শিরোনাম
আ.ন.ম. তাজওয়ার আলম | ০৮:০৩ পিএম, ২০২৫-০৫-১৭
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) পদে এক কর্মকর্তার প্রমোশন ঘিরে প্রশাসনের ভেতরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, মৌখিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে প্রমোশন দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে চাপে পড়ে তা আবার বাতিল করা হয়। উভয় আদেশেই মেয়রের স্বাক্ষর থাকায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) রুপক চন্দ্র দাশ গত ৬ মার্চ মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় তিনি পেয়েছিলেন ৯ নম্বর, যেখানে উত্তীর্ণ হতে দরকার ছিল অন্তত ১০। এর ফলে তিনি অকৃতকার্য হন।
তবে প্রায় দেড় মাস পর, গত ২১ এপ্রিল জারি করা এক অফিস আদেশে তাঁকেই সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। আশ্চর্যের বিষয়, এই আদেশে স্বাক্ষর ছিল চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের। অথচ চাকরিবিধিমালা অনুযায়ী, এই পদে প্রমোশনের জন্য ন্যূনতম ৮ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক।
চসিকের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রমোশন সংক্রান্ত অফিস আদেশে মোট চারজনকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে রুপক ছিলেন তালিকার শীর্ষে। অথচ তিনি ছিলেন অকৃতকার্যদের মধ্যে একজন। বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচিত হলে পরদিন মেয়রের আরেকটি স্বাক্ষরিত আদেশে রুপকের প্রমোশন বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “নিয়ম লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছি।” তবে প্রশ্ন উঠেছে, যাঁর স্বাক্ষরে প্রথমে প্রমোশন দেওয়া হলো, পরে তিনিই আবার বাতিল করলেন—তাঁর এই দ্বৈত ভূমিকা কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে?
চসিকের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “নিয়োগ কমিটির সভাপতি মেয়র নিজেই ছিলেন। তাঁর অনুমোদন ও স্বাক্ষর ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত হয় না। তাহলে ভুলটা কোথায়?”
এ বিষয়ে প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা বলেন, “কেবল বাতিল করলেই দায় শেষ হয় না। কাকে বাঁচাতে নিয়ম ভাঙা হয়েছিল, তা বের করতে হবে। নইলে এমন নজির বাড়তেই থাকবে।”
চসিক সূত্র জানায়, পদোন্নতির জন্য ৬ মার্চ অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় আটজন অংশ নেন। তিনজন উত্তীর্ণ হন, একজন অনুপস্থিত ছিলেন এবং চারজন অকৃতকার্য হন। অকৃতকার্যদের মধ্যে রুপক চন্দ্র দাশ ষষ্ঠ ক্রমিকে ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) পদে অনুমোদিত সংখ্যা ৬ হলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৩ জন। এই পরিস্থিতিতে ৪ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়, যা সংখ্যাগতভাবেও প্রশ্নবিদ্ধ।
রিপোর্টার : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতি ও লাউঞ্জ ভবন, পুরাতন কলা অনুষদ এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সম...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ ৬ সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে অ্যাডভোকেট আমি...বিস্তারিত
ঢাকা অফিস : : সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন লেফটেন্য...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : মাহবুবুল মাওলা রিপন (বিশেষ প্রতিনিধি) : সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জাতীয়তাবাদী দল নি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited