শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:৩১ পিএম, ২০২৬-০৪-২৮
মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে বহাল থাকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে মুখ খুললেন ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, আদালত তাকে বৈধ মেয়র হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তার দাবি, আদালতের আদেশে তার মেয়াদ ২০২৯ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। এই আদেশ রদ করতে হলে আদালতের আরেকটি আদেশ লাগবে। আর যে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেটি হচ্ছে অবৈধ মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর। এ বিষয়ে আইন ও এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে আইনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এসব কথা জানান সিটি মেয়র শাহাদাত। মূলত সিটি কর্পোরেশন মেয়র পদের মেয়াদকাল নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এসময় আদাদলতের আদেশের কথা উল্লেখ করে শাহাদাত হোসেন বলেন, এখানে (আদালতের আদেশ) যে কথাগুলো ইংরেজিতে লিখা আছে, অনেকে সেগুলো বুঝতে পারে না। আমাদের যে সমস্যা, আমরা ল’ এর স্টুডেন্ট না, আর আমরা ইংরেজি একটু কম বুঝি। প্রবলেমটা এখানে হয়েছে। প্রত্যেকটি কথা এখানে লেখা আছে। কেন আমার মেয়াদ ৫ বছর হবে, কেন রেজাউল করিমে ওই নির্বাচনটা বাতিল হয়েছে, এই নির্বাচনের সাড়ে তিন বছর কেন আমি পাবো, আমার মেয়াদ শুধুমাত্র ১৬ মাস না— ওটা লিখা আছে। রেজাউল করিমের সাধারণ সভা আমার সভা না, আমার সভা ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর যেটি হয়েছিল সেটি।
তিনি বলেন, আমি নিজেও নির্বাচন চাই। আমি এটাকে স্বাগতম জানাবো। কিন্তু একটা নির্বাচন না হলে আপনি কোথায় পদত্যাগ করবেন, কাকে দেবেন এই শহরটা? শহরটা একজন রেসপন্সিবল পার্সনকে তো দিতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নথিতে বলা হয়েছে, আদালত শাহাদাত হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা করলেও তার দায়িত্ব পালনের মেয়াদ নিয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্তমান পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। আইন অনুযায়ী—স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ধারা ৬ এবং ২০১১ সালের সংশোধনী আইনের ধারা ৪—পরিষদের মেয়াদ পাঁচ বছর, যা শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি।
এ অবস্থায়, সংশোধিত আইন ২০০৯-এর ধারা ২৫ (ক) অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শাহাদাত হোসেনকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে শাহাদাতের দাবি, তার মেয়াদকাল ২০২৯ সালে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।
যেভাবে মেয়রের চেয়ারে শাহাদাত
২০২৪ সালের ১ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে রায় দেন আদালত। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। সেখানে শাহাদাত পান ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট। ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন তিনি। তিন বছর পর আদালত হঠাৎ সেই মামলার রায় ঘোষণা করেন। সাত দিন পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন শাহাদাতকে মেয়র ঘোষণার সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : কে এম আলী হাসান : মহিলাদের নিজ এলাকা বা সুবিধাজনক স্থান থেকে দূরে বা বাহিরে বদলি(Transfer) করলে ব্যক্তà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মিয়ানমারে পাচারের সময় ৩৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সারসহ দুইজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : গরমে দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের সংকট তীব্র আকার ধারণ কর...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : কে এম আলী হাসান ধূমপান একটি সামাজিক ব্যাধি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে যত লোক মারা গেছে, ঠিক সেই একà...বিস্তারিত
রিপোর্টার : ফটিকছড়ি উপজেলায় টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢলে জনজীবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি, মৎস্য ও গৃহস্থালি খাতে à¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : "ঐতিহ্যের সাথে উন্নয়নের পথে" স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম মহানগর তথা বায়েজিদ বোস্তামী থাà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited