শিরোনাম
মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান (রাজীব) | ০৩:৩৮ পিএম, ২০২১-০৫-৩০
গ্রীস্মকালীন টক জাতীয় ফল করমচা। দেখতে ছোট আকৃতির একটি ফল গাছ। এটি ছোট আকৃতির একটি ফল।ইংরেজিতে একে Bengal currant বা Christ's thorn বলা হয়। Carissa গণভুক্ত কাঁটাময় গুল্মজাতীয় করমচা উদ্ভিদটি এশিয়া, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে পাওয়া যায়। কাঁচা ফল সবুজ, পরিণত অবস্থায় যা ম্যাজেন্টা লাল-রং ধারণ করে। অত্যন্ত টক স্বাদের এই ফলটি খাওয়া যায়, যদিও এর গাছ বিষাক্ত। করমচার ঝোঁপ দেখতে সুন্দর। বর্তমানে এটি একটি বিলুপ্তপ্রায় গাছ। কাঁটাযুক্ত গুল্মজাতীয় এ উদ্ভিদটি প্রাকৃতিক ভাবেই জন্মে। তবে এটা চাষও করা সম্ভব। ঝোঁপের মতো বলে গ্রামাঞ্চলে এই গাছ বাড়ির সীমানায় বেড়া হিসেবে লাগানো হয়। ঔষধি গুণাবলী করমচা ফল হিসেবে বেশ অবহেলিত হলেও এর পুষ্টিগুণ কিন্তু মোটেও অবহেলা করার মতো না। প্রতি ১০০ গ্রাম করমচায় রয়েছে, এনার্জি-৬২ কিলোক্যালরি কার্বোহাইড্রেট-১৪ গ্রাম প্রোটিন- ০.৫ গ্রাম ভিটামিন এ-৪০ আইইউ ভিটামিন সি-৩৮ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেভিন- ০.১ মিলিগ্রাম নিয়াসিন- ০.২ মিলিগ্রাম আয়রন-১.৩ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম-১৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম-২৬০ মিলিগ্রাম কপার- ০.২ মিলিগ্রাম করমচার নানা গুণাবলি আমাদের স্বাস্থ্যরক্ষায় নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। যেমন - করমচাতে কোনো ফ্যাট বা কোলেস্টেরল নেই। তাই ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগীদের জন্য এ ফল খুব উপকারী। করমচা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। ভিটামিন সি-তে ভরপুর করমচা খাবারে রুচি বাড়ায়। মৌসুমী সর্দি-জ্বর নিরাময়ে সাহায্য করে। স্কার্ভি, দাঁত ও মাড়ির নানা রোগ প্রতিরোধে করমচা সাহায্য করে। করমচাতে উপস্থিত ভিটামিন বি গায়ের চুলকানিসহ ত্বকের নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। করমচা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। শরীরের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ কমাতেও করমচা সাহায্য করে। যকৃত ও কিডনীর রোগ প্রতিরোধে করমচা সহায়তা করে। এর পটাশিয়াম শরীরের দূষণ বহিষ্কারকরণে সহায়তা করে। করমচা কৃমিনাশক হিসেবেও কাজ করে। এছাড়া পেটের নানা অসুখ নিরাময়েও করমচা উপকারী। শরীরের ক্লান্তি ও বার বার হাই তোলা থেকে মুক্তি পাবার জন্য করমচার রস বেশ কাজে দেয়। বাতরোগ ও ব্যথাজনিত জ্বর নিরাময়ে করমচা খুব উপকারী। করমচাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, যা চোখের জন্য খুবই উপকারী। করমচার কার্বোহাইড্রেট কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।করমচা বেশ ঔষধি গুণসম্পন্ন একটি ফল। ভারতবর্ষের আদি চিকিত্সাশাস্ত্র চরক-এ এর উল্লেখ রয়েছে। ফলের পাশাপাশি এর গাছের অন্যান্য অংশেরও রয়েছে নানা কার্যাবলি। যেমন - করমচা গাছের পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি পান করলে কালাজ্বর দ্রুত নিরাময় হয়। করমচা গাছের মূলে রয়েছে হৃদরোগ নিরাময়ে উপকারী ক্যারিসোন, বিটাস্টেরল, ট্রাইটারপিন, ক্যারিনডোনা ও লিগনাম। কাঁচা ফলের রস কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : কে এম আলী হাসান : মহিলাদের নিজ এলাকা বা সুবিধাজনক স্থান থেকে দূরে বা বাহিরে বদলি(Transfer) করলে ব্যক্তà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মিয়ানমারে পাচারের সময় ৩৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সারসহ দুইজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : গরমে দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের সংকট তীব্র আকার ধারণ কর...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : কে এম আলী হাসান ধূমপান একটি সামাজিক ব্যাধি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে যত লোক মারা গেছে, ঠিক সেই একà...বিস্তারিত
রিপোর্টার : ফটিকছড়ি উপজেলায় টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢলে জনজীবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি, মৎস্য ও গৃহস্থালি খাতে à¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : "ঐতিহ্যের সাথে উন্নয়নের পথে" স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম মহানগর তথা বায়েজিদ বোস্তামী থাà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited