চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬  

শিরোনাম

হাটহাজারী মাদ্রাসায় জালিয়াতি: অনুপস্থিত শিক্ষককে এমপিওভুক্তি ও বেতন উত্তোলনে দুর্নীতির অভিযোগ”

মোঃ শোয়াইব , হাটহাজারী    |    ০৭:৩৫ পিএম, ২০২৫-০১-০৬

হাটহাজারী মাদ্রাসায় জালিয়াতি: অনুপস্থিত শিক্ষককে এমপিওভুক্তি ও বেতন উত্তোলনে দুর্নীতির অভিযোগ”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে হাটহাজারী অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার শিক্ষকের জালজালিয়াতির সীমা ছাড়িয়েছে। বিভিন্ন জালিয়াতি থেকে শুরু করে এমপিও এবং পদোন্নতিতে অনিয়ম, দুর্নীতি সবই তারা করে চলেছেন অবলীলায়।

প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধের জন্য গভর্নিংবডির সভাপতি হিসেবে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক/ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে করার এবং তাঁর মাধ্যমে মাদ্রাসাটির নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগ করার নির্দেশনা থাকা তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকের আহমদ ডিসি ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতাকে বাদ দিয়ে ইসলামি ফ্রন্টের নেতা জয়নাল আবেদীন জোবাইরকে সভাপতি করে গভর্নিংবডি গঠন করে। তাঁর মাধ্যমে অধ্যক্ষ হিসেবে মোঃ হেলাল উদ্দিনকে নিয়োগ প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে উপাধ্যক্ষ জাকের ও অধ্যক্ষ মোঃ হেলাল উদ্দিন গভর্নিংবডি সভাপতি করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ইউনুস গণি চৌধুরীকে।

মাদ্রাসাটির উপাধ্যক্ষ জাকের আহমদ প্রায় দুই বছরের বেশি সময় অধ্যক্ষ ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে বিভিন্ন দুর্নীতি ও বিধি না মেনে নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেন। এর আগেও সাবেক গভর্নিংবডি জাকের আহমদ বিরুদ্ধে বিভিন্ন জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির উপাধ্যক্ষ মাওলানা জাকের আহমেদ ও অধ্যক্ষ মাওলানা হেলাল উদ্দীন আলকাদেরী বিরুদ্ধে প্রায় দুই বছর ধরে অবসরজনিত কারণে অবসরপ্রাপ্ত ক্বারি শিক্ষক এ হাইকে পুনরায় এমপিওভুক্ত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অনুপস্থিত থাকা শিক্ষক ক্বারি শিক্ষক মোঃ এ হাই (ইনডেক্স নম্বর ৩০৫১২৭) এমপিও কপিতে তাঁর জন্ম তারিখ ১৯৬২ থাকাতে বিগত দুই বছর আগেই তাঁর ৬০ বছর পূর্ণ হলে ২০২২ সালে অবসর গ্রহণ করেন এবং প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও উত্তোলন করে নিজ বাড়ি ফেনিতে চলে যান এবং মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন না এবং কোন শ্রেণিকর্মসূচীতেও জড়িত ছিলেন না। সরেজমিনে দেখা যায় ক্লাস রুটিন ও শিক্ষক হাজিরা খাতায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁর নাম ও স্বাক্ষর নেই।

মোঃ আবদুল হাইয়ের নিজের জন্ম সনদে ১৯৬২ সাল ছিলো তা দিয়েও তিনি এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারি টাকা নিয়েছেন এবং বর্তমানে তার সাথে আরও বয়স ১০ বছর বাড়িয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। বিভিন্ন তথ্যে দেখা যায়, মোঃ আব্দুল হাই প্রকাশ এ হাই। তিনি ১ জানুয়ারি ১৯৬২ সালে ফেনীতে জন্মগ্রহণ করেন বলে উল্লেখ করেন। এরপর তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখান, ১৯৮৮ সালের দাখিল পরীক্ষায় তিনি প্রথম বিভাগ এবং ১৯৯০ সালের আলিম পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগ পান। তারপর ক্বারি হিসেবে ১৯৯০ সালে ১ অক্টোবর হাটহাজারী অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় যোগদান করেন। এরপর তিনি এমপিওভুক্ত হন। ক্বারি শিক্ষক এ হাই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত হন। মোটকথা সব বিষয় বিবেচনা করে তিনি ২০২২ সালে অবসরে যান এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও উত্তোলন করেন। মাদ্রাসায় তিনি প্রায় দুই বছর যাবৎ অনুপস্থিত এবং মাদ্রাসার ক্লাস রুটিনেও তার নাম নেই। অথচ জন্ম তারিখ সংশোধন সংক্রান্ত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন তাতে উল্লেখ করা হয়েছে পুনঃজন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়মিত মাদ্রাসার পাঠদান কিংবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন কিনা, শূন্যপদের বিপরীতে এনটিআরসিএতে চাহিদা দেওয়া হয়েছে কিনা, শূন্যপদে নিয়োগ প্রদান/কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে কিনা, জন্ম তারিখ বকেয়া না দেয়ার শর্তে সংশোধন করা হলে পরবর্তীতে কোন জটিলতা সৃষ্টি হবে না মর্মে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্টাম্পে অধ্যক্ষ/ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অঙ্গিকারনামা প্রদান করতে হয়। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উক্ত পরিপত্রের শর্তসমূহ গোপন করে অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন ও উপাধ্যক্ষ জাকের আহমদ এ হাইকে নতুন করে এমপিওভুক্তি করেন। অথচ ক্বারি পদটি শূন্য বলে অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন এনটিআরসিএ চাহিদা পত্র দিয়ে ছিল। অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ক্বারি মোঃ এ হাইকে ১৬ অক্টোবর মাদ্রাসায় এনে অনুপস্থিত হাজিরা খাতায় প্রুফ কলম দিয়ে ঢেকে দিয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা হেলাল উদ্দীন আলকাদেরী উক্ত শিক্ষককে স্বাক্ষর করান। অথচ প্রায় ২ বছর এবং বিশেষ করে সেপ্টেম্বর মাসে না থাকা সত্ত্বেও এ হাইকে সেপ্টেম্বর মাসের বেতনভাতা দেওয়া হয়। একই সাথে শিক্ষকদের বেতনভাতা খাতায় উক্ত শিক্ষকের নাম লিপিবদ্ধ করায় শিক্ষকরা প্রতিবাদ করলে তাদের বেতন-ভাতা দিতে দেরি করে বলেও শিক্ষকরা জানান।

পুনরায় জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে যে শর্ত: নিয়মিত মাদ্রাসার পাঠদান কিংবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন কিনা, শূন্যপদের বিপরীতে এনটিআরসিএতে চাহিদা দেওয়া হয়েছে কিনা, শূন্যপদে নিয়োগ প্রদান/কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে কিনা, জন্ম তারিখ বকেয়া না দেয়ার শর্তে সংশোধন করা হলে পরবর্তীতে কোন জটিলতা সৃষ্টি হবে না মর্মে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্টাম্পে অধ্যক্ষ/ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অঙ্গিকারনামা প্রদান করতে হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক বলেন, এ হাই তো ২০২২ সালে অবসরে চলে গেছে। তিনি কিভাবে আবারও এমপিওভুক্ত হলেন? এটা তো জঘন্য ঘটনা। তিনি অবসরে গেছেন বলেই তো প্রভিডেন্ট ফান্ডের সব টাকা উত্তোলন করেছেন। না হলে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সব টাকা উত্তোলন করা যায় না। তার জন্যই এ মাদ্রাসা যেন অনিয়ম দুর্নীতির কারখানা। এই মাদ্রাসায় মিটিংয়ে খালি রেজুলেশনে সাইন নিয়ে যতসব জালিয়াতি করে বলার মতো না। কোন প্রতিবাদ করলেই বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি দেখায় বিশেষ করে মহিলা শিক্ষকদেরকে। এখন এই মাদ্রাসা শুধু অনিয়ম দুর্নীতির কারখানায় পরিণত হয়েছে। বর্তমান অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও অনিয়মে হয়েছে শুধুমাত্র মাদ্রাসার টাকা লুটপাট করার জন্য। আমরা নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নয়। কখন, কোথায়, কাকে, কীভাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে তা আমরা কখনও জানতে পারি না। অধ্যক্ষ ও নিয়োগ কমিটি মিলে নিয়োগ প্রক্রিয়া করে থাকেন। তাদের অনিয়মের কারণে আমরা যথাসময়ে বেতন পাচ্ছি না। আমাদের অপরাধ কী? কেন আমরা বেতনভাতা থেকে বঞ্চিত? যাদের অনিয়মের কারণে পুরো মাদ্রাসার বেতন বন্ধ হয়েছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি হোক। তবে মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং নন এমপিও শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগসহ যাবতীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।

অনুপস্থিত থেকেও কিভাবে এমপিওভুক্ত হলেন জানতে চাইলে এ হাই বলেন, আমি ১৯৯০ সালে এ মাদ্রাসায় যোগদান করি। তারপর কিছুদিন পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আমার যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে এমপিও এর জন্য আবেদন করে। এরপর আমার এমপিওভুক্ত হয়। তারমধ্যে ২০১৮ সালে জানতে পারি আমার জন্ম তারিখ ভুল আছে। তারপর ২০২২ সালে আমার এমপিও শেষ হয়। এর মধ্যে আমি আবারও জন্ম তারিখ সংশোধন করে ২০২৪ সালে জাকির সাহেব এবং হেলাল সাহেব নতুন এমপিওর জন্য আবেদন করে। যা গত সেপ্টেম্বর চালু হয়েছে। তাই এখন আবারও মাদ্রাসায় চলে আসছি।

এমপিওভুক্তির আবেদনের বিষয়টি স্বীকার করে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হেলাল উদ্দীন আলকাদেরী ও উপাধ্যক্ষ মাওলানা জাকের আহমেদ বলেন, ওনি তো ১৯৯০ সাল থেকে এমপিওভুক্ত ছিলেন। কে বা কারা ওনার জন্ম তারিখটা হাতে ১৯৭২ সালে জায়গায় ১৯৬২ লিখে দিয়েছেন। যার কারণে মোঃ এ হাই এর এমপিও অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায়। এখন ওনার জন্ম তারিখ ১৯৭২ সালটা সঠিক হওয়ায় অটোমেটিক আবারও এমপিও হয়েছে। সেই হিসেবে মোঃ এ হাই এর নাম হাজিরা খাতায় এবং শিক্ষকদের বেতনভাতায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং ওনি যে এতো বছর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেতন পাবেন তা নেবে না বলে স্টাম্পে লিখিত দিয়েছেন।

জোর গলায় মাদ্রাসা উপাধ্যক্ষ মাওলানা জাকের আহমেদ বলেন, শিক্ষক মোঃ এ হাই চলে যাননি। ওনাকে এখান থেকে কিছু মাদ্রাসা শিক্ষক ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যেতে বাধ্য করেছেন বলে সাফাই গাইতে থাকেন তিনি নিজের অনিয়ম ঢাকতে। একই সুরে সুর মিলিয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা হেলাল উদ্দীন আলকাদেরীও বলেন, ওনি তো মাত্র কয়েক মাস আসেননি। অনেকে আছেন ১০/১৫ বছর ধরে মাদ্রাসায় আসেননি এমন শিক্ষক এমপিও হওয়ার পরেও মাদ্রাসায় যোগদান করেছেন। তাহলে ওনি (মোঃ এ হাই) করলে সমস্যা কোথায়! এখানে কোন অনিয়ম হয়নি। অথচ এই অধ্যক্ষ নিয়োগে রয়েছে আরো বড় দুর্নীতি। তারপরও তিনি উপাধ্যক্ষের কথা মতো সাফাই গাইতে বাধ্য হয়েছেন কোন লোকায়িত অদৃশ্য কারণে। এরপর দুইজনে মিলে কোন কাগজপত্র ও তথ্য দিতে দীর্ঘ সময় করে গড়িমসি করতে থাকেন।

হাটহাজারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাইনুদ্দিন মজুমদার বলেন, অদুদিয়া মাদ্রাসার এক শিক্ষকের জন্ম তারিখের সংশোধনী ছিলো বলে তার ডকুমেন্ট দেখেছি। উপস্থিত বাধ্যতামূলক নয়, অনেক মাদ্রাসা কিংবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ১৫ বছরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায়নি। কিন্তু তার এমপিও হয়েছে, সে এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। তাই এটা কোন সমস্যা না। যে কোন শিক্ষক চাইলে তিনি প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা উত্তোলন করতে পারেন। যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি রেজুলেশন করে তখন সে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা নিতে পারে।

যৌন হয়রানি ও অনুপস্থিত থেকে এমপিও হওয়ার অভিযোগের তদন্তে যান হাটহাজারী উপজেলা এলজিইডির সার্ভেয়ার মোঃ মোরশেদুল আলম। কথা হয় তাঁর সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আমাকে ইউএনও মহোদয় অদুদিয়া মাদ্রাসার অনুপস্থিত থেকে এমপিও হওয়ার অভিযোগের তদন্তে পাঠান। আমি তদন্তে গিয়ে কাগজপত্র চেয়েছি কিন্তু তারা আমাকে কোন কাগজপত্র দেয়নি। আমি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কাগজপত্র দিতে বলেছি। কয়েকদিন হয়ে গেছে তারা এখনও কোন কাগজপত্র দেয়নি।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি মোঃ শরীফ উদ্দিন বলেন, এই মাদ্রাসার জন্ম তারিখ সংশোধনের অভিযোগ পেয়েছি এবং তা তদন্ত করতে ইতিমধ্যেই মাদ্রাসায় একটি টিম গেছে। এখনও তদন্ত প্রতিবেদন পায়নি। এরপর এমপিওভুক্তি বিষয় সেটাও খতিয়ে দেখব। তারপর সব রিপোর্ট মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে প্রেরণ করব যথাযথ ব্যবস্থা নিতে।

মাদ্রাসা অধিদপ্তর ঢাকার সহকারী পরিচালক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মাদ্রাসার পাঠদান কিংবা কার্যক্রম অব্যাহত না রাখলে তার এমপিও হতে পারে না।

রিটেলেড নিউজ

মীরসরাই উপজেলায় নতুন ইউএনও'র যোগদান

মীরসরাই উপজেলায় নতুন ইউএনও'র যোগদান

মীরসরাই প্রতিনিধি : : মীরসরাই উপজেলা প্রশাসনে নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে  যোগদান করে...বিস্তারিত


ফটিকছড়িতে টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টা, গণপিটুনির পর ৫ জন আটক

ফটিকছড়িতে টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টা, গণপিটুনির পর ৫ জন আটক

আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশে...বিস্তারিত


৪০০ দাবাড়ুর অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন বোয়ালখালী চেস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬

৪০০ দাবাড়ুর অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন বোয়ালখালী চেস চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬

বোয়ালখালী প্রতিনিধি : : আলমগীর রানা : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রায় ৪০০ দাবাড়ুর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফলভাবে সম্পন্ন ...বিস্তারিত


ফটিকছড়িতে আনন্দঘন পরিবেশে প্রবারণা পূর্ণিমা পালিত, ফানুস দেখতে মানুষের ঢল

ফটিকছড়িতে আনন্দঘন পরিবেশে প্রবারণা পূর্ণিমা পালিত, ফানুস দেখতে মানুষের ঢল

আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধাà...বিস্তারিত


নাজিরহাট পৌরষভায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

নাজিরহাট পৌরষভায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

আনোয়ার হোসেন ফরিদ, ফটিকছড়ি : : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার শাহ সোবাহানিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে নিম্নমানের  ইট à¦...বিস্তারিত


আলীকদমের দুর্গম ওয়াংরাইপাড়ায় ৫৭ বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ

আলীকদমের দুর্গম ওয়াংরাইপাড়ায় ৫৭ বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার : : বান্দরবানের আলীকদমে দুর্গম সীমান্ত এলাকার চিকিৎসাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের পাশে দাঁড়িয়...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

মন্ত্রণালয়ের আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিডিএ-তে শিকড় গেঁড়েছেন হারুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ​সরকারি আদেশ মানেই যেন মগের মুল্লুক! গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বদলি আদেশকে তোয়াক্কা নà¦...বিস্তারিত


নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

নেশনস কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সালাহ-মানে

স্পোর্টস ডেস্ক : : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট লিভারপুলের জার্সিতে খেলেন দুজনেই। আক্রমণভাগে দুজনের রসায়নে অলরেড...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর