শিরোনাম
স্টাফ রিপোর্টার : | ০৪:৫৪ পিএম, ২০২৬-০৬-১০
আর এক দিন পরেই বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হচ্ছে। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরুর আগে দেশে দুই লাখ ২২ হাজার জার্সি আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে ৯৮ শতাংশই এসেছে চীন থেকে। কিন্তু বাজারে বিক্রি হওয়া বিদেশি জার্সির বেশির ভাগেই লেখা ‘মেড ইন থাইল্যান্ড’। আমদানি তথ্য ও বাজারের এই বৈপরীত্য এখন কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপের আগে গত পাঁচ মাসে ২৪টি দেশ থেকে দুই লাখ ২২ হাজার জার্সি আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখ ১৭ হাজার জার্সিই এসেছে চীন থেকে। অর্থাৎ আমদানি হওয়া জার্সির প্রায় ৯৮ শতাংশের উৎস চীন। কিন্তু বাজারের চিত্র ভিন্ন। চট্টগ্রামের স্টেডিয়াম মার্কেট, নয়াবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিদেশি জার্সির বেশির ভাগের লেবেলে লেখা ‘মেড ইন থাইল্যান্ড’। অথচ এনবিআরের কাছে থাইল্যান্ড থেকে জার্সি আমদানির কোনো তথ্য নেই। চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম মার্কেটের গ্রিন স্পোর্টসের স্বত্বাধিকারী ইয়াছিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা দেশি ও বিদেশি—দুই ধরনের জার্সি বিক্রি করেন। তবে যেসব বিদেশি জার্সি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর বেশির ভাগেই থাইল্যান্ডে তৈরি বলে উল্লেখ রয়েছে। একই চিত্র দেখা যায় নয়াবাজারের ‘জার্সি প্লাস বিডি’ স্টোরে। দোকানটির এক বিক্রেতা বলেন, তাঁদের বিদেশি জার্সিগুলোর গায়েও ‘মেড ইন থাইল্যান্ড’ লেখা রয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, চীন থেকে আমদানি হওয়া অনেক জার্সিতে ‘মেড ইন থাইল্যান্ড’ লেখা দেখা যায়। তাঁদের ধারণা, থাই জার্সির বাজার-সুনামের কারণে এই লেবেল ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। বিক্রেতারা জানান, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮ দলের মধ্যে বাংলাদেশের বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির। এরপর রয়েছে পর্তুগাল, স্পেন ও ফ্রান্সের জার্সি। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, চীন থেকে আমদানি হওয়া অনেক জার্সিতে ‘মেড ইন থাইল্যান্ড’ লেখা দেখা যায়। তাদের ধারণা, থাই জার্সির বাজার-সুনামের কারণে এই লেবেল ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।
দেশি জার্সির দাপট
স্টেডিয়াম মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি হওয়া জার্সির বাইরে স্থানীয় বাজারে বিপুল পরিমাণ দেশীয় জার্সি বিক্রি হচ্ছে। ফলে দুই লাখের বেশি জার্সি আমদানি হলেও সেটিকে খুব বড় সংখ্যা বলে মনে করছেন না তাঁরা। ব্যবসায়ীদের মতে, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও এখানে ফুটবল সমর্থকের সংখ্যা বিপুল। সেই চাহিদার বড় অংশই পূরণ করছে দেশীয় তৈরি জার্সি। ইয়াছিন ভূঁইয়া বলেন, সবচেয়ে বেশি চাহিদা আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির। দেশীয় জার্সি ২৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিদেশি জার্সির দাম শুরু ৯০০ টাকা থেকে।
কমেছে আমদানি
বিশ্বকাপ উপলক্ষে জার্সি আমদানিকারকদের মধ্যে স্পোর্টসওয়্যার ব্যবসায়ীরাই এগিয়ে। এর পাশাপাশি বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের জার্সিও আসছে। ডিবিএল লাইফস্টাইল, যা বাংলাদেশে পুমার আউটলেট পরিচালনা করে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে পুমা ব্র্যান্ডের ১২১টি জার্সি আমদানি করেছে। তবে গত বিশ্বকাপের তুলনায় এবার জার্সি আমদানি কমেছে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের আগে পাঁচ মাসে দুই লাখ ৮৫ হাজার জার্সি আমদানি হয়েছিল। সে হিসাবে এবার আমদানি কমেছে প্রায় ২৯ শতাংশ। বসায়ীদের মতে, স্থানীয় কারখানাগুলো বিশ্বকাপকে ঘিরে বিপুল পরিমাণ জার্সি তৈরি করেছে। কম দামের দেশীয় পণ্যেই চাহিদার বড় অংশ পূরণ হচ্ছে। ফলে বিদেশি জার্সি আমদানির প্রয়োজনও কমেছে।
স্পোর্টস ডেস্ক : : বরুন দে বাপ্পী, ফেনী-কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি: ড্যালাসের আকাশ জুড়ে তখন বিষাদের কালো মেঘ। রেফারি...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরুন দে বাপ্পী লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হল্যান্ড—এই তিনজন খেলোয়াড়কে আসলে কোনো সাà...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে পাহাড়-হ্রদের শহর রাঙ্গামাটিতে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ। প্রিয় দল আর্জ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং জমকালো আসরের পর্দা উঠতে যাচ্ছে উত্তর আমেরিকায়। এবারই প্রথম...বিস্তারিত
স্পোর্টস ডেস্ক : : ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশিদের সমর্থন চেয়েছেন ঢাকায় অবস্থিত নরওয়ে দূতাবাস। মঙà§...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বরুন দে বাপ্পী, ফেনী জেলা প্রতিনিধি ফুটবল বিশ্বকাপের সবশেষ চার আসরেই সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited