শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭:৫১ পিএম, ২০২৬-০৪-২৭
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) ব্যবস্থার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসা করে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড অফিস। এতে উপকৃত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে প্রায় ৩ কোটি টাকা আদায় করে দেওয়া হয়েছে ভুক্তভোগীদের।
চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে এডিআরের মাধ্যমে মোট ১ হাজার ৬৯৬টি আবেদন দায়ের করা হয়।
এর মধ্যে দেওয়ানি ৩৩৭টি, ফৌজদারি ৩৪২টি এবং পারিবারিক ১ হাজার ১৭টি। এসব আবেদনের মধ্যে ১ হাজার ২৪০টি বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
এর মধ্যে দেওয়ানি ২৫৮টি, ফৌজদারি ২৮৮টি এবং পারিবারিক ৬৯৪টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪৯৮ টাকা আদায় করে ভুক্তভোগীদের দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আদালতে চলমান মামলার মধ্য থেকে ৭৫টি মামলা আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে।
জানা যায়, আইনি পরামর্শ নিয়েছেন ১৮৪ জন (নারী ৯৩, পুরুষ ৯১)। সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পেয়েছেন নারী ১ হাজার ৮ জন, পুরুষ ১ হাজার ১২১ জন এবং শিশু ২০ জন। একই সময়ে বিনা বিচারে কারাগারে আটক ৬০১ জন বন্দিকে আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। মোট ৫৭৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত চলমান মামলার মধ্যে দেওয়ানি ৯২৯টি, ফৌজদারি ২ হাজার ৩টি, পারিবারিক ২ হাজার ৬৬১টি এবং অন্যান্যসহ মোট ৫ হাজার ৪৭১টি রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’। আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানান সামাজিক-অর্থনৈতিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ মানুষকে আইনি সহায়তা দিতে সরকার ২০১৩ সালের এই দিনটিকে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ ঘোষণা করে।
চট্টগ্রাম জেলার লিগ্যাল এইড অফিসার সুব্রত দাশ বাংলানিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মূল উদ্দেশ্য হলো বিচারপ্রার্থীদের জন্য সহজ, দ্রুত ও বিনামূল্যে আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং দেশে মামলার জট কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখা। এ লক্ষ্যেই সরকার লিগ্যাল এইড কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আদালতে মামলার চাপ কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে ২০০০ সালের আইন সময়োপযোগী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে সংশোধন করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের এই আইনি সহায়তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সব শ্রেণি-পেশা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছে এই সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে মূলত তিন ধরনের সেবা দেওয়া হয়- আইনি পরামর্শ, এডিআরের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং দেওয়ানি, ফৌজদারি ও পারিবারিক মামলায় সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ছে এবং ধীরে ধীরে মামলার জট কমানো সম্ভব হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেদ্দা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক যাত্রীর কাছ থেকà...বিস্তারিত
চবি প্রতিনিধি : : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন ২০২৬ এর ৪ ধারা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পূর্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সিএমপির উদ্যোগে তিনদিন মেয়াদি ওয়াচার কনস্টেবলদের ‘দক্ষতা উন্নয়ন কো...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : আহমদ উল্লাহ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থ বা ইচ্ছার ভিত্তিতে...বিস্তারিত
আবদুল্লাহ মজুমদার : : আবদুল্লাহ মজুমদার : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মাওলানা মোহাম্মদ মনি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited