শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:১৩ পিএম, ২০২৬-০২-২৫
স্পষ্ট করে বলতে চাই, এখানে কোনো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের আমরা স্পেস দিতে চাই না। যারা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি করবে, তাদের বিরুদ্ধে ইনশাআল্লাহ অ্যাকশন চলবে। সারা পৃথিবীতে মুসলিম দেশগুলোতে ব্যবসায়ীরা রমজান মাসে ভর্তুকি দিয়ে পণ্য বিক্রি করেন। অনেক সময় সৌদি আরবসহ বেশ কিছু মুসলিম দেশে আমরা দেখি রোজাদারদের বিনামূল্যে খাবারসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করেন ব্যবসায়ীরা।
এখানেও আহ্বান থাকবে, এই নৈতিকতায় রোজাদারদের সুবিধার্থে ব্যবসায়ীরা অনেক কিছু করতে পারেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মেয়র।
পরিদর্শনকালে মেয়র বাজারের বিভিন্ন আড়ত ও পাইকারি প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন এবং চাল, ডাল, চিনি, তেল, ছোলা, খেজুরসহ রমজানকেন্দ্রিক নিত্যপণ্যের মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। তিনি ব্যবসায়ীদের পণ্যের দামের তালিকা দৃশ্যমান স্থানে রাখার নির্দেশনা দেন।
পরে খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে সংগঠনের কার্যালয়ে মতবিনিময় করেন।
মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, রোজার মাসে জনভোগান্তি কমাতে পণ্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানিয়েছি। কিছু অসঙ্গতি চোখে পড়েছে। এ বিষয়ে আমরা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি।
সতর্কতা মেনে সংশোধন না হলে তখন আমরা ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
রোজার মাসে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা, অযৌক্তিক কারণে দাম বাড়ানো কিংবা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা সহ্য করা হবে না বলে সতর্ক করেন মেয়র। তিনি বলেন, ফুটপাত দখল ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ‘আইন লঙ্ঘনের শামিল’। নগরবাসীর স্বার্থে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, বড় যেসব বাজার যেমন কাজীর দেউড়ি, চকবাজার, বহদ্দারহাট বাজার, পাহাড়তলী বাজার এগুলো আমরা মনিটরিং করছি।
এমনভাবে খুচরা বাজারে বিক্রি করা যাবে না যাতে করে দরের তারতম্য অনেক বেশি হয়। সবদিক বিবেচনা করেই আমরা কাজগুলো চালাচ্ছি।
পাইকারির পাশাপাশি খুচরা বাজারও পর্যবেক্ষণ করা হবে জানিয়ে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, পাইকারির সঙ্গে খুচরা বাজারের তারতম্য থাকতে হবে মিনিমাম। এটা ম্যাক্সিমাম যেন না হয়। মনিটরিং এর মাধ্যমে বাজার দর স্থিতিশীল রাখা আমাদের উদ্দেশ্য।
এদিকে, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ইফতারি সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করার দায়ে দুই হোটেলকে জরিমানা করেছে চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার নগরের পাঠানটুলী চৌমুহনী মোড় এলাকায় চসিকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ইফতারি সামগ্রী তৈরি, খাবারে ক্ষতিকর টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করা ও রাস্তা দখল করে খোলা অবস্থায় অস্বাস্থ্যকর ভাবে ইফতারি বিক্রি করার অপরাধে পাঠানটুলী চৌমুহনী মোড়ের হানিফ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা ও মাওলানা হোটেল অ্যান্ড বিরিয়ানি হাউসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited