শিরোনাম
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি | ০৮:০৩ পিএম, ২০২৬-০৮-১৯
রাঙামাটিতে রুট পারমিটবিহীন মালবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহন বন্ধের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি ও চট্টগ্রাম বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন। দাবি বাস্তবায়নে আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ২০ আগস্ট ২০২৬ থেকে রাঙামাটি থেকে বিভিন্ন দূরপাল্লার রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠন দুটি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, পিপিএম এবং স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো. মোবারক হোসেনের কাছে পৃথকভাবে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি রুটসহ রাঙামাটি থেকে খাগড়াছড়ি, মহালছড়ি, নানিয়ারচর, বান্দরবান ও রাজস্থলীসহ বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে সমিতিভুক্ত বাস ও মিনিবাসগুলো। একই সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে যাতায়াত এবং রাঙামাটির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরিবহনেও এসব যানবাহন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তবে সম্প্রতি রাঙামাটি নিউ মার্কেট এলাকা থেকে রুট পারমিটবিহীন ছোট ছোট মালবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো। তাদের দাবি, যাত্রী পরিবহনের অনুমোদন না থাকা এসব মালবাহী গাড়িতে অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সড়ক পরিবহন আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘনের আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
সংগঠন দুটির অভিযোগ, বৈধভাবে রুট পারমিট নিয়ে যাত্রী পরিবহনকারী বাস-মিনিবাসগুলো বিভিন্ন নিয়ম-কানুন মেনে চলাচল করলেও রুট পারমিটবিহীন মালবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহনের কারণে বৈধ পরিবহন ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে রাঙামাটি নিউ মার্কেটসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় রুট পারমিটবিহীন মালবাহী গাড়িতে অবৈধভাবে যাত্রী পরিবহন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী ২০ আগস্ট ২০২৬ থেকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি-মহালছড়ি, রাঙামাটি-নানিয়ারচর, রাঙামাটি-বান্দরবান ও রাঙামাটি-রাজস্থলীসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা বলছেন, তারা কোনো ধরনের সংঘাত বা যাত্রী দুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। বরং বৈধ পরিবহনব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সড়কে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চান। তাদের প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং সম্ভাব্য পরিবহন ধর্মঘটের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে।
আমাদের ডেস্ক : : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়à...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : এস.এফ.এম. মোস্তাঈন বিল্লাহ: একজন কর্মকর্তা আসেন, দায়িত্ব পালন করেন এবং একদিন বদলির আদেশ নিয়ে চলে যা...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : আদালত প্রাঙ্গণে টাউট-বাটপার ও দালালদের প্রতারণা প্রতিরোধ এবং বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে সচেতà¦...বিস্তারিত
খবর বিজ্ঞপ্তি : আনোয়ারা-কর্ণফুলী বর্তমানে চট্টগ্রামের দ্রুত পরিবর্তনশীল অঞ্চল সমূহের মধ্যে অন্যতম। পরিকল্পিত উ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : কক্সবাজারের টেকনাফ পাহাড়ি অঞ্চল অপহরণকারী ও ডাকাত দলের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়েছে...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited