চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬  

শিরোনাম

আজকের শিশুশ্রম, আগামীর দারিদ্র্য

আমাদের ডেস্ক :    |    ০৬:১১ পিএম, ২০২৬-০৬-১১

আজকের শিশুশ্রম, আগামীর দারিদ্র্য

জহিরুল ইসলাম
ভোরের আলো পুরোপুরি ফোটার আগেই শহরের কোনো চায়ের দোকান, ইটভাটা কিংবা ওয়ার্কশপে শুরু হয় অসংখ্য শিশুর দিন। যে বয়সে তাদের হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা আর রঙিন স্বপ্ন, সেই বয়সেই অনেক শিশু জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। কারও কাঁধে কয়লার ঝুড়ি, কারও হাতে ভারী যন্ত্রপাতি, আবার কেউ দীর্ঘ সময় কাজ করে একটি পরিবারের অন্নসংস্থানের অংশ হয়ে ওঠে। শৈশব সেখানে ধীরে ধীরে পরিণত হয় সস্তা শ্রমের আরেকটি উপকরণে।

প্রতি বছর ১২ জুন পালিত হয় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। দিবসটি ঘিরে নানা আলোচনা, প্রতিশ্রুতি ও সচেতনতামূলক আয়োজন দেখা যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি, সংঘাত ও জলবায়ু সংকট শিশুশ্রমের ঝুঁকিকে নতুনভাবে বাড়িয়ে তুলছে। ২০২৫ সালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও ইউনিসেফের যৌথ প্রতিবেদন Child Labour: Global Estimates 2024, Trends and the Road Forward অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ শিশু শিশুশ্রমে নিয়োজিত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি ৪০ লাখ শিশু এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত, যা তাদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। যদিও ২০২০ সালের তুলনায় শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা কমেছে, তবুও শিশুশ্রম নির্মূলের বৈশ্বিক লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি। অর্থাৎ অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু বিশ্বের কোটি কোটি শিশুর শৈশব এখনো শ্রমের ভারে চাপা পড়ে আছে।
দেশে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে। খাদ্য, জ্বালানি, বাসাভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধি নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। অথচ প্রকৃত আয় সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে বহু পরিবার এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করতেই হিমশিম খাচ্ছে।

অর্থনীতির ভাষায়, মূল্যস্ফীতি যখন মানুষের আয় বৃদ্ধির চেয়ে দ্রুতগতিতে বাড়ে, তখন তাদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। পরিবার তখন ব্যয় কমানোর কিংবা আয় বাড়ানোর উপায় খোঁজে। দরিদ্র পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে সেই অতিরিক্ত আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়ায় শিশু। ফলে শিশুরা বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি কেবল একটি অর্থনৈতিক সূচক নয়; এটি অনেক শিশুর জন্য স্কুল থেকে কর্মক্ষেত্রে ঠেলে দেওয়ার একটি নীরব প্রক্রিয়া।

যখন একটি পরিবারের আয় দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য, বাসাভাড়া কিংবা চিকিৎসার ব্যয় বহন করাই কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তারা বাধ্য হয়ে পরিবারের সবচেয়ে দুর্বল সদস্যটির দিকে তাকায়—সেটি হলো শিশু। অনেক বাবা-মা অনিচ্ছা সত্ত্বেও সন্তানকে কাজে পাঠান। এটি কোনো স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার চাপের ফল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ ২০২২-এর তথ্য বলছে, দেশে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রায় ৩৫ লাখ ৩৬ হাজার শিশু কোনো না কোনো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত। এর মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ ৭৬ হাজার শিশু শিশুশ্রমের আওতায় পড়ে এবং ১০ লাখের বেশি শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত। ‘শিশুশ্রম’ বলতে বোঝায় সেই সব কাজ, যা শিশুর বয়সের জন্য অনুপযুক্ত এবং তার শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা স্বাভাবিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। পরিসংখ্যানগুলো দেখায়, কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও সংকট এখনো বহুমাত্রিক।

শিশুশ্রমের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, এটি একটি শিশুর মৌলিক অধিকারকে ধীরে ধীরে সীমিত করে দেয়। স্কুলের শ্রেণিকক্ষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শিশুরা প্রবেশ করে অনিরাপদ কর্মপরিবেশে। দীর্ঘ সময় কাজ, অপুষ্টি, শারীরিক ঝুঁকি এবং মানসিক চাপ তাদের স্বাভাবিক বিকাশকে ব্যাহত করে। অনেক ক্ষেত্রে তারা শোষণ ও নির্যাতনেরও শিকার হয়। ফলে শিশুশ্রম কেবল অর্থনৈতিক সংকট নয়; এটি একটি গভীর মানবিক চ্যালেঞ্জ।
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন তাঁর Development as Freedom গ্রন্থে লিখেছিলেন, “দারিদ্র্য শুধুমাত্র টাকার অভাব নয়; এটি মানুষের পূর্ণ সম্ভাবনা উপলব্ধি করতে না পারার অক্ষমতা।” শিশুশ্রমের শিকার শিশুরা মূলত সেই সম্ভাবনা হারানোর অন্যতম বড় উদাহরণ। তারা শুধু বিদ্যালয় হারায় না; হারায় আত্মমর্যাদা, সৃজনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ।
অর্থনীতিবিদ গ্যারি বেকারের মানবসম্পদ তত্ত্ব অনুযায়ী, শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন একটি বিনিয়োগ, যা ব্যক্তি ও রাষ্ট্র উভয়ের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে শিশুশ্রম হলো মানবসম্পদের ওপর একটি আগাম ক্ষতি। যে শিশু আজ বিদ্যালয় ছেড়ে শ্রমে যুক্ত হচ্ছে, সে ভবিষ্যতে দক্ষ কর্মী, উদ্ভাবক কিংবা উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনার একটি অংশ হারিয়ে ফেলছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন—“ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়।” এই পঙ্‌ক্তিটি আজও অসংখ্য দরিদ্র শিশুর বাস্তবতার সঙ্গে মিলে যায়। যেখানে ক্ষুধা বড় হয়ে ওঠে, সেখানে শৈশব, শিক্ষা কিংবা স্বপ্ন খুব দ্রুতই বিলাসিতায় পরিণত হয়।
অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও শিশুশ্রম একটি ক্ষতিকর দুষ্টচক্র তৈরি করে। যে শিশু আজ স্কুল ছেড়ে শ্রমে যুক্ত হচ্ছে, সে ভবিষ্যতে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ হারাচ্ছে। ফলে একটি দেশ উৎপাদনশীল জনশক্তির সম্ভাব্য অংশ হারায়, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে পিছিয়ে পড়ে এবং দারিদ্র্যের পুনরুৎপাদন ঘটে।

শিশুশ্রমের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবগুলোর একটি হলো আন্তঃপ্রজন্ম দারিদ্র্য। যে শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে বড় হয়, তার আয় সাধারণত সীমিত থাকে। পরবর্তীকালে তার সন্তানরাও একই অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কায় থাকে। ফলে দারিদ্র্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে স্থানান্তরিত হতে থাকে। শিশুশ্রম তাই কেবল বর্তমানের সমস্যা নয়; এটি ভবিষ্যতের দারিদ্র্যও তৈরি করে।

বাংলাদেশ বর্তমানে জনমিতিক সুবিধা বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় শক্তি হতে পারে। কিন্তু যদি বিপুলসংখ্যক শিশু শিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করে, তবে এই সম্ভাবনা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে। শিশুশ্রম তাই শুধু বর্তমানের সংকট নয়; এটি ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্যও একটি নীরব ঝুঁকি।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুশ্রম সমাজে ‘সস্তা শ্রমের সংস্কৃতি’ তৈরি করে। যখন শিশুদের কম মজুরিতে দীর্ঘ সময় কাজ করানো সম্ভব হয়, তখন প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরিও চাপে পড়ে। এর ফলে শ্রমবাজারে এক ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়, যেখানে মানবিক মর্যাদার চেয়ে মুনাফা বড় হয়ে ওঠে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক শিল্পাঞ্চলে এই বাস্তবতা প্রায়ই দেখা যায়। বহু অনিবন্ধিত কারখানায় শিশুরা দীর্ঘ সময় কাজ করলেও পায় না ন্যায্য মজুরি, নিরাপত্তা কিংবা স্বাস্থ্যসুরক্ষা। অনেক ক্ষেত্রে তারা ‘শিক্ষানবিশ’ নামে কার্যত বিনা বেতনে শ্রম দিতে বাধ্য হয়। বাস্তবে এই ব্যবস্থার অপব্যবহার শিশুদের শোষণের একটি গুরুতর রূপে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ শিশুশ্রম শুধু দারিদ্র্যের ফল নয়; এটি দুর্বল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও মুনাফাকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক সংস্কৃতিরও প্রতিফলন।

জলবায়ু পরিবর্তনও শিশুশ্রমের ঝুঁকি বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে উঠছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন কিংবা উপকূলীয় ক্ষয় বহু পরিবারকে জীবিকা হারানোর মুখে ঠেলে দেয়। যখন একটি পরিবার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন শিশুদের শ্রমবাজারে পাঠানোর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ফলে জলবায়ু সংকট, দারিদ্র্য এবং শিশুশ্রমের মধ্যে একটি জটিল সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০০৬ (২০১৮ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের কাজে নিয়োগ নিষিদ্ধ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশন ১৩৮ ও ১৮২–এও বাংলাদেশ শিশুশ্রম নিরসনের অঙ্গীকার করেছে। পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৮.৭ শিশুশ্রম নির্মূলের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে বিভিন্ন দেশে সরকারি পর্যায়ে নানামুখী কর্মসূচি ও প্রকল্প চলমান রয়েছে। বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও কিছু রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ দৃশ্যমান। তবে বাস্তবতা হলো, অনানুষ্ঠানিক খাতের বিশাল বিস্তৃতি, দারিদ্র্য এবং তদারকির সীমাবদ্ধতার কারণে বহু শিশু এখনো আইনের সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত।

এই সংকট মোকাবিলায় শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন কার্যকর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা, মানসম্মত ও সহজলভ্য শিক্ষা এবং শ্রম আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন। একই সঙ্গে শ্রম অধিদপ্তরে ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা, ঝুঁকিপূর্ণ খাতে নিয়মিত পরিদর্শন জোরদার করা, শিশুশ্রমমুক্ত শিল্পাঞ্চল বা উপজেলা সার্টিফিকেশন চালু করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতির সঙ্গে নির্দিষ্ট সামাজিক সহায়তা কর্মসূচিকে সংযুক্ত করার মতো উদ্যোগ বিবেচনা করা যেতে পারে।
ব্রাজিলের ‘বোলসা ফ্যামিলিয়া’ কর্মসূচির মতো শর্তাধীন নগদ সহায়তা কর্মসূচি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিবাচক ফল দেখিয়েছে। বাংলাদেশেও সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত শিশুদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করছে। এসব উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত, সমন্বিত ও টেকসই করা প্রয়োজন।

একটি সভ্য রাষ্ট্রের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু মাথাপিছু আয় বা অবকাঠামোর বিস্তারে নির্ধারিত হয় না; নির্ধারিত হয় সে তার শিশুদের কতটা নিরাপদ, শিক্ষিত ও মর্যাদাপূর্ণ শৈশব দিতে পারছে তার ওপর। যে সমাজে শিশুর হাতে বইয়ের বদলে শ্রমের বোঝা তুলে দেওয়া হয়, সেই সমাজের উন্নয়ন শেষ পর্যন্ত কেবল পরিসংখ্যানের উন্নয়ন হয়ে থাকে—মানবিক উন্নয়ন নয়।

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কেবল শিশুদের জন্য নয়; এটি একটি দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার সংগ্রাম। কারণ যে সমাজ তার শিশুদের শৈশব রক্ষা করতে পারে না, সে সমাজ শেষ পর্যন্ত নিজের উন্নয়নের ভিত্তিকেই দুর্বল করে ফেলে।

১২ জুন তাই কেবল একটি প্রতীকী দিবস নয়; এটি আমাদের সমষ্টিগত বিবেকের সামনে উচ্চারিত এক কঠিন প্রশ্ন—আমরা কি এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো শিশুর শৈশবের মূল্য এক মুঠো সস্তা শ্রমের সমান হয়ে যায়?

রিটেলেড নিউজ

মেয়াদ ফুরাল, নির্বাচন হলো না

মেয়াদ ফুরাল, নির্বাচন হলো না

আবদুল্লাহ মজুমদার : : চট্টগ্রাম নগরীর রাস্তায় প্রতিদিনের যানজট, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্যের স্তূপ আর নাগরিক দুর্ভোগের ম...বিস্তারিত


রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান: মাদক কারবারি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ১২

রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান: মাদক কারবারি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ১২

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : : রাঙামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযà...বিস্তারিত


সড়ক দুর্ঘটনায় আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে? নিরাপদ সড়কের দাবি দেশজুড়ে

সড়ক দুর্ঘটনায় আর কত প্রাণ গেলে টনক নড়বে? নিরাপদ সড়কের দাবি দেশজুড়ে

মো.আরফান উদ্দীন  : পৃথিবীর আর কোন দেশে বাংলাদেশের মতো প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় এত মানুষের প্রাণহানি ঘটে কি না, তা আমার...বিস্তারিত


মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: নীরব কূটনীতি, অনুত্তরিত প্রশ্ন ও রাষ্ট্রের দায়

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: নীরব কূটনীতি, অনুত্তরিত প্রশ্ন ও রাষ্ট্রের দায়

আবদুল্লাহ মজুমদার : : একটি মৃত্যুদণ্ডের খবর কখনো কখনো একটি পরিবারের শোকের সীমানা ছাড়িয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধকেই কাঠগà§...বিস্তারিত


লায়ন্স ও লিও ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এলিটের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

লায়ন্স ও লিও ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এলিটের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেবামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আমাদের ডেস্ক : : লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং কর্ণফুলী এল...বিস্তারিত


বরেণ্য কবি নূরুল হকের সাথে লায়ন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বরেণ্য কবি নূরুল হকের সাথে লায়ন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আমাদের ডেস্ক : : কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক সার্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ​সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা নà¦...বিস্তারিত


নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর