শিরোনাম
বান্দরবান প্রতিনিধি : | ০১:১২ পিএম, ২০২২-০৩-০৬
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, দেশের প্রতিটি দুর্গম এলাকার জনগনকে প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইটের মাধ্যমে আধুনিক কানেক্টিভিটির আওতায় আনা হবে ।
শনিবার (৫ মার্চ) সকালে বান্দরবানে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ কাজের উদ্ভোদন শেষেএকথা বলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, বান্দরবান সদর উপজেলার সূয়ালক ইউনিয়নের হলুদিয়ায় বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এলাকায় ৩ একর জায়গায় ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় প্রকল্পটি নির্মাণ করা হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি'র সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.এফ ইমাম আলী, বান্দরবান ৬৯ পদাতিক রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: জিয়াউল হক, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সত্যহা পানজি ত্রিপুরা, জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি,
পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য কালে তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রধান মন্ত্রীর মমতা ও আন্তরিকতায় ডিজিটাল উন্নয়নের
কল্যানে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি কণায় আধুনিক উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা ব্যাবহার করে
পাহাড়ের দুর্গম এলাকা থানচিতে বসেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে মাসিক বিশ ত্রিশ হাজার টাকা
আয় করছে চনয়ের মত হাজারো বাংলার সন্তানেরা।
বান্দরবানে পার্বত্য মন্ত্রীর অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও প্রধান মন্ত্রীর আন্তরিকতায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার পুরোদমে চালু হলে জেলার শিক্ষার্থীরা ফ্রিল্যান্সিং বা আইটি শিক্ষায় সুশিক্ষিত হয়ে চাকরির পেছনে না ঘুরে নিজেই স্বাবলম্ভি হতে পারবে। বৈষম্য দূর করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলছেন, সেটিই তরুনদের কর্মসংস্থানের নতুন ঠিকানা হচ্ছে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার। দেশের ৬৪টি জেলায় প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে প্রতিবছর লক্ষাধিক তরুন-তরুনীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবো। শিক্ষার্থীরা সনদ মুখী, বিদেশ মুখী এবং ঢাকা মুখী হবেনা, জেলায় জেলায় প্রযুক্তি নির্ভন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, পার্বত্যবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। পাহাড়ের তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের জন্য শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মিত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি এই অঞ্চলে একদিন আলো ছড়াবে, হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করে দিবে। বেকারত্ব গুছবে পাহাড়ে বসবাস করা যুব সমাজের।
নিজস্ব প্রতিবেদক : স্পষ্ট করে বলতে চাই, এখানে কোনো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের আমরা স্পেস দিতে চাই না। যারা সিন্ডিকেট করে প...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রমজান মাস ঘিরে বাণিজ্যিকভাবে পুদিনা আবাদ করা হয়েছে। উপজেলায় ২০ হেক্টর জম...বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে রাঙামাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ৩০ (ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যা...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা ব...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংগৃহীত বর্জ্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুতে রূপান্তর ক...বিস্তারিত
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : : পবিত্র রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বাজার মনিটরিং জোরদারের অংশ হিসেবে ফটিকছড়ি উপজেলার কাজিরহ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited