শিরোনাম
আনোয়ারা, প্রতিনিধি :: | ০৬:৩৩ পিএম, ২০২৫-০৯-২৩
চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বৈরাগ ও আশেপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ চিহ্নিত সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম ওরফে ‘এতিম্যা’ এবং মো. ইউসুফ ওরফে ‘কালা মনু’-এর দাপটের শিকার। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানো এই দুই সন্ত্রাসীকে নিয়ন্ত্রণমূলক সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় স্থানীয়রা প্রতিদিন চোখে দেখছে।
সম্প্রতি শাহ পরান নামে এক ব্যক্তি আনোয়ারা আর্মি ক্যাম্প ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমি (রেজিস্ট্রি নং-২২৮৯, বি.এস. নামজারী খতিয়ান নং-২১৯৮) দখল করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। অভিযোগে উল্লেখ, হোসেন আরা বেগম ও তার স্বামী মো.ইউসুফ ওরফে (কালা মনু) এবং আব্দুর রহিম ওরফে এতিম্যাসহ আরো ১০-১২ জন সশস্ত্র সহযোগী জমিতে ইট, বালু ও সেমিপাকা ঘর নির্মাণ সামগ্রী মজুদ করে স্থান দখল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
শাহ পরান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে উপস্থিত হলে তারা বলে ৫ শতক জমি দখলে নিবে। প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়েছেন যে প্রয়োজনে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে হলেও ৫ শতক জমি জবরদখল করবে। তিনি অভিযোগে আরও জানিয়েছেন, জমি বহু প্রজন্ম ধরে উত্তরাধিকারী ও বৈধ মালিকদের মধ্যে হস্তান্তরিত হয়ে আসছে। তিনি ২৬ জুলাই ২০২২ তারিখে বৈধভাবে রেজিস্ট্রি দলিল মূলে জমি দখল গ্রহণ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, এতিম্যা ও কালা মনুর ভয়াবহ কার্যক্রমের কারণে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করা কঠিন হয়ে উঠেছে।
এক স্থানীয় পরিবার জানান, “আমরা তাদের ভয়ে অস্বাভাবিক পরিবেশে বসবাস করছি। প্রশাসন যদি তৎপর না হয়, তবে যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ হতে পারে।”
সচেতন মহল মনে করছে, প্রশাসন যদি এই দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা না নেয়, তবে এলাকায় দীর্ঘদিনের শান্তি ফিরে আসা সম্ভব নয়।
প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক ছত্রছায়া:
স্থানীয় সূত্র জানায়, আব্দুর রহিম ও ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় কাজ করছে। তারা শুধু জমি দখল নয়, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের উপর হুমকি প্রদানের মাধ্যমে এলাকায় ভয় সৃষ্টি করছে। প্রশাসনের পূর্ববর্তী পদক্ষেপের ব্যর্থতাও স্থানীয়দের উদ্বিগ্ন করেছে।
ভূমি দখল চক্রের ইতিহাস: শাহ পরানের লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, এই জমি বহু প্রজন্ম ধরে বিভিন্ন উত্তরাধিকারী ও বৈধ মালিকদের মধ্যে হস্তান্তরিত হয়েছে। জমি সংক্রান্ত পূর্বের মামলা ও রেকর্ড অনুযায়ী, সুবল চন্দ্র দাশ, ঈশ্বর চন্দ্র দাশ, সতীশ চন্দ্র দাশসহ বিভিন্ন উত্তরাধিকারীর মধ্যে বৈধভাবে হস্তান্তরিত হয়ে এসেছিল। পরবর্তীতে, শাহ পরান বৈধভাবে জমি ক্রয় ও দখল গ্রহণ করলেও সম্প্রতি সন্ত্রাসীরা পুনরায় দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান: শাহ পরান অভিযোগে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, “আমার জমি ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন, নয়তো অপূরণীয় ক্ষতি হবে।”
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা আশা করছেন, প্রশাসন আইনের পুরো শক্তি প্রয়োগ করে প্রভাবশালী এই সন্ত্রাসীদের দমন করলে দীর্ঘদিনের আতঙ্ক থেকে মুক্তি মিলবে।
স্টাফ রিপোর্টার : : সিআইডির ওসি পরিচয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোন করে তদন্তের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম নগরের চন্দনপুরা ভুইয়া গলিতে ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক এমপি ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযো...বিস্তারিত
কুতুবদিয়া প্রতিনিধি :: : কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘরে ঢুকে তপসি দাস (৪২) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্য...বিস্তারিত
আলমগীর মানিক, রাঙামাটি : রাঙামাটিতে এক নারীকে ধর্ষণ করে সেই ঘটনার স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ, পরবর্তীতে সেগুলো দেখিয়ে দীর্ঘদ...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার : : ফেনীর ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী সীমান্তে ২৫ লক্ষ টাকার ৮২ কেজি গাঁজা সহ ভারতীয় পন্য জব্দ করেছে বর্ডার গা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited