শিরোনাম
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম | ০৭:১৬ পিএম, ২০২৬-০১-১০
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-সংরক্ষক এবং পায়রা বন্দরে সংযুক্ত কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে কেন্দ্র করে একটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে। দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম, নথিভিত্তিক সাফল্য এবং একাধিক নিরপেক্ষ তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পরও তাকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে—যা নিয়ে বন্দর ও নৌ-পরিবহন সংশ্লিষ্ট মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফরিদুল আলম চট্টগ্রাম বন্দরের একজন অত্যন্ত দক্ষ ও সফল কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। তার পেশাগত দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে স্বীকৃত। তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার অগ্রযাত্রা ও পদোন্নতির সম্ভাবনা সহ্য করতে না পেরে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য সরবরাহ করে গণমাধ্যমে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০১৩ সালে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলেও পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনি হারবার মাস্টার পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে উপ-সংরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পান। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের ‘কাণ্ডারী-৮’ জাহাজের একটি মেরামত কাজকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ তোলা হলেও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যাচাইয়ে সেটিও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য পদে পদোন্নতির জন্য আবেদন করলে একটি দুষ্টচক্র তার উত্থান ঠেকাতে প্রতিহিংসামূলক তৎপরতা শুরু করে বলে অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দুই দফা তদন্তে ছাড়পত্র পাওয়ার পরও একই অভিযোগ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে উপস্থাপন করা হচ্ছে—যাকে সংশ্লিষ্টরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন।
দুদকের দুই দফা তদন্তে অভিযোগের ভিত্তিহীনতা:
সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, বেনামী ও অভিযোগভিত্তিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০২২ ও ২০২৪ সালে পৃথক দুই দফা তদন্ত পরিচালনা করে। উভয় তদন্তেই ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এরপরও একই অভিযোগ পুনরাবৃত্তি করে গণমাধ্যমে প্রচার হওয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় অবদান:
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম একজন অভিজ্ঞ মাস্টার মেরিনার এবং আন্তর্জাতিক শিপিং খাতে পরিচিত পোর্ট অপারেশন বিশেষজ্ঞ। আন্তর্জাতিক বন্দর নিরাপত্তা কোড (ISPS Code) বাস্তবায়নে তার ভূমিকার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসে। চ্যানেল ব্যবস্থাপনা, স্যালভেজ অপারেশন এবং জাহাজ চলাচল পরিকল্পনায় তার পেশাগত অবদান বন্দর কর্তৃপক্ষের নথিতে সংরক্ষিত রয়েছে।
জাহাজ দুর্ঘটনা ও নিয়োগ বিতর্ক: নথি যা বলছে
MV GLADYS, MV EXPRESS SUEZসহ বিভিন্ন জাহাজসংক্রান্ত ঘটনায় তাকে দায়ী করার যে প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও প্রশাসনিক যাচাইয়ে তার প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। একইভাবে পাইলট নিয়োগ ও ঠিকাদারি কাজ সংক্রান্ত অভিযোগগুলোও বিধিমালা অনুযায়ী যাচাইয়ে ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
পদোন্নতি ইস্যুতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব:
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য পদে ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলমের পদোন্নতির বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা ও সুপারিশ থাকলেও পরবর্তীতে নানা জটিলতায় বিষয়টি থমকে যায়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এখানে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার চেয়ে অভ্যন্তরীণ স্বার্থসংঘাত ও প্রতিহিংসার ভূমিকা বেশি।
বন্দর ব্যবস্থাপনা ও সামুদ্রিক প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অভিযোগের ধারাবাহিক প্রচার শুধু ব্যক্তিগত সুনাম নয়, দেশের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তারা মনে করেন, নথিভিত্তিক তদন্ত উপেক্ষা করে অপপ্রচার চালানো দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও সুশাসনের পরিপন্থী।
দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একাধিক তদন্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পরও ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে ঘিরে অপপ্রচার অব্যাহত থাকাকে গভীর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের মূল্যায়নে তথ্য, নথি ও প্রমাণই একমাত্র মানদণ্ড হওয়া উচিত।
আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত
মো.আরফান উদ্দীন : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited