শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:৩১ পিএম, ২০২৬-০২-১০
জেলার ১৬টি আসনের মধ্যে দক্ষিণ চট্টগ্রামে রয়েছে ৫টি। এর মধ্যে দুইটি আসনে নির্ভার বিএনপির প্রার্থীরা। তবে অন্য তিনটি আসনে কঠিন লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির। যে দুইটি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা নির্ভার তারা হলেন, চট্টগ্রাম-১২ আসনে এনামুল হক এনাম ও চট্টগ্রাম-১৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম। যে তিনটি আসনে তুমুল লড়াই হবে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপির জসিম উদ্দীনের সঙ্গে জামায়াত জোটের এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুকের সাথে, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরীর। চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামীর জহিরুল ইসলাম ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী লেয়াকত আলী চৌধুরীর। জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক ২০১৮ সালের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এছাড়াও দেড় দশক ধরে তিনি পটিয়া বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফলে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক জনসমর্থন ও পরিচিত রয়েছে। বিপরীতে অন্য প্রার্থীরা ভোটের মাঠের মতো এলাকাবাসীর কাছে নতুন মুখ। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ফরিদুল আলম, আপেল প্রতীকে ইনসানিয়াত বিপ্লবের আবু তালেব হেলালী, মোমবাতি প্রতীকে ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নুর ও ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন মাঠে আছেন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ আসনের বিএনপির প্রার্থী তিনবারের এমপি ছিলেন। ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতিও। বিএনপির পুরোনো ঘাঁটি এবার পুনরুদ্ধারে বিএনপি জোর চেষ্টা করছেন। বিপরীতে এ আসনে বিএনপির প্রধান প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান ও সুন্নি ত্বরিকার ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এসএম শাহজাহান। দুইজন ভোটের মাঠে নতুন হলেও তাদের নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে। এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের মুজিবুর রহমান, আপেল প্রতীকে ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল মোস্তফা, সিংহ প্রতীকে এনডিএমের মোহাম্মদ এমরান ও লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ দুই আসনে বিএনপির প্রার্থীরা নির্ভার থাকলেও কঠিন লড়াই হবে তিনটি আসনে। যেগুলোতে ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা, এসব আসনে জয় নিশ্চিতে ঘাম ঝরাচ্ছেন প্রার্থীরা। চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি একসময় বিএনপি পরে এলডিপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু এবার ভোটের মাঠে এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ না থাকার কারণে পাল্টে গেছে পুরোনো সেই চিত্র। এ আসনে এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুকের সাথে বিএনপির জসিম উদ্দীন আহমদের সাথে মূল লড়াই হবে। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামী এলডিপিকে সমর্থন দিলেও বিপরীত শিবিরের বিএনপি প্রার্থীকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকা বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীকে। ফলে এ আসনে এলডিপির জয়ের ধারা ছিনিয়ে আনতে বেশ তৎপরতা চালাচ্ছেন বিএনপির জসিম উদ্দিন আহমদ। তবে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে বিজয়ের পথ কঠিন হবে। আসনটিতে অন্য প্রার্থীরা হলেন- আপেল প্রতীকে ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ, মোমবাতি প্রতীকে ইসলামী ফ্রন্টের সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের আবদুল হামিদ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী ও ফুটবল প্রতীকে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরী। চট্টগ্রাম-১৫ আসনটি জামায়াতের ঘাঁটি। এ আসনে বিগত সব নির্বাচনে দলটি বিএনপি জোটের সাথে জোটবদ্ধ থাকার কারণে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিল না। ফলে এবারই প্রথম ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছে এ আসনটি। ফলে এ আসনে আগামী নির্বাচনে পাল্টাতে পারে ভোটের চিত্র। একই সাথে লোহাগাড়া উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন। ফলে ভোটের মাঠে আঞ্চলিকতার প্রভাবে জামায়াতের ঘাঁটিতে ধানের চাষাবাদের স্বপ্ন দেখছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ আসনে অভিজ্ঞ জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীর সামনে আছেন বিএনপির প্রার্থী ভোটের মাঠে নবীন নাজমুল মোস্তফা আমিন। এছাড়াও এ আসনে হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের শরীফুল আলম চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চট্টগ্রাম-১৬ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ আসনে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন বিএনপির তিনবারের এমপি ও মন্ত্রী জাফরুলর ইসলাম চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জহিরুল ইসলাম ও ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির নেতা লেয়াকত আলী চৌধুরী। এ দুইজনকে টপকিয়ে ভোটের মাঠে বাবার মতো জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে বেশ কঠিন হবে তাঁর। এ আসনে অন্যরা হলেন, ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের আরিফুল হক, হারিকেন প্রতীকে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক, চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্টের আব্দুল মালেক, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহুল্লাহ। চট্টগ্রাম দক্ষিণের পাঁচটি সংসদীয় আসনের বিষয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইদ্রিস মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার পটিয়া আর আনোয়ার ও কর্ণফুলী সংসদীয় আসনে বিজয় সুনিশ্চিত। আমাদের বাঁশখালীতে ত্রিমুখী ভোট পড়বে, সেখানেও বিএনপি এগিয়ে থাকবে। এছাড়াও চন্দনাইশে আমাদের প্রার্থী এগিয়ে আছে। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় জামায়াতের প্রার্থীর বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে এখন বিএনপি প্রার্থীর অবস্থা ভালো রয়েছে।
মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে যোগদান করে...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত
বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত
আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার শাহ সোবাহানিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের ইট à¦...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদমে দুর্গম সীমান্ত এলাকার চিকিৎসাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited