার হাউসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এসব কোয়ার্টারে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সুজন নিজেকে বর্তমানে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও সে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলার (সিআর মামলা নং- ২৮৪৯/২০২৪) ১৮৫ নম্বর আসামি। তার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তারই ছোট ভাই সালমান ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ থেকে ভোল পাল্টে বিএনপিতে যোগ দিয়েছে। তাদের এই বাহিনীতে ফেক্সি বাবু, অটো সুমন, রিকশাচালক সবুজ, মনির, কালুসহ একাধিক চিহ্নিত অপরাধী রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সুজন বাহিনীর রোমহর্ষক নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়। ভুক্তভোগীরা জানান, গত ৯ জুন ভোরে নওমুসলিম অন্তঃসত্ত্বা নারী সুমির বাসায় হামলা চালায় সুজন ও তার দলবল। এ সময় সুজনের নির্দেশে সন্ত্রাসীরা সুমির পেটে লাথি মারে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে। খোদ সুজন সুমির পেটের ওপর পা দিয়ে মামলা তুলে না নিলে সপরিবারে হত্যার হুমকি দেয়। এই নির্মম নির্যাতনের কারণে পরদিন ১০ জুন সুমির আড়াই মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। এর আগে গত ২০ মে মেঘনা নামে আরেক অন্তঃসত্ত্বা নারীকেও পেটে লাথি মেরে আহত করে এই বাহিনী, যার কারণে তাকে তিন দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়।
পুলিশ প্রশাসন, বিশেষ করে খুলশী থানার বিরুদ্ধে চরম নিষ্ক্রিয়তা ও অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। গত ১৮ ও ২০ এপ্রিল শাহাদাত হোসেন সৈকত নামের এক বাসিন্দাকে কুপিয়ে জখম এবং তার বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ লাখ টাকার মালামাল লুট করে সুজন বাহিনী। এসব হামলার সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে সরবরাহ করায় স্থানীয় এক সংবাদকর্মী ও তার পরিবার সুজন বাহিনীর রোষানলে পড়েন।
ওই সংবাদকর্মী লিখিত বক্তব্যে জানান, পুলিশকে ফুটেজ দেওয়ায় তার সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। সন্ত্রাসীদের ভয়ে চট্টগ্রাম কলেজে পড়ুয়া তার ছোট বোন বর্তমানে গৃহবন্দী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একাধিক মামলা ও জিডি হওয়ার পরও পুলিশ রহস্যজনকভাবে নীরব। গত ১৭ জুন একটি মামলায় জসিম নামে এক আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও সেদিনই সে টাকার জোরে জামিন পেয়ে যায় এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও খুলশী থানার এসআইকে হুমকি প্রদান করে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে অবিলম্বে এই সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা, অবৈধভাবে দখলকৃত রেলওয়ে কোয়ার্টারগুলো উদ্ধার, নারী ও শিশু নির্যাতনের দ্রুত বিচার, সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়। অন্যথায় এলাকাবাসী আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। খবর বিজ্ঞপ্তি।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited